|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   কৃষি
  এসডিজি অর্জনের চালক হবে কৃষি
  02-03-2017

বিশ্ব মানচিত্র রিপোর্ট : প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) ও রপ্তানি আয়—গত ২৫ বছরে এ দুইয়ের ওপর নির্ভর করে আমরা যথাসম্ভব এগিয়েছি, কিন্তু আগামী দিনে নির্ভর করব কিসের ওপর? প্রশ্নটি করে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান নিজেই এর জবাব দিয়েছেন।
হোসেন জিল্লুর বলেন, আগামী দিনে সম্ভাব্য প্রবৃদ্ধির চালক হবে কৃষি এবং এতেও নেতৃত্ব দিতে হবে বেসরকারি খাতকে। আর জাতিসংঘ প্রণীত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনের জন্য কৃষি উন্নয়ন অর্থাৎ মফস্বলের পুনর্জাগরণ এবং গুণগত মানের শিক্ষাব্যবস্থা—এ দুইয়ের প্রতি জোর দিতে হবে।
ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) আয়োজনে চেম্বারটির নিজস্ব মিলনায়তনে গতকাল বুধবার অনুষ্ঠিত ‘এসডিজিতে বেসরকারি খাতের ব্যবসায় সম্ভাবনার কৌশল নির্ধারণ’ শীর্ষক সেমিনারে হোসেন জিল্লুর রহমান এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজিবিষয়ক প্রধান সমন্বয়কারী আবুল কালাম আজাদ এতে প্রধান অতিথি এবং হোসেন জিল্লুর রহমান ও পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য শামসুল আলম বিশেষ অতিথি ছিলেন। ডিসিসিআইয়ের এসডিজিবিষয়ক কমিটির উপদেষ্টা আসিফ ইব্রাহীম এতে প্রবন্ধ উপস্থাপন আর সঞ্চালনা করেন ডিসিসিআই সভাপতি আবুল কাশেম খান।
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, কৃষি উন্নয়ন মানে লাঙল দিয়ে হালচাষ বৃদ্ধি নয়। উৎপাদন, বিপণন, প্রক্রিয়াজাতকারণ, রপ্তানি—কত কিছু আছে! এসডিজি পর্যায়ে কৃষি এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি পর্যায়ের শিল্পে মনোযোগী হতে হবে। পাশাপাশি নজর দিতে হবে গুণগত মানের শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি।
নিম্নমানের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার যে বাস্তবতা তৈরি হয়েছে দেশে, তা থেকে বের হয়ে আসা এসডিজি অর্জনের বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন হোসেন জিল্লুর। বলেন, সরকার বড় চিন্তা করছে অবকাঠামো নিয়ে। কিন্তু এক হাজারটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্থাপন করা গেলে পদ্মা সেতুর চেয়েও লাভবান হওয়া যাবে। মনে রাখা দরকার যে আজ যাঁরা দেশ চালাচ্ছেন, তাঁরা এসেছেন মূলত জেলা স্কুলগুলো থেকেই। আর এ কাজটি করতে না পারলে এসডিজি কাগজেই থেকে যাবে।
প্রবন্ধে প্রাইসওয়াটারহাউসকুপারসের তথ্য উল্লেখ করে বলা হয়, বিশ্বে ৭১ শতাংশ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এসডিজিতে নিজেদের সম্পৃক্ত করতে পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে এবং ১৩ শতাংশ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এসডিজির প্রভাব নির্ধারণে কৌশলপত্র প্রস্তুত করেছে। বাংলাদেশেরও উচিত মনোযোগী হওয়া। আসিফ ইব্রাহীম বলেন, সরকারের সহযোগিতায় ব্যবসায়ী মহলের মাধ্যমে এসডিজি অর্জন করতে হবে। তবে এসডিজি অর্জনের মূল চ্যালেঞ্জ হচ্ছে অর্থায়ন। আর এসডিজিকে দেখতে হবে সুযোগ হিসেবে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজিবিষয়ক প্রধান সমন্বয়কারী আবুল কালাম আজাদ বলেন, এসডিজি অর্জনে বেসরকারি খাতের অংশীদারত্ব ৭০ শতাংশ, বাকি ৩০ শতাংশ সরকারি খাতের। উচিত হবে ব্যবসার খাতভিত্তিক টাস্কফোর্স গঠন এবং স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা।
বাংলাদেশ সফররত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মিসুহিরো ফুরুসাওয়ার উদ্ধৃতি দিয়ে আবুল কালাম আজাদ বলেন, এসডিজি অর্জনে মূল্য সংযোজন কর আইন কার্যকর এবং সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ ও সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের প্রতি জোর দিতে হবে।
পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য শামসুল আলম জানান, এসডিজির জন্য জাতিসংঘে এযাবৎ ৯০ লাখ মতামত এসেছে, আর এসডিজির সঙ্গে মিলিয়েই করা হয়েছে বাংলাদেশের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা। এসডিজি অর্জনে সরকার রেফারির ভূমিকায় থাকবে বলেও জানান তিনি।
একসময় বিশ্বব্যাংকের প্ররোচনায় দারিদ্র্য নিরসন কৌশলপত্র করা হয়েছিল এবং বাংলাদেশ বোকার মতো তা গ্রহণও করেছিল বলে সমালোচনা করেন শামসুল আলম।
মুক্ত আলোচনায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা জাফরুল্লাহ চৌধুরী মূলত কথা বলেন সুশাসন নিয়ে। পরিবহন ধর্মঘটের উদাহরণ দিয়ে বলেন, ‘গত রাতে এক হাসপাতাল থেকে বের হচ্ছিলাম। বারান্দায় দুজন শুয়ে আছেন। মির্জাপুর থেকে এসে তাঁরা ফিরতে পারছেন না। অথচ মন্ত্রী বললেন বাস অবসরে গেছে।’ ব্যবসায়ীরা যে ব্যবসা বাদ দিয়ে রাজনীতি করেন, সেটাও খুব ভালো কাজ নয় বলে মনে করেন তিনি।



সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট : 322        
   শেয়ার করুন
Share Button
   আপনার মতামত দিন
     কৃষি
এসডিজি অর্জনের চালক হবে কৃষি
.............................................................................................
মাগুরায় গমের ভালো ফলনের আশা কৃষি বিভাগের
.............................................................................................
চলনবিল অঞ্চলে রসুন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা দুই লাখ ৩২ হাজার টন
.............................................................................................
এবার ফুলকপি চাষিদের মুখে হাসি ফুটেছে
.............................................................................................
তারুণ্যের ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে কৃষি
.............................................................................................
হেমন্ত মৌসুমে সালথায় উফশি আমন ধানের বাম্পার ফলন
.............................................................................................
আন্তর্জাতিক কৃষি কনফারেন্স উদ্বোধন করলেন রাষ্ট্রপতি
.............................................................................................
চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাল্টা চাষে সাফল্য
.............................................................................................
কৃষিভিত্তিক শিল্প স্থাপনে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার
.............................................................................................
পশ্চিমের জেলাগুলোতে বাজার ঊর্ধ্বমুখী ধান চালের
.............................................................................................
টমেটো চাষীদের প্রশিক্ষণ দিল প্রাণ
.............................................................................................
১৩ হাজার হেক্টর জমির ফসল নষ্ট, চারা নিয়ে উদ্বিগ্ন কৃষক
.............................................................................................
ছয় মাস বেকার, ছয় মাস কৃষক
.............................................................................................
ভালোমানের সোনালী আঁশ ঘরে তুলতে যা করণীয়
.............................................................................................
মালটা চাষে সাফল্য
.............................................................................................
কৃষক সরকারিভাবে ধান বিক্রির সুফল পাচ্ছেন না
.............................................................................................
প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বদলাচ্ছে কৃষি
.............................................................................................
খাদ্য অধিকার বিল সংসদে উথাপনের দাবি
.............................................................................................
রাঙ্গামাটিতে আনারসের বাম্পার ফলন
.............................................................................................
কৃষক বাঁচাও
.............................................................................................
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার আমনা ধানের বাম্পার ফলন, কৃষকের মনে সংশয়
.............................................................................................
মৌসুমের শুরুতে শিমের বাজার চড়া থাকলেও এখন স্বাভাবিক- বেচাকেনার ধুম
.............................................................................................
এখন ভাত পেতে বেশি কষ্ট করতে হয় না, দেশ এখন স্বনির্ভরের পথে- কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী
.............................................................................................
সবজি চাষে বদলে যাচ্ছে খুলনাঞ্চলের কৃষকদের ভাগ্যের চিত্র
.............................................................................................
গ্রামের নারীরা পিছিয়ে পড়ার কারন জ্বালানি সংকট- কৃষিমন্ত্রী
.............................................................................................
ছাদে পালং শাক চাষ করুন
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: মো: হাবিবুর রহমান সিরাজ
আইন উপদেষ্টা : অ্যাড. কাজী নজিব উল্লাহ্ হিরু
সম্পাদক ও প্রকাশক : অ্যাডভোকেট মো: রাসেদ উদ্দিন
সহকারি সম্পাদক : বিশ্বজিৎ পাল
যুগ্ন সম্পাদক : মো: কামরুল হাসান রিপন
নির্বাহী সম্পাদক: মো: সিরাজুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : সাগর আহমেদ শাহীন

সম্পাদক কর্তৃক বি এস প্রিন্টিং প্রেস ৫২ / ২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, সূত্রাপুর ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৯৯ মতিঝিল , করিম চেম্বার ৭ম তলা , রুম নং-৭০২ , ঢাকা থেকে প্রকাশিত ।
মোবাইল: ০১৭২৬-৮৯৬২৮৯, ০১৬৮৪-২৯৪০৮০ Web: www.dailybishowmanchitra.com
Email: news@dailybishowmanchitra.com, rashedcprs@yahoo.com
    2015 @ All Right Reserved By dailybishowmanchitra.com

Developed By: Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD