|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   চিত্র-বিচিত্র
  অতিথি পাখির কলকাকলিতে মুখর হাকালুকি হাওর
  02-02-2017

অনলাইন ডেস্ক : অতিথি পাখির কলকাকলিতে মুখর হয়ে উঠেছে এশিয়ার বৃহত্তম হাওর ‘হাকালুকি’। সুদূর সাইবেরিয়া ও ভারতের হিমাচল প্রদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে শীতকালে অতিথি পাখি বৃহত্তম এই হাওরে আসে। আগে প্রতিবছরের নভেম্বর থেকেই ৪০-৫০ প্রজাতির পরিযায়ী পাখির আগমনে মুখরিত হয়ে উঠত সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলা জুড়ে বিস্তৃত হাকালুকি হাওর। বৈশ্বিক পরিবর্তন, নিরাপদ বিচরণ ও শিকারিদের উত্পাতে বর্তমানে হাওরে কমেছে অতিথি পাখির সংখ্যা। হাকালুকি হাওরে কর্মরত
বেসরকারি সংস্থা সিএনআরএস ক্রেল প্রকল্পের কর্মকর্তা তৌহিদুর রহমান জানান, এ বছর হাওরে অতিথি পাখি অনেক কম এসেছে। আবহাওয়ার তারতম্য, শিকারিদের দৌরাত্ম্য বৃদ্ধি, হাওরের জলজীবন নির্বিচারে ধ্বংস, হাওর তীরবর্তী এলাকাগুলোর বড় বড় বৃক্ষ কেটে ফেলা ও প্রয়োজনের তুলনায় কম অভয়াশ্রম থাকায় প্রতিবছর হাকালুকিতে অতিথি পাখির আগমন কমছে। বর্তমানে হাওরে ১২টি অভয়াশ্রম রয়েছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। পেশাদার ও প্রভাবশালী শিকারিদের উত্পাত বৃদ্ধিও পাখি কম আসার কারণ বলে তিনি জানান।
সম্প্রতি সরেজমিন হাকালুকির কুলাউড়া, জুড়ী ও বড়লেখা অংশের চকিয়া, নাগুয়া, ফুটবিল, গৌড়কুরি, তুরল, কালাপানি, পিংলা, চাতলা, ফোয়ালা, বালিজুড়ী, কাংলি ও জল্লা বিলে গিয়ে দেখা গেছে-পানকৌড়ি, লেঞ্জা, বিভিন্ন ধরনের মাছরাঙা ও বক, শামুকখোলসহ (শামুখভাঙা) বিভিন্ন প্রজাতির অতিথি পাখির সমাগম হয়েছে। হাওর তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা জানান, অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর অনেক দেরিতে হাকালুকি হাওরে পাখি এসেছে। প্রতিবছর অক্টোবর-নভেম্বর মাসে হাওরে পাখি এলেও এবার দীর্ঘদিন পুরো হাওর এলাকায় বন্যা ও জলাবদ্ধতা থাকায় ডিসেম্বর মাসের শেষ দিকে পাখি আসতে শুরু করেছে। নিরাপদ বিচরণের অভাব ও শিকারিদের উত্পাত বৃদ্ধি পাওয়ায় কয়েক বছর ধরে পাখি কম আসছে। হাওরে কর্মরত কৃষক সুয়াব আলী, তৈয়বুর মিয়া, জুনাব মিয়া, রফিক আহমদ বিলের পাহারাদার মজিদ মিয়া, সোনাহর মিয়া, বাতান ব্যবসায় জড়িত রণজিত্ দাস ও কালাম মিয়া জানান, পাখি শিকারিরা দিনে গরু-মহিষ চড়ানো, ধান চাষ, হাঁস চড়ানোর নামে ছদ্মবেশে হাওরে ঘোরাফেরা করে। এ সময় তারা সুযোগ বুঝে বিষটোপের মাধ্যমে পাখি শিকার করে পাখি নিয়ে সটকে পড়ে। সন্ধ্যার পর থেকেই সংঘবদ্ধ হয়ে পাখি শিকারে নামে। তারা এ সময় জাল দিয়ে ফাঁদ পেতে পাখি শিকার করে গভীর রাত পর্যন্ত। ভোর হওয়ার আগেই হাওর থেকে চলে যায় সংঘবদ্ধ শিকারিরা। শিকারকৃত পাখি বিভিন্ন বাজার ও শহরের হোটেলগুলোতে বিক্রি করা হয়। এ ছাড়া শৌখিন শিকারিরা প্রায়ই ভোরে মোটরসাইকেল ও গাড়িযোগে এসে পাখি শিকার করে। প্রভাবশালী হওয়ায় কেউই তাদের কিছু বলতে পারে না। হাওরে গরু চড়ানোয় ব্যস্ত কিশোর শরীফ, সবুজ, শিকারিরা পুঁটি মাছের ভেতর পটাশ ভরে বিলের পাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রেখে যায়। পাখিগুলো ওইসব মাছ খেয়ে মাথা ঘুরে পড়ে গেলে শিকারিরা এসে পাখিগুলো জবাই করে নিয়ে যায়।
পর্যাপ্ত অভয়াশ্রম না থাকা, নিয়মিত পাখি শিকারিদের বিরুদ্ধে অভিযান এবং হাওর উন্নয়নে নিয়োজিত বেসরকারি সংস্থা ও প্রশাসনের সমন্বয়হীনতার অভাবে দিন দিন পাখি শিকারিদের দৌরাত্ম্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে হাওরে অতিথি পাখির সংখ্যা প্রতিবছরই হ্রাস পাচ্ছে-এমন অভিমত ব্যক্ত করে হাওর তীরবর্তী এলাকার সচেতন মহল



সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট : 430        
   শেয়ার করুন
Share Button
   আপনার মতামত দিন
     চিত্র-বিচিত্র
যে মাছের নাম ‘সমুদ্রের ভগবানের অট্টালিকার দূত’!
.............................................................................................
যে বাজারে গবেষণা কেনাবেচা হয়
.............................................................................................
বিশ্ব বাঘ দিবস আজ
.............................................................................................
অতিথি পাখির কলকাকলিতে মুখর হাকালুকি হাওর
.............................................................................................
ছায়ানটের বর্ণিল নৃত্যোত্সব
.............................................................................................
৩২০০ বছরের পুরনো মমির সন্ধান!
.............................................................................................
রংধনু নদী স্বর্গ থেকে নেমে আসা
.............................................................................................
”চড়–ই পাখী”
.............................................................................................
নগরের পাখি
.............................................................................................
বলুন তো ছবিতে কী দেখছেন?
.............................................................................................
কয়রাই হবে ‘বঙ্গবাহাদুরের’ শেষ ঠিকানা
.............................................................................................
মারাই গেল ‘বঙ্গবাহাদুর’
.............................................................................................
চেনা-অচেনা বন্য প্রাণীদের সঙ্গে লুকোচুরি
.............................................................................................
নওগাঁয় জমি সংক্রান্ত বিবাদে প্রতিপক্ষের অস্ত্রের কোপে মহিলাসহ ২জন জখম
.............................................................................................
নওগাঁ শহরে আগত হনুমানটির আশ্রয় কি হবে না?
.............................................................................................
দুইটি পিঁপড়ে মুখোমুখি হলে কী করে জানেন?
.............................................................................................
মন ভোলানো মনপুরা
.............................................................................................
বাংলাদেশে সেৌন্দর্যের সমারোহ
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: মো: হাবিবুর রহমান সিরাজ
আইন উপদেষ্টা : অ্যাড. কাজী নজিব উল্লাহ্ হিরু
সম্পাদক ও প্রকাশক : অ্যাডভোকেট মো: রাসেদ উদ্দিন
সহকারি সম্পাদক : বিশ্বজিৎ পাল
যুগ্ন সম্পাদক : মো: কামরুল হাসান রিপন
নির্বাহী সম্পাদক: মো: সিরাজুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : সাগর আহমেদ শাহীন

সম্পাদক কর্তৃক বি এস প্রিন্টিং প্রেস ৫২ / ২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, সূত্রাপুর ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৯৯ মতিঝিল , করিম চেম্বার ৭ম তলা , রুম নং-৭০২ , ঢাকা থেকে প্রকাশিত ।
মোবাইল: ০১৭২৬-৮৯৬২৮৯, ০১৬৮৪-২৯৪০৮০ Web: www.dailybishowmanchitra.com
Email: news@dailybishowmanchitra.com, rashedcprs@yahoo.com
    2015 @ All Right Reserved By dailybishowmanchitra.com

Developed By: Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD