|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   স্বাস্থ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
সালথার যুবক শাহাদাৎ শেখ এর করোনা জয়।

 
মোহাম্মদ সুমন, সালথা প্রতিনিধিঃ ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় প্রথম করোনা শনাক্ত হওয়া রোগী শাহাদাৎ শেখ করোনা কে জয় করে বাড়ি ফিরেছেন ।
জানা যায়, (২৮ মে), বৃহস্পতিবার ২০২০, দুপুর
২ টায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশন সেন্টার থেকে ছাড়পত্র দিয়ে তাকে বিদায় জানানো হয়। করোনা জয়ী শাহাদাৎ শেখ (২৩) হলেন-সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের জয়ঝাপ গ্রামের রফিক শেখ এর ছেলে।
এর আগে গত (১৯ মে), মঙ্গলবার ২০২০ নমুনা পরীক্ষার রিপোর্টে তার শরীরে করোনা পজিটিভ পাওয়া যায় এবং সালথা উপজেলাতে তিনি প্রথম করোনা আক্রান্ত হন। পড়ে সালথা উপজেলা প্রশাসন মোহাম্মদ হাসিব সরকারের উপস্থিতিতে সালথা থানা পুলিশের উদ্যোগে তার বাড়ি লকডাউন করা হয় এবং তাকে সালথা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটি অ্যাম্বুলেন্স যোগে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আইসোলেশন সেন্টারে চিকিৎসার পর তাকে দু’দফায় নমুনা পরীক্ষায় নেগেটিভ ফলাফল আসে। এরপর ২৮ মে, বৃহস্পতিবার ২০২০ তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শাহাদাৎ এই সংবাদকর্মীকে বলেন করোনা পজিটিভ হওয়ার খবর শোনার পর একটু ভয় পেয়েছিলাম। পরে আইসোলেশন সেন্টারে থাকার পর আমি সুস্থ্য হয়ে গেছি। ওখানে খুবই ভাল ছিলাম। কোনো অসু্িবধা হয়নি। সময়মত চিকিৎসা পেয়েছি।
এছাড়া সকলের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন আপনারা প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে বের হবেন না, সাবান দিয়ে বারবার হাত ধোবেন, মুখে মাস্ক ব্যবহার করবেন, সরকারি সকল নিয়ম মেনে চলবেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: এস এম ইফতেখার আজাদ সংবাদকর্মীকে বলেন, শাহাদাৎ এর দুইটি পরীক্ষায় নেগেটিভ এসেছে, এজন্য তাকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। এছাড়াও আগামী সাত দিন সে আগের মতই ঘরে থাকবে, কারো সাথে মিশবে না, মুখে মাস্ক ব্যবহার করবে স্বাভাবিক খাওয়া-দাওয়া করবে। তার জন্য দোয়া থাকবে ইনশাল্লাহ।
সালথা উপ‌জেলা নির্বাহী অ‌ফিসার মোহাম্মদ হা‌সিব সরকার ব‌লেন, শাহাদাৎ ও তার প‌রিবা‌রের জন্য শুভ কামনা রই‌লো। সবার প্র‌তি অনু‌রোধ থাক‌বে জরুরী প্র‌য়োজন ছাড়া বাই‌রে বের হ‌বেন না, বাই‌রে থে‌কে এ‌সে ২০ সে‌কে‌ন্ডের মত সময় নি‌য়ে হাত ধু‌য়ে নিন। প‌রি‌ধেয় জামা কাপর আলাদা ক‌রে রে‌খে ধু‌য়ে তারপর ব্যবহার করুন। বাই‌রে বের হ‌লে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করুন। ক‌রোনা ভাইরাস মোকা‌বেলায় সকল স্বাস্থ্য‌বি‌ধি মে‌নে চলুন।
সালথার যুবক শাহাদাৎ শেখ এর করোনা জয়।
                                  
 
মোহাম্মদ সুমন, সালথা প্রতিনিধিঃ ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় প্রথম করোনা শনাক্ত হওয়া রোগী শাহাদাৎ শেখ করোনা কে জয় করে বাড়ি ফিরেছেন ।
জানা যায়, (২৮ মে), বৃহস্পতিবার ২০২০, দুপুর
২ টায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশন সেন্টার থেকে ছাড়পত্র দিয়ে তাকে বিদায় জানানো হয়। করোনা জয়ী শাহাদাৎ শেখ (২৩) হলেন-সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের জয়ঝাপ গ্রামের রফিক শেখ এর ছেলে।
এর আগে গত (১৯ মে), মঙ্গলবার ২০২০ নমুনা পরীক্ষার রিপোর্টে তার শরীরে করোনা পজিটিভ পাওয়া যায় এবং সালথা উপজেলাতে তিনি প্রথম করোনা আক্রান্ত হন। পড়ে সালথা উপজেলা প্রশাসন মোহাম্মদ হাসিব সরকারের উপস্থিতিতে সালথা থানা পুলিশের উদ্যোগে তার বাড়ি লকডাউন করা হয় এবং তাকে সালথা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটি অ্যাম্বুলেন্স যোগে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আইসোলেশন সেন্টারে চিকিৎসার পর তাকে দু’দফায় নমুনা পরীক্ষায় নেগেটিভ ফলাফল আসে। এরপর ২৮ মে, বৃহস্পতিবার ২০২০ তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শাহাদাৎ এই সংবাদকর্মীকে বলেন করোনা পজিটিভ হওয়ার খবর শোনার পর একটু ভয় পেয়েছিলাম। পরে আইসোলেশন সেন্টারে থাকার পর আমি সুস্থ্য হয়ে গেছি। ওখানে খুবই ভাল ছিলাম। কোনো অসু্িবধা হয়নি। সময়মত চিকিৎসা পেয়েছি।
এছাড়া সকলের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন আপনারা প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে বের হবেন না, সাবান দিয়ে বারবার হাত ধোবেন, মুখে মাস্ক ব্যবহার করবেন, সরকারি সকল নিয়ম মেনে চলবেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: এস এম ইফতেখার আজাদ সংবাদকর্মীকে বলেন, শাহাদাৎ এর দুইটি পরীক্ষায় নেগেটিভ এসেছে, এজন্য তাকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। এছাড়াও আগামী সাত দিন সে আগের মতই ঘরে থাকবে, কারো সাথে মিশবে না, মুখে মাস্ক ব্যবহার করবে স্বাভাবিক খাওয়া-দাওয়া করবে। তার জন্য দোয়া থাকবে ইনশাল্লাহ।
সালথা উপ‌জেলা নির্বাহী অ‌ফিসার মোহাম্মদ হা‌সিব সরকার ব‌লেন, শাহাদাৎ ও তার প‌রিবা‌রের জন্য শুভ কামনা রই‌লো। সবার প্র‌তি অনু‌রোধ থাক‌বে জরুরী প্র‌য়োজন ছাড়া বাই‌রে বের হ‌বেন না, বাই‌রে থে‌কে এ‌সে ২০ সে‌কে‌ন্ডের মত সময় নি‌য়ে হাত ধু‌য়ে নিন। প‌রি‌ধেয় জামা কাপর আলাদা ক‌রে রে‌খে ধু‌য়ে তারপর ব্যবহার করুন। বাই‌রে বের হ‌লে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করুন। ক‌রোনা ভাইরাস মোকা‌বেলায় সকল স্বাস্থ্য‌বি‌ধি মে‌নে চলুন।
বেশিক্ষণ মাস্ক পরলে বিষাক্ত গ্যাস ঢুকতে পারে শরীরে
                                  

এক নাগাড়ে অনেকক্ষণ ফেস মাস্ক (মুখোশ) ব্যবহারে শরীরে প্রবেশ করতে পারে কার্বন-ডাই অক্সাইডের মতো বিষাক্ত গ্যাস। তাছাড়া দীর্ঘ সময় ব্যবহারে এই মাস্কই হতে পারে জীবাণু সংক্রমণের আধার। দীর্ঘক্ষণ ব্যবহারে মাস্ক আর্দ্র হয়ে গেলে সেখানে অন্যান্য কিছু জীবাণু জন্ম নিয়ে তা শ্বাস নেয়ার সময় ভেতরে চলে যায়। এতে ব্যবহারকারী নতুন সংক্রমণের শিকার হতে পারেন। এ ছাড়া দুর্গন্ধও হতে পারে। সেজন্য জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেশিক্ষণ মাস্ক না পরে বিরতি নিয়ে সতেজ বায়ু গ্রহণ করে আবার ব্যবহার করা উচিত। এ ছাড়া একই মাস্ক বারবার পরা উচিত নয়। কোনো উপায়ন্তর না থাকলে সাবান-পানি দিয়ে উত্তম রূপে ধুয়ে রোদে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।

তিনি জানান, অনেকক্ষণ মাস্ক ব্যবহার করলে মানুষ স্বাভাবিক বায়ু নাক দিয়ে টেনে নিতে পারে না। শ্বাসটাও মাস্কের ভেতর দিয়ে নিতে হয়, আবার মাস্কের একই স্থানে নিঃশ্বাস ছাড়তে হয়। ফলে এক সময় কার্বন-ডাই অক্সাইড মাস্কের মধ্যে জমা হতে থাকে। কারণ কার্বন-ডাই অক্সাইড অপেক্ষাকৃত ভারী গ্যাস। এটি সরাতে না পারলে শ্বাসের সাথে মাস্ক ব্যবহারকারী শরীরে কার্বন-ডাই অক্সাইড নিয়ে নেয় অক্সিজেনের সাথে। দেহের ভেতর বেশি পরিমাণে কার্বন-ডাই অক্সাইড গেলে মাথা ঘোরাতে পারে, মাস্ক ব্যবহারকারী হতবিহ্বল অবস্থায় পড়তে পারেন। অনেক সময় বোধশূন্যও হয়ে যেতে পারেন কিংবা অবসাদগ্রস্ততা দেখা দিতে পারে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা গেলে শরীরের মধ্যে গ্লুকোজ ভেঙে যেতে পারে এবং বেড়ে যেতে পারে বিপজ্জনক ল্যাকটিক অ্যাসিডের। মাস্ক পরা অবস্থায় গাড়ি চালালে পরিমাণ মতো অক্সিজেনের অভাবে ড্রাইভার সাময়িক অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে এবং দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখবে যেসব খাবার
                                  

শরীরে অগ্ন্যাশয় যদি যথার্থ ইনসুলিন তৈরি করতে না পারে অথবা শরীরে ইনসুলিনের সঠিক কাজ ব্যাহত হয় তাহলে সেটাকে ডায়াবেটিস বলা হয়। এ রোগে আক্রান্ত রোগীদের ঘন ঘন প্রস্রাব হয়; অধিক তৃষ্ণার্ত অনুভব করে এবং বার বার মুখ শুকিয়ে যায়। আক্রান্তরা অতিশয় দুর্বলতা, সার্বক্ষণিক ক্ষুধা, স্বল্প সময়ে দেহের ওজন হ্রাস, চোখে ঝাপসা দেখাসহ নানান সমস্যায় ভোগে।

ডায়াবেটিস নির্দিষ্ট মাত্রার বাইরে গেলে তা শরীরের ভয়াবহ ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণে রাখাই সর্বোত্তম পস্থা। এ জন্য প্রয়োজন কঠোর নিয়মানুবর্তিতা। এর পাশাপাশি কিছু খাবারও ডায়াবেটিস রোগীকে সুস্থ থাকতে সহায়তা করে। নিচে ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সহায়ক কয়েকটি খাবার নিয়ে আলোচনা করা হলো :

সবুজ চা : সবুজ চা মানুষের শরীরে ইনসুলিনের মতো কাজ করে; ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সাহায্য করে এটি।

ওয়াইল্ড স্যামন : ডায়াবেটিস আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য অন্যতম একটি ঔষধি খাদ্য ওয়াইল্ড স্যামন। এতে উচ্চ মাত্রায় ওমেগা-৩ রয়েছে। ফ্যাটি অ্যাসিডের একটি বড় উৎস এটি। ডায়াবেটিস রোগের পাশাপাশি কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকিও কমায় ওয়াইল্ড স্যামন।

মাছ : গবেষণায় দেখা যায়, মাছের ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ইনসুলিনের সংবেদনশীলতাকে উন্নত করতে সাহায্য করে। এটি গ্লুকোজের ঘনত্ব কমিয়ে ডায়াবেটিস রোগের ঝুঁকি হ্রাসে সহায়তা করে। এতে চর্বিহীন প্রোটিন রয়েছে।

টক দই : টক দই একটি স্বাস্থ্যকর খাদ্য। এতে চিনির পরিমাণ খুব কম। এটি রক্তে চিনির পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। দুপুরের খাবারের সঙ্গে বা বিকেলের নাস্তায় স্যান্ডউইচের সঙ্গে টক দই খাওয়া যায়। এটি ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সাহায্য করে।

ডিমের সাদা অংশ : ডিম পেশি গঠনকারী খাদ্য। এতে উচ্চ মানের প্রোটিন রয়েছে। ডিমের সাদা অংশে উচ্চ মানের চর্বিহীন প্রোটিন এবং কম মাত্রায় কার্বোহাইড্রেট রয়েছে যা ২ ধরণের ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সাহায্য করে।

লেবু : লেবু ও লেবু জাতীয় ফল ডায়াবেটিস প্রতিরোধে কাজ করে। গবেষণায় দেখা গেছে, শরীরে ভিটামিন সি এর অভাবে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি রয়েছে। তবে লেবু জাতীয় ফল খেলে ভিটামিন সি এর অভাব পূরণ হয়। জাম্বুরা, কমলা, লেবু এবং লাইমস ডায়েবেটিস নিয়ন্ত্রণে ইনসুলিনের মতো কাজ করে।

সবুজ শাকসবজি : সবুজশাক সবজি ২ ধরনের ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কমায়। পালং শাক, পাতা কপি, শালগম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, লেটুস পাতা ইত্যাদি খাবারে ক্যালরি এবং কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ কম। গবেষণায় বলা হয়, সবুজ শাক সবজি খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ১৪ শতাংশ পর্যন্ত কমে।

শস্য দানা : প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় শস্য দানা মানুষের শরীরের রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। ফলে ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা কমে। আবার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে শস্য দানা।

বাদাম : গবেষণায় দেখা গেছে, ডায়াবেটিসের ঝুকি প্রায় ২১ শতাংশ পর্যন্ত কমায় চীনাবাদাম। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ১ আউন্স আখরোট বা কাজুবাদাম ডায়াবেটিস প্রতিরোধে বিস্ময়করভাবে কাজ করে। নিয়মিত বাদাম খেলে হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে।

মটরশুটি : ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি খাদ্য মটরশুটি। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন ১ কাপ মটরশুটি খেলে ২ ধরনের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে। এতে উচ্চমাত্রায় শর্করা, চর্বিহীন প্রোটিন এবং আঁশ রয়েছে। এটি শরীরের রক্তে চিনি কমাতে সাহায্য করে; হৃদরোগের সম্ভাবনাও কমায়।

ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে ফুলকপি
                                  

ফুলকপি একটি শীতকালিন সবজি। ভিটামিন, মিনারেল, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইটকেমিকেলসহ বিভিন্ন পুষ্টিকর উপাদানে ভরপুর এই সবজিটি।

জেনে নিন ফুলকপির বিভিন্ন উপকারিতা;

ক্যান্সার প্রতিরোধক
ফুলকপিতে আছে এমন কিছু উপাদান যা ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। ফুলকপির সালফোরাফেন ক্যান্সারের স্টেম সেল ধ্বংস করতে সাহায্য করে এবং বিভিন্ন ধরনের টিউমারের বৃদ্ধি প্রতিহত করে।

হৃদযন্ত্র ভালো রাখে

হৃদপিণ্ড ভালো রাখতে ফুলকপি বেশ সহায়ক। এর সালফোরাফেন উপাদান রক্ত চাপ কমায় এবং কিডনি ভালো রাখে। তাছাড়া ধমনীর ভিতরে প্রদাহ রোধ করতেও সাহায্য করে ফুলকপি।

মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভালো রাখে
ফুলকপিতে আছে কলিন (এটি ভিটামিন বি কমপ্লেক্স সমৃদ্ধ এক ধরনের পানিজাতীয় পুষ্টি উপাদান) ও ভিটামিন-বি, যা মস্তিষ্কের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কলিন মস্তিষ্কের কগনিটিভ প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে। অর্থাৎ এতে স্মৃতিশক্তি বাড়ে ও দ্রুত শিখতে সাহায্য করে।  

হজমে সহায়ক
ফুলকপিতে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও সালফার-জাতীয় উপাদান। যা খাবার হজম প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে। তাছাড়া ফুলকপির ফাইবার খাবার হজম হতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

যেসব রোগ প্রতিরোধে ম্যাজিকের মতো কাজ করে টমেটো
                                  

টমেটো, একটি শীতকালীন সবজি। পুষ্টিগুণে ভরপুর টমেটো সারা বছরই পাওয়া যায়। তবে শীতকালে এর দাম কম থাকে।

ভিটামিন ও খনিজ সমৃদ্ধ এই টমেটো এমন এক ধরনের সবজি, যা মানুষের শরীরে বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে ম্যাজিকের মতো কাজ করে। আসুন জেনে নিই টমেটোর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে-

১. টমেটোতে প্রচুর পরিমাণে আমিষ, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন-এ এবং ভিটামিন-সি রয়েছে। টমেটোতে লাইকোপেন নামে বিশেষ উপাদান রয়েছে, যা ফুসফুস, পাকস্থলী, অগ্ন্যাশয়, কোলন, স্তন, মূত্রাশয়, প্রোস্টেট ইত্যাদি অঙ্গের ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করতে পারে।

২. এটি সবজি হলেও টমেটোর মধ্যে ফলের সমুদয় গুণ বিদ্যমান। তাই এটি রান্না না করেও খাওয়া যায়।

৩. এতে  সোডিয়ামের পরিমাণ কম থাকায় স্বাস্থ্যকর রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। টমেটোতে থাকা পটাশিয়াম ধমনিকে সম্প্রসারিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

৪. টমেটোতে রয়েছে আঁশ, পটাশিয়াম, ভিটামিন সি এবং কলিন নামক গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান। এসবই হার্টের স্বাস্থ্যর জন্য উপকারী।

৫. এতে থাকা উচ্চমাত্রায় পটাশিয়াম হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমায়, হাড়ে খনিজ উপাদান সংরক্ষণে রাখে এবং কিডনিতে পাথর জমতে দেয় না।

৬. গবেষণায় দেখা গেছে, টাইপ ১ ডায়াবেটিসে আক্রান্তরা আঁশসমৃদ্ধ সবজি খেলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। এক কাপ চেরি টমেটোতে ২ গ্রাম আঁশ পাওয়া যায়।
 
৭. টমেটোতে উচ্চমাত্রায় পানি এবং আঁশ রয়েছে। এটি শরীরকে আর্দ্র রাখতে সহায়তা করে এবং হজমে সহায়ক।

৮. টমেটো লাইকোপেন, লুটেইন এবং বেটা ক্যারোটিনের ভালো উৎস। এগুলো শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা চোখের স্বাস্থ্য ঠিক রাখে।

৯. নিয়মিত টমেটো খেলে ত্বকে বলিরেখা পড়তে দেয় না, ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। সর্বোপরি ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

নিজের ফ্ল্যাট বিক্রি করে দিয়েছেন এন্ড্রু কিশোর
                                  

প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী এন্ড্রু কিশোরের পাশে দাঁড়িয়েছেন অনেকেই। ক্যান্সারে আক্রান্ত এই শিল্পীর চিকিৎসার জন্য প্রায় দুই কোটি টাকা প্রয়োজন। এজন্য ফান্ড গঠনের কাজ চলছে। জানা যায়, এ পর্যন্ত সংগ্রহ হয়েছে ৫০ লাখ টাকা। এন্ড্রু কিশোরের চিকিৎসায় সহযোগিতা করেছেন ফরিদুর রেজা সাগর, সৈয়দ আব্দুল হাদী, হানিফ সংকেত, সাবিনা ইয়াসমীন, কুমার বিশ্বজিৎ, তপন চৌধুরী, জেমস, অনন্ত জলিল, মমতাজ বেগম, মেয়র আতিকুল ইসলাম, বাদল রায়, দিলারা আলো, কবির বকুল, দিনাত জাহান মুন্নি, চন্দন সিনহা, পলাশ সাজ্জাদ, দিঠি আনোয়ার, জলের গান প্রমুখ। এছাতড়া সাউন্ডটেক, অনুপম রেকর্ডিং মিডিয়া, ক্রিশ্চিয়ান হাউজিং সোসাইটিসহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এগিয়ে এসেছে। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিল্পীর চিকিৎসা সহায়তার জন্য ১০ লাখ টাকা দিয়েছেন। এদিকে চিকিৎসা ব্যয় চালানোর জন্য এন্ড্রু কিশোর রাজশহী শহরে তার নিজের ফ্ল্যাট বিক্রি করেছেন বলে জানা গেছে। জানা যায়, অ্যান্ড্রু কিশোর তার চিকিৎসার জন্য কারো কাছে হাত পাততে চাননি। নিজের জমানো টাকা দিয়ে চিকিৎসা শুরু করেন। শেষ পর্যন্ত কুলিয়ে উঠতে না পেরে ফ্ল্যাটটি বিক্রি করে দেন। ফ্ল্যাটটি ৩০ লাখ টাকায় বিক্রি করেছেন বলে জানা যায়। এন্ড্রু কিশোর বর্তমানে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অসুস্থ অবস্থায় গত ৯ সেপ্টেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে যান। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর গত ১৮ সেপ্টেম্বর তার শরীরে ক্যান্সার ধরা পড়ে। এ পর্যন্ত তার তিনটি সাইকেলে ১২টি কেমোথেরাপি স¤পন্ন হয়েছে এবং গত ২৬ নভেম্বর থেকে কেমোথেরাপির পরবর্তী সাইকেল শুরু হয়েছে। আরও ৩টি সাইকেলে ১২টি কেমোথেরাপি দেয়া হবে। যে কেমোথেরাপি দেয়া হচ্ছে এর প্রতিটির মূল্য প্রায় ৯ লাখ টাকা। এ চিকিৎসা আরও প্রায় আড়াই থেকে তিন মাস চলবে। এরই মধ্যে চিকিৎসায় এক কোটিরও বেশি টাকা খরচ করেছে তার পরিবার।

যেসব রোগে ম্যাজিকের মতো কাজ করে নিমপাতা
                                  
 

নিমপাতার গুণাগুণ সম্পর্কে নানা লোকের নানা মত রয়েছে। কিন্তু বাড়ির পাশেই যদি নিমগাছ থাকে তাহলে আপনি খুবই সৌভাগ্যবান। কারণ বেশ কয়েকটি উপকারে লাগতে পারে এই নিমপাতা। সেগুলো কী জেনে নিন-

• কেটে বা ছিড়ে গেলে বা পোকার কামড় খেলে ক্ষতস্থানে নিমপাতা বাটা লাগিয়ে নিন। ইনফেকশন হবে না। ক্ষত তাড়াতাড়ি শুকোবে।

• খুশকির সমস্যা থাকলে নিমপাতা পানিতে সিদ্ধ করুন। পানির রং সবুজ হলে নামিয়ে ঠাণ্ডা করুন। শ্যাম্পু করার পর ওই পানি দিয়ে চুল ধুয়ে নিন।

• চোখ জ্বালা করলে বা চোখ লাল হয়ে গেলে নিমপাতা পানিতে সিদ্ধ করুন। পানি ঠাণ্ডা হলে তা দিয়ে চোখ ধুলে উপকার পাবেন।

• ব্রণ বা মুখে কালো ছাপ থাকলে নিমপাতা বাটা লাগিয়ে নিন।

• মধুর মধ্যে নিম পাতার রস মেশান। কানের ভিতর ইনফেকশন হলে বা কানের ভিতরে চুলকানি হলে এই মিশ্রণের দু-চার ফোঁটা কানের ভিতরে লাগান।

• ত্বকে বিভিন্ন ধরনের রোগ হয়। কাঁচা হলুদ বাটার সঙ্গে নিমপাতা বাটা মিশিয়ে ব্যবহার করুন।

• নিমপাতা কুচি করে এক গ্লাস পানির সঙ্গে মিশিয়ে খান। এতে শরীরে রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা বাড়বে।

• দাঁতে সমস্যা হলে বা মুখে দুর্গন্ধ হলে নিম ডাল দিয়ে দাঁত মাজুন।

• ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও নিমপাতা খুব উপকারী। নিয়ম করে নিমপাতা খান।

• পেটের সমস্যা হলেও নিমপাতা খেলে উপকার পাবেন।

পাকা আম বেশি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর
                                  

অনলাইন ডেস্ক : আমকে বলা হয় ফলের রাজা। আম খেতে যেমন সুস্বাদু ও রসালো তেমনি পুষ্টিগুণের দিক থেকেও অতুলনীয়। পাকা আমে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি, ভিটামিন বি, থায়ামিন, রিবোফ্লাভিন, ভিটামিন এ বা বিটা ক্যারোটিন। পাশাপাশি আম একটি উচ্চ মাত্রার চিনি, কার্বোহাইড্রেট ও গ্লাইসেমিক সমৃদ্ধ ফল। তাছাড়া পাকা আমে ফিনোলিকস জাতীয় উপাদান থাকার কারণে এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভালো উৎস। 

 
কিন্তু চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, পাকা আম খাওয়া ভালো তবে খুব বেশি খাওয়া ঠিক নয়। পাকা আমে চিনির পরিমাণ বেশি থাকায় এটি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ফলে যাদের ডায়াবেটিস আছে অথবা হবার সম্ভাবনা আছে তাদের জন্য আম খাওয়া শরীরের জন্য ক্ষতিকর। মাঝারি মাপের একটি পাকা আমে ৩ গ্রাম ফাইবার থাকে। 
 
তাই কেউ যদি পরপর বেশ কয়েকটি আম খেয়ে ফেলেন তবে ডায়রিয়া হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কাঁচা আম পাকাতে অনেক সময় কার্বাইড নামক রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা হয় যা আমের খোসায় রয়ে যায়। এটি অনেক সময় অ্যালার্জির কারণও হতে পারে। যাদের অ্যাজমার সমস্যা ও কিডনির সমস্যা রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে আম কম খেতে হবে। এছাড়া আমে শর্করার হার বেশি থাকে যা শরীরের ওজন বৃদ্ধি করে।
 
তাই আম খাওয়ার আগে অবশ্যই এর ক্ষতিকর দিক চিন্তা করে পরিমাণমত খাওয়াই সবচেয়ে ভালো।
গরমে ভালো থাকবেন কীভাবে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : যেকোনো সময় থেকে সুস্থ থাকার জীবনযাপন পদ্ধতি অনুসরণ করা যায়। গরমে সুস্থ থাকাটা জরুরি। এ সময় যাতে শরীরের তাপমাত্রা ঠিক থাকে ও পানিশূন্যতা না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এ জন্য সুষম খাবারের পাশাপাশি ফল ও সবজির দিকে মনোযোগ বেশি দিতে হবে। শসা, তরমুজ, জাম—এসব শরীরে শক্তি জোগাবে। এ ধরনের খাবার খেলে শরীরে ওজন ঠিক থাকবে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে।

গরমে সুস্থ থাকার কিছু পরামর্শ:

১. ভাজাপোড়া খাবার খাওয়া কমিয়ে দিন। বিশেষ করে সমুচা, চিপস, ভাজি, চপের মতো খাবার এড়াতে হবে। এসব খাবারে তেল বেশি থাকে, যা হজমশক্তি কমায়।
২. ক্যাফেইন বা কার্বোনেটযুক্ত কোমল পানীয়, অ্যালকোহলযুক্ত পানীয় এড়িয়ে যান। যেসব পানীয় চিনিতে ভরা, তা বেশি খেলে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয়।
৩. সারাক্ষণ ঘরে বসে না থেকে একটু বাইরে ঘুরে আসুন। হাঁটুন, জগিং করুন বা একটু দৌড়ান। সাঁতার কাটুন, সাইকেলও চালাতে পারেন। পরিবারের অন্য সদস্য, বিশেষ করে শিশুদের সঙ্গে নিয়ে বাইরে একটু ঘুরে এলে শরীর ভালো বোধ হবে।
৪. ওজন কমানোর পাশাপাশি সুস্থ থাকতে বাইক চালাতে পারেন। গবেষকেরা বলেন, হৃদরোগসহ নানা রোগ প্রতিরোধে সাইকেল চালানো কার্যকর ভূমিকা রাখে।
৫. যতটা সম্ভব মানসিক চাপমুক্ত থাকুন। কিছুটা বাইরে ঘুরে এসে মানসিক চাপ বা উদ্বেগ কাটিয়ে ঝরঝরে হন।
৬. ঘুমানোর সময় ঠিক করে ঘুমাতে যান। সকালে ওঠার সময় ঠিক করে রাখুন। ঘুম যাতে পর্যাপ্ত হয়, তা নিশ্চিত করুন। বেশি দেরি করে ঘুম থেকে উঠবেন না। ঘুমাতে যাওয়ার আগে অ্যালকোহল পান করবেন না।
৭. উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবারের বদলে স্বল্প মাত্রার প্রোটিন খান।
৮. কারও যদি শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা হয়, দুর্বলতা দেখা দেয় ও মাথা ঝিমঝিম করে, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
৯. গরমের দিনে খাবারে সামান্য হেরফের হলেই পেটব্যথা হয়, পেট কামড়ায়, হজমে গোলমাল দেখা দেয়। বাইরের খাবার খাওয়ার আগে সচেতন থাকুন।
১০. গরমে আর ক্লান্তিতে বাইরের খোলা খাবার খাওয়া ও পানীয় পানের হার বেড়ে যায়। তার ওপর গরমে সহজেই খাদ্যদ্রব্য দূষিত হয়। বাড়ে মাছি ও পোকামাকড়ের উৎপত, যা রোগবালাই ছড়াতে সাহায্য করে। এসবের ফলে বাড়ে পানি ও খাবারবাহিত রোগের প্রকোপ। এর মধ্যে একটি বড় সমস্যা হলো জন্ডিস। জন্ডিস থেকে বাঁচতে, বিশেষ করে রাস্তার খোলা খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন।

ইফতার ও সেহরির সময় আহারের নিয়ম
                                  
অনলাইন ডেস্ক : পবিত্র রমজানে ইফতার ও রাতের খাবার অনেক ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যকর হয় না। যারা ইফতারির সময় নানা আইটেমের সঙ্গে ভাত, বিরিয়ানি, মাংস, পরোটা ইত্যাদি রাখেন তাদের ইফতার ও রাতের খাবার একসঙ্গে হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে আর আলাদা করে রাতের খাবার বা ডিনারের প্রয়োজন নেই। একেবারে সেহরির খাবার আহার করলেই চলে। তবে যারা রাতে তারাবি পড়ে ডিনার বা রাতের খাবার খেতে চান তাদের ইফতারির জন্য হালকা খাবার খাওয়া ভালো।
 
মনে রাখতে হবে খাবার গ্রহণের পর ৪ থেকে ৬ ঘণ্টা সময় লাগে সম্পূর্ণ হজম ও শরীরে শোষণের জন্য। যদি ইফতারি ও রাতের ডিনার আলাদা করে করেন তবে অবশ্যই রাতের খাবার রাত ১০টার মধ্যে সেরে নিতে হবে। তা নাহলে সেহরির খাবারের সময় সমস্যা হতে পারে। সমস্যা হতে পারে ডাইজেশনের। আর রাতের খাবার ও সেহেরির সময় এমনভাবে আহার করবেন যাতে আহারের দু’ভাগ খাবার এবং একভাগ পানি থাকে। এটা ইসলামিকভাবেও স্বাস্থ্যকর এবং মহানবী (স)-এর সুন্নত। বিশেষজ্ঞগণও দেখেছেন আহারের সময় যথেষ্ট পানি পান স্বাস্থ্যকর।
লাল মাংস ভোজীদের জন্য
                                  
অনলাইন ডেস্ক : রেডমিট বা লাল মাংস ভোজীদের জন্য রীতিমত দু:সংবাদ দিয়েছেন হারভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি বিভাগের বিশেষজ্ঞ ড. ওয়াল্টার উইলেট। এক গবেষণা প্রতিবেদনে তিনি উল্লেখ করেন কোন ধরণের রেডমিট আপনার জীবন থেকে কেড়ে নিতে পারে কয়েকটি সোনালী বছর। 
 
গবেষকগণ দেখেছেন, দৈনিক শুধু একবার যারা লাল মাংস আহার করেন তাদের হৃদরোগে মৃত্যু ঝুঁকি ১৬ ভাগ বেশি এবং ক্যান্সারে মৃত্যু ঝুঁকি স্বাভাবিকের চেয়ে ১০ ভাগ বেশি। 
 
গবেষণায় আরও বলা হয়, রেডমিট প্রেমীদের সামগ্রিকভাবে অকাল মৃত্যুর হার শতকরা ১২ ভাগ বেশি। আর মৃত্যু ঝুঁকি প্রক্রিয়াজাত রেডমিটে আরও বেশি। 
 
ড. উইলেট গবেষণায় আরও উল্লেখ করেছেন, যারা নিয়মিত রেডমিট আহার করেন তাদের মধ্যে ধূমপান, মদ্যপানসহ নানা অভ্যাস গড়ে উঠে। এতে হৃদরোগ ও ক্যান্সারের ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। ড. ওয়াল্টার উইলেট-এর গবেষণা তথ্যটি আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় যথেষ্ট গুরুত্ব সহকারে প্রকাশ পেয়েছে। শিকাগো সান টাইমস এর প্রতিবেদক ন্যান্সি হেলমিক তার ‘রেডমিট লিংকড টু প্রিম্যাসিউর ডেথ’ শিরনামের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন অপ্রক্রিয়াজাত মাংস যেমন: হ্যামবার্গ, পর্ক, বিফ, ল্যাম্ব এবং প্রক্রিয়াজাত মাংস বেকন, হটডগস ইত্যাদি বেশি আহারে অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি বেশি। এসব খাবারের পরিবর্তে মাছ, পোল্ট্রি, বাদাম এবং সিম জাতীয় সবজি খাওয়া ভালো। এছাড়া রেডমিট ভোজীদের ডায়াবেটিস ও কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকির কথাও বলা হয়। 
 
গবেষণার প্রধান অথার হারভার্ড পাবলিক স্কুলের গবেষক অ্যানপ্যান মনে করেন, মাংসভোজীরা যদি তাদের খাদ্য তালিকায় লাল মাংসের পরিবর্তে মাত্র সপ্তাহে এক বেলা মাছ অন্তর্ভূক্ত করেন তবে অকাল মৃত্যুর হার ৭ ভাগ কমতে পারে। প্রক্রিয়াজাত মাংসের ক্ষেত্রে হৃদরোগ, ক্যান্সার ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি সম্পর্কে অ্যানপ্যান মনে করেন এতে সোডিয়াম ও নাইট্রেটের কারণে অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি বেড়ে যায়। 
 
তবে তিনি এটাও বলেন, লাল মাংস আহারেই যে অকাল মৃত্যু ঘটবে এর যথেষ্ট প্রমাণ ও তথ্যাদি তারা পাননি। তবে ঝুঁকি বাড়ে এটা যথাযথ। তবে আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির বিশেষজ্ঞ মিস মার্জি ম্যাককুলাউ মনে করেন লাল মাংস আহার হৃদরোগ ও ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে এবং এমন কোনো ম্যাজিক পরামর্শ নেই যে, আপনি নিরাপদে লাল মাংস আহার করতে পারেন। লাল মাংস প্রেমীদের হতাশ না করে তিনি উল্লেখ করেন সপ্তাহে একদিন পরিমাণ মত লাল মাংস খাওয়া যেতে পারে। এতে বড় ধরণের বিপদের কিছু নেই।
অন্তঃসত্ত্বা মায়ের হৃদ্‌রোগ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : নতুন মা হতে যাচ্ছেন, এমন নারীরা কি নিজের হৃৎস্বাস্থ্য সম্পর্কে জানেন? গর্ভধারণকালীন বা সন্তান প্রসবের সময় অনেক নারীই কিন্তু হৃদ্‌রোগজনিত জটিলতায় আক্রান্ত হন। অনেকের করুণ মৃত্যুও ঘটে।

গর্ভকালীন সময়ে একজন নারীর হৃদ্‌যন্ত্রকে আগের তুলনায় মিনিটে ৪০ শতাংশ বেশি রক্ত পাম্প করতে হয়। রক্তের আয়তনও যায় বেড়ে। এমনকি রক্তচাপেও তারতম্য ঘটে। এসবই স্বাভাবিক। নারীর শরীরের সঙ্গে মানিয়ে যায়। কিন্তু যাঁদের লুক্কায়িত কোনো হৃদ্‌রোগ আছে (যেমন জন্মগত ভালব ত্রুটি), বা ছোটবেলায় বাতজ্বরের ইতিহাস, কিংবা আগে থেকে উচ্চ রক্তচাপ ছিল —তাঁদের জন্য সন্তানধারণ বাড়তি ঝুঁকি ডেকে আনে বৈকি। তাঁদের জন্য চাই বাড়তি সচেতনতা।

যাঁদের ছেলেবেলায় বাতজ্বর বা বাতজ্বরজনিত হৃদ্‌রোগ হয়েছিল বা জন্মগত বা বংশগত হৃদ্‌রোগের ইতিহাস আছে, তাঁরা অবশ্যই গর্ভধারণের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নিশ্চিত হবেন ঝুঁকি কতটুকু।

কিছু জন্মগত হৃদ্‌রোগ বা ত্রুটির চিকিৎসা করে সারিয়ে নিয়ে বা শল্য চিকিৎসা করার পর গর্ভধারণের পরামর্শ দেওয়া হয়। সে ক্ষেত্রে চিকিৎসার পর নিরাপদ মাতৃত্ব সম্ভব।

উচ্চ রক্তচাপ অনেকেরই থাকে। হয়তো ওষুধও খাচ্ছেন। কিন্তু সন্তান ধারণের আগে এই ওষুধ নিরাপদ কি না, ওষুধ পাল্টাতে হবে কি না বা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আছে কি না, সে বিষয়ে পরামর্শ নিন।

আগে সম্পূর্ণ সুস্থ ছিলেন এমন নারীরও গর্ভধারণের পর নানা সমস্যা হতে পারে। ৮ শতাংশ নারীর ২০ সপ্তাহের পর উচ্চরক্তচাপ দেখা দিতে পারে। গর্ভকালীন উচ্চ রক্তচাপ, পা ফোলা, খিঁচুনিসহ নানা ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেয়। এ সময় নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা করা ও প্রয়োজনে চিকিৎসা নেওয়া দরকার।

গর্ভকালীন শেষ তিন মাস ও প্রসবের পর পাঁচ মাস পর্যন্ত হৃদ্‌যন্ত্র বড় হয়ে হার্ট ফেইলিউর হতে পারে। এতে শ্বাসকষ্ট, বিশেষ করে শ্বাসকষ্টের জন্য শুতে না পারা, পায়ে–মুখে পানি আসাজাতীয় লক্ষণ দেখা দেয়। এ ধরনের সমস্যায় দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন। এ সময় অনিয়মিত হৃৎস্পন্দনের সমস্যাও দেখা দিতে পারে। থাইরয়েডের সমস্যা, ডায়াবেটিস রোগ থাকলে ঝুঁকি বেশি।

এখন কী খাব, কী খাব না
                                  

অনলাইন ডেস্ক : হঠাৎ বৃষ্টি। বৈশাখের এ ঝোড়ো বৃষ্টিতে খরতাপ যেন কিছুটা বিদায় নিয়েছে। বেড়েছে আর্দ্রতা। গরম কমায় স্বস্তি ফিরেছে। এমন আবহাওয়ায় অনেকের খাওয়ায় রুচি বাড়ে। চা-শিঙাড়া, মুড়ি-চানাচুর নিয়ে আড্ডা জমে বেশ। ঘরে খিচুড়ি-মাংস কিংবা কয়েক পদের মুচমুচে খাবার মুখের স্বাদ বাড়িয়ে দেয় আরও। হঠাৎ বৃষ্টির এ আবহাওয়ায় যা খেতে পারেন:

বাড়তি সবজি খান: বিশেষজ্ঞরা বলেন, বিভিন্ন রঙের সবজি ও ফল শরীর ও ত্বকের ওপর প্রভাব ফেলে। এমন আবহাওয়ায় শরীর ঠিক রাখতে সবুজ শাকসবজি খাওয়া ভালো। এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে রান্নার আগে শাকসবজি অবশ্যই ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। কারণ, এ সময় ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণু বেশি থাকে।

যা খাবেন না: এ সময়ে শরীরে বদহজমের সমস্যা বেশি দেখা যায় বলে পেট খারাপ হতে পারে। স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ার কারণে জীবাণুর আক্রমণ বেশি হয় বলে এ সময় পালং শাক, বাঁধাকপি, ফুলকপির মতো খাবার না খাওয়াই ভালো। এ সময় ভালো স্বাদ ও গন্ধযুক্ত শাকসবজি খাওয়া ভালো।

শরীর আর্দ্র রাখুন: পানি আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। শরীরের ৭০ শতাংশ পানি। সতেজ থাকতে শরীরের আর্দ্রতা ঠিক রাখা জরুরি। তাই এ সময় বেশি করে পানি খান। এ ছাড়া বিভিন্ন ফলের জুস, হারবাল পানীয় কিংবা চা খেতে পারেন। এ সময় গ্রিন টি দারুণ উপকারী। সর্দি থেকেও রক্ষা করতে পারে।

যা খাবেন না: এ সময় মাত্রাতিরিক্ত চা না খাওয়া ভালো। এ ছাড়া ক্যাফেইন পানীয় এড়াতে হবে।

মৌসুমি ফল: এ সময় বাজারে নানা ফল পাবেন। পেয়ারা, বেদানা, আম, স্ট্রবেরি খেতে পারেন। শরীর ও ত্বকের যত্নে মৌসুমি ফল কাজে লাগবে। এ ছাড়া সবজি হিসেবে গাজর ও মুলা আপনার খাদ্যতালিকায় যুক্ত করতে পারেন।

যা খাবেন না: বৃষ্টি-বাদলের দিনে বাইরে একটু ঘুরে আসতে বা রাস্তার পাশের দোকানে সাজিয়ে রাখা খাবারে আকর্ষণ বাড়ে। তবে মনে রাখবেন, এসব খাবার পুষ্টিমান বিবেচনায় এড়ানো উচিত। এ ছাড়া বাইরের খাবার খেলে ত্বকের সমস্যা, চুলকানি, অ্যালার্জি হতে পারে। পেটের গড়বড়ের আশঙ্কাও থাকে। বাড়িতে তৈরি করা জুস বা কাটা ফল এ সময় দীর্ঘক্ষণ রেখে খাবেন না।

বেশি করে স্যুপ ও ডাল: স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় ডাল খুব উপকারী। অনেক ধরনের সবজি একসঙ্গে করে স্যুপ বা ঝোল করে খেতে পারেন। এতে শরীর সতেজ থাকবে।

যা খাবেন না: এ সময় যতটা পারেন সামুদ্রিক খাবার এড়িয়ে যাবেন। এ সময় জীবাণু বেশি থাকে। যদি খেতেই হয়, তবে তা সতেজ ও ভালোমতো রান্না করে তারপর খাওয়া ভালো। এ ধরনের আবহাওয়ায় যতটা সম্ভব কম করে ভাজাপোড়া খাবার খান। স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় মানুষের হজমের গতি কমে যায়। তাই ভাজাপোড়া বেশি খেলে বদহজম ও পেটের সমস্যা দেখা দিতে পারে। স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় ঠান্ডা কোমল পানীয় এড়িয়ে চলা উচিত। এ ছাড়া দুগ্ধজাত নানা খাবার এ সময় না খাওয়াই ভালো। এ সময় পরিপাকতন্ত্র বেশি স্পর্শকাতর থাকে বলে পেটে নানা সমস্যা সৃষ্টি করে এসব খাবার।

স্যাঁতসেঁতে এ আবহাওয়ায় খাবারের পাশাপাশি সুস্থ থাকতে মানসিক চাপ, রাগ ও দুশ্চিন্তা থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

মানসিক চাপ দূর করার ৫ ব্যায়াম
                                  

অনলাইন ডেস্ক : গরমের ছোয়ায় এপ্রিল হয়ে উঠুক সচেতনতার মাস। আরামদায়ক শীতকালীন রুটিনটা ফেলে দিয়ে ফিটনেস এবং স্বাস্থ্যকে পুনরায় চাঙা করে নেবার সময়ও এখন। কে বলেছে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা একসঙ্গে সম্ভব নয়? 

 

 

মানসিক চাপ কমাবার জন্য শারীরিক ব্যায়াম অন্যতম কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। উদাহরণস্বরুপ সাধারণ মানুষ অপেক্ষা শ্রমিকেরা টুকটাক চিন্তা ও উদ্বেগে কম ভোগেন।

 

এখানে পাঁচটি ব্যায়ামের উল্লেখ করা হলো যেগুলো আপনাকে সত্যিই শারীরিক সুস্থতার সঙ্গে মানসিক চাপ ও উদ্বেগ থেকে দূরে রাখবে।

 

মানসিক চাপ কমানোর অন্যতম সেরা উপায় দৌড়ানো
সাধারণভাবে পেশিসমূহের সঠিক সঞ্চালনের জন্য নিয়মিত দৌড়ানোর বিকল্প নেই। কিন্তু জানা গেছে, দৌড় হলো মানসিক চাপ কমাবার অন্যতম মহৌষধ। এমনকি ভালো ফলাফল না পেলেও নিয়মিত দৌড়ানো আপনাকে অতিরিক্ত কাজের সময়ে খিটখিটে মেজাজ থেকে দূরে রাখবে। এটা এমনই ধরনের ব্যয়াম যেটা প্রয়োজন মতো সক্রিয় চিন্তাভাবনা জাগ্রত করে এবং আপনার অহেতুক চিন্তাগুলোকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ করে দেয়। আপনার কাছে এটা নিছক মেডিটেশন করার মতো শোনালেও এটা সত্যিই কার্যকরী। মানসিক চাপ দূর করে নিজের কাছে ভালো কিছু প্রত্যাশা করতে নিয়মিত দৌড়ানোর বিকল্প নেই।

 

মৌলিক আত্মরক্ষা কৌশল বা মার্শাল আর্ট
আপনি যদি কারাতে, জুডো, কেন্দু বা মার্শাল আর্টের মতো কিছুর সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকেন তাহলে বলাবাহুল্য যে আপনি দৈনন্দিন কার্যকলাপে অবশ্যই ভালো কিছু রেখেছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, মার্শাল আর্ট শারীরিক শক্তি বৃদ্ধিসহ মানুষিক হতাশা দূর করতে সক্ষম। যেটা আপনাকে সারাদিন চনচনে মেজাজে রাখবে এবং করে তুলবে আত্মপ্রত্যয়ী।

 

অফিসে আড়মোড়া ভেঙে ক্লান্ত পেশিগুলোকে আরাম দিন
কাজের ফাঁকে একটু বিরতি নিয়ে মনটাকে শিথিল করুন। বিশেষজ্ঞরা জোর গলায় বলেন যে, আপনার অফিসের নতুন কাজগুলো আপনাকে প্রচন্ড মানসিক চাপের ভেতর রাখছে এবং আপনার বস আপনার কাছে একপ্রকার চ্যলেঞ্জ হয়ে দাড়িয়েছে। আপনি আপনার সহকর্মীদের বন্ধুরুপী শত্রু ভেবে ফেলছেন। অর্থাৎ একনাগাড়ে কাজ করার ফলে অতিরিক্ত মানসিক চাপ আপনাকে হতাশাগ্রস্ত করে ফেলেছে। কিন্তু তার মানে এটা নয় যে, এখান থেকে পরিত্রাণের উপায় নেই। গুটিকয়েক প্রক্রিয়া অনুসরণ করলেই এর থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব।

 

কাজের ফাঁকে ফাঁকে কিছুটা বিরতি নিন। চেয়ারে বসে আড়মোড়া কাটুন। মাথার পেছনে হাত রেখে পা সোজা করে কাঁধের পেশিগুলোর ওপর চাপ প্রয়োগ করুন। এতে কাধের পেশিগুলোতে আরাম অনুভূত হবে। এভাবে মাথা হাটুর কাছে নিয়ে এবার পিঠের পেশিগুলোকে সক্রিয় করুন। দেখবেন মুহূর্তেই আপনার বিরক্তিভাব দূর হয়ে স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব করছেন। দীর্ঘসময়ে বসে থাকলে কাধের ও পিঠের পেশিগুলো অসাড় হয়ে যায়। ফলে আপনার বিরক্তিভাব চলে আসে। এ দুইটা ব্যয়াম আপনাকে ফ্রেশনেস ফিরিয়ে আনতে যথেষ্ট সাহায্য করবে।

 

আত্মবিশ্বাস বাড়াতে টিম স্পোর্টস
অন্যদের সঙ্গে অনুশীলন বিশেষ করে দলগত অনুশীলন পারস্পরিক আস্থা ও ইতিবাচক সম্পর্ক স্থাপনে যথেষ্ট ফলপ্রসু। নানা ধরনের মানসিক চাপ কমাতে নিজেকে সামাজিকীকরণ এক অন্যতম উপায়। যেটা একইসঙ্গে আপনাকে মানসিক প্রশান্তি দেওয়া সহ আপনার দুশ্চিন্তা কমাতে সাহায্য করবে। তাই এখনি দলগত কোনো খেলা বা সামজিক কাজে নিজেকে যুক্ত করুন। হতে পারে সেটা বস্কেটবল, ফুটবল, ভলিবল খেলাসহ স্বেচ্ছাসেবক দলের সঙ্গে যেকোনো সামাজিক কাজের মাধ্যমে। এটা আপনাকে আত্মবিশ্বাসী ও নিজেকে নতুন করে জানতে সাহায্য করবে।

 

শরীর ও মনের অতি উপকারী যোগব্যায়াম
এটা কোনোভাবেই এড়ানো যাবে না যে, যোগব্যায়াম সত্যিকার অর্থেই দেহ এবং মনের জন্য যথেষ্ট উপকারী। এটা শুধুমাত্র আপনার শরীরকেই ঠিক রাখবেনা সেইসঙ্গে আপনার ক্লান্ত পেশিগুলোতে যোগাবে প্রশান্তির অনুভূতি। যোগব্যায়াম শ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমে শরীর ও মনের যোগসূত্র স্থাপন করে থাকে। তাই এখনি মাদুর বা পাটি বিছিয়ে লেগে পড়ুন যোগব্যায়ামে এবং দূর করুন আপনার অহেতুক উদ্বেগ ও হতাশাগুলো।

ডায়াবেটিসে কিডনী ক্ষতি হয়
                                  

অনলাইন ডেস্ক : ডায়াবেটিস থাকলে রক্তের সুগার মনিটর করা, তদারকি করা গুরুত্বপূর্ণ, তবে তা যথেষ্ট নয়। জন হপকিনস্ বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের সহ অধ্যাপক ডা. রিতা কল্যাণী বলেন, যাদের ডায়াবেটিস আছে তারা সবাই এমনকি তাদের কিডনি সমস্যার লক্ষণ আছে কিনা তাও নজর করবেন। ডায়াবেটিসের একটি গুরুত্বর জটিলতা হলো কিডনি নিষ্ক্রিয়া এবং কিডনি ফেইলুর বা নিষ্ক্রিয়ার প্রধান কারণ হলো ডায়াবেটিস। জসিলন ডায়াবেটিক সেন্টারে নেফ্রোলজি বিভাগের প্রধান এবং হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলে সহযোগী অধ্যাপক মেডিসিন ডা: রবার্ট স্ট্যানটন বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত:যাদের ডায়াবেটিস তারা অনেক সময় বুঝতে পারেনা যে তাদের রয়েছে কিডনি রোগ’। কিডনি নিষ্ক্রিয় না হওয়া পর্যন্ত স্পষ্ট লক্ষণ প্রকাশ পায়না।

 
তবে সুসংবাদও আছে। সহজ টেস্ট করে কিডনির কাজকর্ম পরীক্ষা করা যায় এবং আগাম কিডনি রোগ চিহ্নিতও করা সম্ভব। সূচনায় রোগের চিকিত্সায় বড় রকমের তারতম্য ঘটানো যায়। ওষুধপত্র, খাদ্যবিধি, রক্তগ্লুকোজের সুনিয়ন্ত্রণ এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ কিডনি রোগ প্রতিরোধ করতে পারে বা অগ্রগতি ধীর করে দিতে পারে। মূল চাবিকাঠি হলো আগাম রোগ নির্ণয় এবং অবিলম্বে চিকিত্সা।
 
ডায়াবেটিসে কিভাবে কিডনির ক্ষতি হয়
 
কিডনি পরিশ্রুত করে রক্ত। বর্জ বেরিয়ে যায় মূত্রের মাধ্যমে আর পরিশ্রুত রক্ত ফিরে যায় শরীরে। ডায়াবেটিক রোগীদের কিডনির ক্ষতি হতে পারে তখন, যখন রক্তকে পরিশ্রুত করতে পারেনা ঠিকমত। সামান্য পরিমাণ এলবুমিন মূত্র দিয়ে বেরিয়ে যায়। উঠে যায় রক্তচাপ কিডনির উপর আরো চাপ পড়ে। আরও বেশি প্রোটিন বেরিয়ে যায় প্রস্রাবে। এসব পরিবর্তন হতে থাকলে কিডনির রক্ত পরিশ্রুত করার ক্ষমতা আরও হ্রাস পায়, রক্তে জমতে থাকে বর্জ্য পদার্থ। রক্তে গ্লুকোজের উচু মান ডায়াবেটিসের সূচক বটে- কালক্রমে অনেক ক্ষতি করে কিডনি কোষদের। সেন্টলুই ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিনের প্রফেসর অব মেডিসিন ও এনডোক্রিনোলজিস্ট ডা: জেনেট বি ম্যাকগিল বলেন, ডায়াবেটিস, কিডনি ক্ষতির অন্যান্য কারণের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে। ম্যাকগিল বলেন, ‘টাইপ ১ ডায়াবেটিসে কিডনি ক্ষতি হলো বহুলাংশে রক্তে গ্লুকোজের উঁচুমানের ফলশ্রুতি।’ তবে টাইপ ২ ডায়াবেটিসে কিডনি ক্ষতির পেছনে থাকতে পারে  নানাবিধ কারণ। উচুমান গ্লুকোজ, উচ্চরক্তচাপ, প্রদাহ, বয়স এবং জীনগতি এদের মধ্যে পরস্পর আন্ত:ক্রিয়া বড় কারণ হতে পারে। চিকিত্সা না হলে ক্ষতি শোচনীয় পর্যায়ে যেতে পারে, পরিণতিতে কিডনি হতে পারে নিষ্ক্রিয়। প্রান্তিক পর্যায়ে এলে শেষ চিকিত্সা বিকল্প ডায়ালাইসিস নয়ত ট্রান্সপ্লান্ট।
 
কিডনি ক্ষতির লক্ষণ বা উপসর্গ
 
কিডনির তাত্পর্যপূর্ণ ক্ষতি না হওয়া পর্যন্ত কিডনি সমস্যার স্পষ্ট লক্ষণ প্রকাশ পায়না। ফেনিল সূত্র, ওজন বৃদ্ধি, শরীরে পানি ধারন, ক্ষুধামান্দ্য, শরীর খারাপ লাগা। এরকম হলে ডাক্তার দর্শণ অবশ্য। আগাম সময়, কিডনি ক্ষতিতে তেমন উপসর্গ নেই। ডাক্তারের কাছে রক্ত ও প্রস্রাবের বিশেষ পরীক্ষা করে তবে জানতে হয়। রক্তের গ্লুকোজ মান পরীক্ষায় কিডনির কাজকর্ম সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায় না। প্রচলিত মূত্র পরীক্ষা এত সংবেদনশীল নাও হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা বলে থাকেন। যাদের ডায়াবেটিস আছে এবং কিডনি ক্ষতির ঝুকি আছে এদের তিনটি টেস্ট করা প্রয়োজন।
 
রক্তচাপ মনিটরিং: উচ্চরক্তচাপ হতে পারে কিডনি সমস্যার একটি লক্ষণ। স্ট্যানটন বলেন, ডায়াবেটিস ও কিডনি রোগ যাদের এদের রক্তচাপ সুনিয়ন্ত্রণ করা উচিত। লক্ষ হওয়া উচিত রক্তচাপ ১৩০/৮০ এর নিচে রাখা। প্রস্রাবে প্রোটিন, ক্রিয়েটিনিন ও এলবুমিন পরীক্ষা:কিডনি ক্ষতি হতে থাকলে সামান্য পরিমাণ প্রোটিন প্রস্রাবে যেতে থাকে। ল্যাবরেটরীতে টেস্ট করা যেতে পারে। ২৪ ঘন্টার প্রস্রাব সংগ্রহ এখন লাগেনা। একটি একক নমুনাই যথেষ্ট।
 
অনুমিত গ্লুমেরুলার ফিলট্রেশন রেট (ই.জি.এফ.আর) eGFR: রক্তের ক্রিয়েটিনিন মান থেকে সূত্র অনুযায়ী গণনা করলে পাওয়া যায় ইজিএফআর। কিডনি রক্তকে কেমন পরিশ্রুত করছে, তা বোঝা যায়।
 
ডায়াবেটিস ও কিডনি ক্ষতির চিকিত্সা
 
জীবন যাপনে পরিবর্তন। স্বাস্থ্যকর খাদ্য খাওয়া, ব্যায়াম করা, রক্ত গ্লুকোজ মানের উপর নাটকীয় প্রভাব ফেলে। কারো প্রয়োজন লো-প্রোটিন ডায়েট। ধূমপান করে থাকলে তত্ক্ষণাত্ ছেড়ে দেওয়া। লিপিড নিয়ন্ত্রণ কোলেস্টেরোল ও ট্রাইগ্লিসারাইড নিয়ন্ত্রণ কিডনি কাজ কর্মের উপর সরাসরি প্রভাব না থাকলেও এতে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।
 
হোম মনিটরিং: ঘরে রক্তের গ্লুকোজ চেক করা ছাড়াও রক্তচাপ ও মনিটরিং চাই।
 
ওষুধ পত্র
 
এসিই ইনহিবিটার ওষুধ এবং এনজিওটেনিসন রিসেপ্টার ব্লকার উচ্চরক্তচাপ রোগীদের কিডনি ক্ষতি প্রতিরোধ করতে পারে। কিডনি নিষ্ক্রিয় হলে ডায়ালাইসিস বা ট্রান্সপ্লান্ট। কিডনি নিষ্ক্রয় হলো ডায়াবেটিসের গুরুত্বর ঝুঁকি, তবে বেশিরভাগ ডায়াবেটিক রোগী নিষ্ক্রিয়ার পথে যায়না। সুচিকিত্সা হলে গুরুতর কিডনি রোগের রোগীদেরও ডায়ালাইসিস দেরি হতে পারে অনেক দিন। স্যান্টন বলেন, ডায়াবেটিক রোগী বা প্রিডায়াবেটিক রোগী কিডনি সমস্যার ঝুঁক ভেবে সংকিত হওয়া উচিত নয়। স্যান্টন বলেন, ডাক্তারের পরামর্শ না নেয়া হলো বড় ভুল। টেস্টগুলো করে ভালো ফল পেলে এবং কিডনি সমস্যার লক্ষণ না পেলে মনে শান্তি হলো। কোনও লক্ষণ পেলেও অবিলম্বে চাই চিকিৎসার শুরু। ডায়াবেটিস ও কিডনি রোগের আগ্রাসী চিকিৎসা বড় রকমের পার্থক্য ঘটাতে পারে। তবে চিকিৎসা নেবার আগে জানা চাই যে সমস্যাটি আছে।
বিশ্ব কিডনি দিবস আজ
                                  
বিশ্ব মানচিত্র রিপোর্ট : আজ ৯ মার্চ বিশ্ব কিডনি দিবস। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারিত হয়েছে— ‘স্থূলতা কিডনি রোগ বাড়ায়, সুষ্ঠু জীবন-যাপনে সুস্থ কিডনি।’ দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। বর্তমান বিশ্বে অসংক্রামক ব্যাধিগুলোর মধ্যে কিডনি রোগ অন্যতম। বাংলাদেশে দিন দিন কিডনি রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে প্রায় ২ কোটি লোক কোনো না কোনো কিডনি রোগে ভুগছে।
দিবসটি উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট মো. আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন। পাশাপাশি দিবসকে ঘিরে বাংলাদেশ রেনাল অ্যাসোসিয়েশন, কিডনি ফাউন্ডেশন ও ক্যাম্পাস যৌথভাবে শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। মাসব্যাপী ফ্রি চিকিত্সা সেবা প্রদান করছে ইনসাফ বারাকাসহ কিডনি হাসপাতাল। একই সঙ্গে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্যোগে আজ এক জনসচেতনামূলক সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। 
 
এ দিকে নিজেদের কর্মীদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে কিডনি রোগের সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনের আয়োজন করে মোবাইল ফোন অপারেটর রবি। কেএএমপিএস’র (কিডনি অ্যাওয়ারনেস মনিটরিং অ্যান্ড প্রিভেনশন সোসাইটি) খ্যাতিমান কিডনি বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডা. এমএ সামাদ সেশনটি পরিচালনা করেন।
 

   Page 1 of 13
     স্বাস্থ্য
সালথার যুবক শাহাদাৎ শেখ এর করোনা জয়।
.............................................................................................
বেশিক্ষণ মাস্ক পরলে বিষাক্ত গ্যাস ঢুকতে পারে শরীরে
.............................................................................................
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখবে যেসব খাবার
.............................................................................................
ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে ফুলকপি
.............................................................................................
যেসব রোগ প্রতিরোধে ম্যাজিকের মতো কাজ করে টমেটো
.............................................................................................
নিজের ফ্ল্যাট বিক্রি করে দিয়েছেন এন্ড্রু কিশোর
.............................................................................................
যেসব রোগে ম্যাজিকের মতো কাজ করে নিমপাতা
.............................................................................................
পাকা আম বেশি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর
.............................................................................................
গরমে ভালো থাকবেন কীভাবে
.............................................................................................
ইফতার ও সেহরির সময় আহারের নিয়ম
.............................................................................................
লাল মাংস ভোজীদের জন্য
.............................................................................................
অন্তঃসত্ত্বা মায়ের হৃদ্‌রোগ
.............................................................................................
এখন কী খাব, কী খাব না
.............................................................................................
মানসিক চাপ দূর করার ৫ ব্যায়াম
.............................................................................................
ডায়াবেটিসে কিডনী ক্ষতি হয়
.............................................................................................
বিশ্ব কিডনি দিবস আজ
.............................................................................................
কিডনি সুস্থ রাখতে যা খাবেন
.............................................................................................
যে ৫ খাবার নিয়মিত খাবেন
.............................................................................................
শিশু যখন আঙুল চোষে
.............................................................................................
উচ্চ রক্তচাপ অবহেলা করা উচিত নয়
.............................................................................................
টিকার আওতায় ৮৬.৫ শতাংশ শিশু
.............................................................................................
সকালে নাশতা না করলে যে ক্ষতি
.............................................................................................
হলুদ-দুধের উপকারিতা
.............................................................................................
ভাত খেলেও বাড়বে না ওজন
.............................................................................................
শিশুর আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ৫ উপায়
.............................................................................................
১০ ধরনের মাথাব্যথার কারণ
.............................................................................................
যেসব খাবারে গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ে
.............................................................................................
এই সময়ে সর্দি–কাশি
.............................................................................................
মানসিক স্বাস্থ্য উন্নতির জন্য ১০ অভ্যাস
.............................................................................................
সতেজ থাকতে শসা খান
.............................................................................................
গর্ভধারণের সময় দই
.............................................................................................
আখের রসের স্বাস্থ্য ‍উপকারিতা
.............................................................................................
হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেলে যা করবেন না
.............................................................................................
খালি পেটে কাঁচা লিচু খেলে হতে পারে মৃত্যু
.............................................................................................
ঋতু পরিবর্তনে স্বাস্থ্য সচেতনতা
.............................................................................................
হট চকলেট কফি
.............................................................................................
গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর করার ঘরোয়া উপায়
.............................................................................................
কিডনি সুস্থ রাখবেন যেভাবে
.............................................................................................
মুলা কেন খাবেন?
.............................................................................................
যেসব ফল ওজন কমাবে
.............................................................................................
কমলার রস পানে স্বাস্থ্যের উপকারীতা
.............................................................................................
একটি মশার কয়েলে ৫৭টি সিগারেটের ধোঁয়ার সমান ক্ষতি!
.............................................................................................
খুব সহজে অন্য রকম খাবার পিজ্জা দোসা
.............................................................................................
কফি ছেড়ে চা পান করলে কী হয়?
.............................................................................................
জিরা-পানির কী গুণ
.............................................................................................
ঘরে বসে পিজ্জা তৈরি করার সহজ রেসিপি
.............................................................................................
কোন সমস্যায় কীসের রস উপকারী
.............................................................................................
ঔষধি গুণে ভরা পুদিনা পাতা
.............................................................................................
হায়দ্রাবাদি টক ডাল রেসিপি
.............................................................................................
জাপানে চিকিৎসকদের নতুন সংগঠন
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: মো: হাবিবুর রহমান সিরাজ
আইন উপদেষ্টা : অ্যাড. কাজী নজিব উল্লাহ্ হিরু
সম্পাদক ও প্রকাশক : অ্যাডভোকেট মো: রাসেদ উদ্দিন
সহকারি সম্পাদক : বিশ্বজিৎ পাল
যুগ্ন সম্পাদক : মো: কামরুল হাসান রিপন
নির্বাহী সম্পাদক: মো: সিরাজুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : সাগর আহমেদ শাহীন

সম্পাদক কর্তৃক বি এস প্রিন্টিং প্রেস ৫২ / ২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, সূত্রাপুর ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৯৯ মতিঝিল , করিম চেম্বার ৭ম তলা , রুম নং-৭০২ , ঢাকা থেকে প্রকাশিত ।
মোবাইল: ০১৭২৬-৮৯৬২৮৯, ০১৬৮৪-২৯৪০৮০ Web: www.dailybishowmanchitra.com
Email: news@dailybishowmanchitra.com, rashedcprs@yahoo.com
    2015 @ All Right Reserved By dailybishowmanchitra.com

Developed By: Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD