|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   পরিবেশ -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
বর্ষায় ভিজে এলো শরৎ

বিশ্ব মানচিত্র অনলাইন রিপোর্ট : ‘আজি ধানের ক্ষেতে রৌদ্রছায়ায় লুকোচুরি খেলা রে ভাই, লুকোচুরি খেলা/নীল আকাশে কে ভাসালে সাদা মেঘের ভেলা রে ভাই লুকোচুরি খেলা..’ প্রকৃতিতে গতকাল এমন দৃশ্যপটের বদলে ছিল বর্ষণ মুখরতা। আজ প্রকৃতির মালিন্য মুছে দিতে মেঘের সিংহবাহনে এলো সে মধুর মুরতি নিয়ে। শরৎ এলো। 
 
বাংলার প্রকৃতি আজ শরতের স্নিগ্ধ পরশে হবে আন্দোলিত। মেঘমুক্ত আকাশ শুভ্র শিউলির মন মাতানো ঘ্রাণ আর দিগন্ত বিস্মৃত ফসলের মাঠে ফসলের নিরন্তর ঢেউ খেলানো দোলই জানান দিচ্ছে আজ ভাদ্র মাসের সঙ্গে সঙ্গে এসেছে শরৎ। নির্মল নীলাকাশ, গুচ্ছ গুচ্ছ শুভ্র অমল ধবল মেঘের ভেলা; দূরে দুধ সাদা কাশের বনে পাগলা হাওয়ার মাতামাতি। শরতে ভুবন জুড়ে এক নতুন দৃশ্যপট রচিত হয়: গগনে গগনে শুধু অপরূপ রূপের লীলাখেলা। ‘আজি কি তোমার মধুর মুরতি/হেরিনু শারদ প্রভাতে!/হে মাত বঙ্গ, শ্যামল অঙ্গ/ঝলিছে অমল শোভাতে...।’ 
 
বসন্তের পুষ্পছাওয়া বনতল আর দখিনা সমীরণ আকাশে-বাতাসে শিহরণ জাগানোর পর গ্রীষ্মের অগ্নিবাণে তা জ্বলে-পুড়ে বিবর্ণরূপ ধারণ করলেও বর্ষা তাতে আবার নবীন প্রাণের প্রণোদনা বয়ে আনে। এরপর ঋতু বৈচিত্র্যের এ বঙ্গভাগে যেন প্রকৃতিতে কাঁপন তুলে আসে শরৎ। এক আশ্চর্য রূপমাধুরী নিয়ে ফেরে সে দ্বারে দ্বারে। সে যেন এক নিপুণ কারিগর। স্বর্ণরেণু দিয়ে গড়ে দেয় প্রকৃতি। তার পরশে প্রকৃতি হয়ে ওঠে ঢল ঢল লাবণ্যময়। ধরণী হয়ে ওঠে শ্যামল সুধাময়। কবিগুরুর ভাষায়:‘তুলি মেঘভার আকাশে তোমার-করেছ সুনীল বরণী/শিশির ছিটায়ে করেছ শীতল/তোমার শ্যামল ধরণী।’ শরৎকালে কখনো কখনো বর্ষণ হয়, তবে বর্ষার মতো অবিরাম নয়। বরং শরতের বৃষ্টি মনে আনন্দের বার্তা বয়ে আনে। চারপাশের শুভ্রতার মাঝে বৃষ্টির ফোঁটা যেন আনন্দ-বারি! বৃষ্টি শেষে আবারও রোদ। দিগন্তজুড়ে একে সাতরঙা হাসি দিয়ে ফুটে ওঠে রংধনু। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছেন, ‘আজি কি তোমার মধুর, মুরতী / হেরিণু শরত্ প্রভাতে হে মাতা বঙ্গ শ্যামল অঙ্গ ঝরিছে অনল শোভাতে’।
 
প্রকৃতির কবি জীবনানন্দ দাশ শরতের চরিত্রের সঙ্গে বর্ণনা করেছেন প্রিয়তমাকে। প্রেম-দ্রোহের কবি নজরুলকেও আলোড়িত করেছিল শরতের প্রকৃতি। বিশেষ করে শরতের শিউলি তাঁকে মুগ্ধ করেছিল। ’এসো শারদ প্রাতের পথিক এসো শিউলি-বিছানো পথে।/ এসো ধুইয়া চরণ শিশিরে এসো অরুণ-কিরণ-রথে...। শরতের মিষ্টি সকালও উত্কীর্ণ হয়েছে:’শিউলিতলায় ভোরবেলায় কুসুম কুড়ায় পল্লী-বালা।/ শেফালি ফুলকে ঝরে পড়ে মুখে খোঁপাতে চিবুকে আবেশ-উতলা...।
 
শরতে মাঠে মাঠে এখন নতুন ধানের সমারোহ। কৃষকের মনে নবীন আশা, সাজ সাজ রব। দোয়েল-কোয়েলের কুজনে মুখরিত পল্লীগ্রাম-মাঠ-ঘাট জনপদ। বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের ঘরে ঘরে প্রহরগোনা শুরু হলো এই শরতে, কৈলাশ ছেড়ে দুর্গতিনাশিনী মা দুর্গা আসবেন তাদের গৃহে। নদীর পাড়ে কাশফুলের জেগে ওঠার আভাস দেখেই বাতাসে রটে গেছে শরৎ এসেছে, পুজো আসছে।
 
ঋতুচক্র নানা বর্ণে-গন্ধের সমারোহে নিত্য আবর্তিত হয়ে চলে। কিন্তু ইটের পরে ইট, তার মাঝে মানুষ কীট’ এর এই অর্থদাস শহরবাসীর অন্তর আজ আর শরতের নিমন্ত্রণ অনুভব করে না। প্রতিবারই শরৎ আসে। সাজে অপরূপ সাজে। কিন্তু শহরের যান্ত্রিক জীবনে এর রূপ দেখার সময় নেই অনেকেরই।
বর্ষায় ভিজে এলো শরৎ
                                  
বিশ্ব মানচিত্র অনলাইন রিপোর্ট : ‘আজি ধানের ক্ষেতে রৌদ্রছায়ায় লুকোচুরি খেলা রে ভাই, লুকোচুরি খেলা/নীল আকাশে কে ভাসালে সাদা মেঘের ভেলা রে ভাই লুকোচুরি খেলা..’ প্রকৃতিতে গতকাল এমন দৃশ্যপটের বদলে ছিল বর্ষণ মুখরতা। আজ প্রকৃতির মালিন্য মুছে দিতে মেঘের সিংহবাহনে এলো সে মধুর মুরতি নিয়ে। শরৎ এলো। 
 
বাংলার প্রকৃতি আজ শরতের স্নিগ্ধ পরশে হবে আন্দোলিত। মেঘমুক্ত আকাশ শুভ্র শিউলির মন মাতানো ঘ্রাণ আর দিগন্ত বিস্মৃত ফসলের মাঠে ফসলের নিরন্তর ঢেউ খেলানো দোলই জানান দিচ্ছে আজ ভাদ্র মাসের সঙ্গে সঙ্গে এসেছে শরৎ। নির্মল নীলাকাশ, গুচ্ছ গুচ্ছ শুভ্র অমল ধবল মেঘের ভেলা; দূরে দুধ সাদা কাশের বনে পাগলা হাওয়ার মাতামাতি। শরতে ভুবন জুড়ে এক নতুন দৃশ্যপট রচিত হয়: গগনে গগনে শুধু অপরূপ রূপের লীলাখেলা। ‘আজি কি তোমার মধুর মুরতি/হেরিনু শারদ প্রভাতে!/হে মাত বঙ্গ, শ্যামল অঙ্গ/ঝলিছে অমল শোভাতে...।’ 
 
বসন্তের পুষ্পছাওয়া বনতল আর দখিনা সমীরণ আকাশে-বাতাসে শিহরণ জাগানোর পর গ্রীষ্মের অগ্নিবাণে তা জ্বলে-পুড়ে বিবর্ণরূপ ধারণ করলেও বর্ষা তাতে আবার নবীন প্রাণের প্রণোদনা বয়ে আনে। এরপর ঋতু বৈচিত্র্যের এ বঙ্গভাগে যেন প্রকৃতিতে কাঁপন তুলে আসে শরৎ। এক আশ্চর্য রূপমাধুরী নিয়ে ফেরে সে দ্বারে দ্বারে। সে যেন এক নিপুণ কারিগর। স্বর্ণরেণু দিয়ে গড়ে দেয় প্রকৃতি। তার পরশে প্রকৃতি হয়ে ওঠে ঢল ঢল লাবণ্যময়। ধরণী হয়ে ওঠে শ্যামল সুধাময়। কবিগুরুর ভাষায়:‘তুলি মেঘভার আকাশে তোমার-করেছ সুনীল বরণী/শিশির ছিটায়ে করেছ শীতল/তোমার শ্যামল ধরণী।’ শরৎকালে কখনো কখনো বর্ষণ হয়, তবে বর্ষার মতো অবিরাম নয়। বরং শরতের বৃষ্টি মনে আনন্দের বার্তা বয়ে আনে। চারপাশের শুভ্রতার মাঝে বৃষ্টির ফোঁটা যেন আনন্দ-বারি! বৃষ্টি শেষে আবারও রোদ। দিগন্তজুড়ে একে সাতরঙা হাসি দিয়ে ফুটে ওঠে রংধনু। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছেন, ‘আজি কি তোমার মধুর, মুরতী / হেরিণু শরত্ প্রভাতে হে মাতা বঙ্গ শ্যামল অঙ্গ ঝরিছে অনল শোভাতে’।
 
প্রকৃতির কবি জীবনানন্দ দাশ শরতের চরিত্রের সঙ্গে বর্ণনা করেছেন প্রিয়তমাকে। প্রেম-দ্রোহের কবি নজরুলকেও আলোড়িত করেছিল শরতের প্রকৃতি। বিশেষ করে শরতের শিউলি তাঁকে মুগ্ধ করেছিল। ’এসো শারদ প্রাতের পথিক এসো শিউলি-বিছানো পথে।/ এসো ধুইয়া চরণ শিশিরে এসো অরুণ-কিরণ-রথে...। শরতের মিষ্টি সকালও উত্কীর্ণ হয়েছে:’শিউলিতলায় ভোরবেলায় কুসুম কুড়ায় পল্লী-বালা।/ শেফালি ফুলকে ঝরে পড়ে মুখে খোঁপাতে চিবুকে আবেশ-উতলা...।
 
শরতে মাঠে মাঠে এখন নতুন ধানের সমারোহ। কৃষকের মনে নবীন আশা, সাজ সাজ রব। দোয়েল-কোয়েলের কুজনে মুখরিত পল্লীগ্রাম-মাঠ-ঘাট জনপদ। বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের ঘরে ঘরে প্রহরগোনা শুরু হলো এই শরতে, কৈলাশ ছেড়ে দুর্গতিনাশিনী মা দুর্গা আসবেন তাদের গৃহে। নদীর পাড়ে কাশফুলের জেগে ওঠার আভাস দেখেই বাতাসে রটে গেছে শরৎ এসেছে, পুজো আসছে।
 
ঋতুচক্র নানা বর্ণে-গন্ধের সমারোহে নিত্য আবর্তিত হয়ে চলে। কিন্তু ইটের পরে ইট, তার মাঝে মানুষ কীট’ এর এই অর্থদাস শহরবাসীর অন্তর আজ আর শরতের নিমন্ত্রণ অনুভব করে না। প্রতিবারই শরৎ আসে। সাজে অপরূপ সাজে। কিন্তু শহরের যান্ত্রিক জীবনে এর রূপ দেখার সময় নেই অনেকেরই।
দেশের কোথাও কোথাও ভারি বর্ষণ হতে পারে
                                  
বিশ্ব মানচিত্র অনলাইন রিপোর্ট : আগামী ৭২ ঘণ্টায় (৩ দিন) আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।
 
শনিবার সকাল ৯টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে।
 
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রী সেলসিয়াস হ্রাস পেতে পারে। ঢাকায় বাতাসের গতি ও দিক দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কি. মি.। আজ সকাল ৬টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ।
 
আবহাওয়া চিত্রের সংক্ষিপ্তসারে বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ুর বর্ধিতাংশের অক্ষ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় বিরাজ করছে।
 

ঢাকায় শনিবার সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬টা ৩৪ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ভোর ৫টা ৩৩ মিনিটে।

দেশের কোথাও কোথাও ঝড়ো হাওয়াসহ অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে
                                  
বিশ্ব মানচিত্র অনলাইন রিপোর্ট : দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ী দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।
 
আজ মঙ্গলবার সকাল ৯ টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘন্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে একথা বলা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
 
আজ সকাল ৬ টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৯৫ শতাংশ। আজ মঙ্গলবার ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬ টা ৪৫ মিনিটে এবং আগামীকাল বুধবার ঢাকায় সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ২৫ মিনিটে।
 
পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, শুরুর দিকে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা হ্রাস পেতে পারে এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে। 
 

সিনপটিক অবস্থা সম্পর্কে অধিদপ্তর জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি আরো ঘণীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপরূপে বর্তমানে একই এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমী বায়ুর অক্ষ রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, বিহার এবং সুস্পষ্ট লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল এবং বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের উপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যত্র প্রবল অবস্থায় বিরাজ করছে।

সাগরে নিম্নচাপ, বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা
                                  

নিম্নচাপের প্রভাবে উত্তাল হয়ে উঠেছে বঙ্গোপসাগর। এর প্রভাবে দেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ কারণে চট্টগ্রাম, মোংলা, পায়রা সমুদ্রবন্দর ও কক্সবাজার উপকূলীয় এলাকায় ৩ নম্বর সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের সতর্কবার্তায় এই তথ্য জানানো হয়েছে। 


আজ বুধবার সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের সবশেষ সতর্কবার্তা থেকে জানা যায়, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে ওডিশা উপকূল অতিক্রম করেছে। এটি এখন স্থল নিম্নচাপ হয়ে ওই এলাকায় অবস্থান করছে। নিম্নচাপটি আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে দুর্বল হতে পারে।

নিম্নচাপের প্রভাবে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকায় উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় সব ধরনের মাছ ধরার নৌযানকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত গভীর সাগরে না গিয়ে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

নিম্নচাপের প্রভাবে মৌসুমি বায়ুও সারা দেশে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। দেশজুড়ে বেড়ে গেছে বৃষ্টি।

গতকাল সকাল ছয়টা থেকে আজ সকাল ছয়টা পর্যন্ত দেশে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে সন্দ্বীপে, ৮৮ মিলিমিটার। একই সময় রাজধানী ঢাকায় বৃষ্টি হয়েছে ৫ মিলিমিটার।

বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ আবদুর রহমান খান। আজ সকালে তিনি বলেন, নিম্নচাপটি দুর্বল হলেও তার প্রভাবে বৃষ্টি হচ্ছে। এ ছাড়া দেশজুড়ে সক্রিয় রয়েছে মৌসুমি বায়ু। এ জন্য ২২ বা ২৩ জুলাই পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে।

ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২২ জুলাই পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও এর আশপাশের কয়েকটি অঞ্চলে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। আজ ওডিশা ছাড়াও আসাম, সিকিম, মণিপুর, মিজোরাম, মেঘালয়, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

উত্তর-পূর্ব ভারতের বৃষ্টিপাতের ওপর বাংলাদেশের বন্যা পরিস্থিতি নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সাজ্জাদ হোসেন। তিনি বলেন, বিপৎসীমার ওপরে থাকা দেশের নদনদীর পানি দ্রুত নামছে। যমুনার পানি সিরাজগঞ্জে কিছুটা ওপরে ছিল। আজ সেটিও কমে আসবে। ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলে বৃষ্টি হলেও দুই-তিন দিন পর পানি বৃদ্ধির বিষয়টি বোঝা যাবে। এর মধ্যে যদি দেশের নদনদীর পানি কমে যায়, তাহলে তা দেশের জন্য ভালো।

বৃষ্টি চলছে, চলবে
                                  

বিশ্ব মানচিত্র রিপোর্ট : আকাশে সূর্যের দেখা নেই। কালো মেঘ ভেঙে বৃষ্টি হচ্ছে থেমে থেমে। কখনো হালকা, কখনোবা মুষলধারে বৃষ্টি। ব্রজপাতও হচ্ছে। এই চিত্র শুধু রাজধানী ঢাকায় নয়, দেশের বেশির ভাগ এলাকায়।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবই বৃষ্টিপাতের কারণ। এই অবস্থা আরও কয়েক দিন থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

ঢাকা মহানগরের ট্রাফিক বিভাগের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ‘বৃষ্টিতে আমরা ডুবে যাচ্ছি। এভাবে বৃষ্টি হলে ডুবে যাওয়া ছাড়া উপায় নেই।’

আজ সোমবার সকাল নয়টা দিকে ঢাকায় প্রচণ্ড বৃষ্টি শুরু হয়। ঘণ্টা দুয়েকের ভারী বৃষ্টিতে নগরের বেশির ভাগ এলাকার গলি থেকে রাজপথ পানিতে টইটম্বুর। বেলা একটার সময়ও মিরপুরের কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, কালশী, ১৩ নম্বর, ভাষানটেক, উত্তরা, বনানী, রামপুরা, ধানমন্ডি ২৭ নম্বর সড়কের মোড়, ফার্মগেট, তেজতুরী বাজার, তেজকুনিপাড়া, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, মৌচাক, দক্ষিণ বনশ্রী, কারওয়ান বাজার, বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্সের সামনের সড়কে পানি জমে থাকতে দেখা গেছে।

বৃষ্টির সময় নগরবাসীর চলাচল কিছুটা কমে যায়। কিছুটা বিরতি এলে আবার ব্যস্ত হয়ে ওঠে সড়কগুলো। পানি জমে থাকায় যানবাহনগুলোর গতি কমে যায়। এর ফলে কোথাও কোথাও যানজটও সৃষ্টি হয়েছে।

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের উপকমিশনার (পশ্চিম) লিটন কুমার সাহা বলেন, বৃষ্টিতে রাস্তায় পানি জমে গেলে সিএনজি অটোরিকশার মতো ছোট যানবাহনগুলো বিকল হয়ে পড়ে। একটি যানবাহন নষ্ট হলে পুরো রাস্তায় যানজট ছড়িয়ে পড়ে। তবে দুপুর পর্যন্ত বড় কোনো সমস্যা হয়নি।

আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা অবশ্য বৃষ্টি কমে যাওয়ার সম্ভাবনা আপাতত দেখছেন না। আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের প্রায় সব বিভাগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তাদের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল রোববার সকাল ছয়টা থেকে আজ দুপুর ১২টা পর্যন্ত রাজধানী ঢাকায় ৬৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে এখানে আজ সকাল ছয়টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৪৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

আষাঢ়ের প্রথম দিন আজ, এসো নীপবনে
                                  

বিশ্ব মানচিত্র রিপোর্ট : এসো নীপবনে ছায়াবীথিতলে, এসো করো স্নান নবধারাজলে...।  আজ পয়লা আষাঢ়। রূপময় ঋতু বর্ষার প্রথম দিন।  বাংলা বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী বর্ষা ঋতুর শুরুটা হবে আজ। আনুষ্ঠানিক ঋতু বর্ষার শুরু । বাংলায় আষাঢ়-শ্রাবণ দুই মাস বর্ষা ঋতু। বর্ষাকাল চলবে শ্রাবণের শেষ দিনটি পর্যন্ত।

এবার বর্ষা  আমাদের দ্বারে এসেছে যেন একটু বেশি বেদনার ডালি নিয়েই। আমাদের চট্টগ্রামের পাহাড়ে পাহাড়ে এখন লাশের সারি। শোকাতুর পরিবেশ সেখানে। এই শোকে আচ্ছন্ন হয়েছে গোটা দেশ।

এবার বর্ষা  যেন নিজেকে জানান দিয়েই এল । স্বরূপেই আবির্ভূত হলো গরমের দাপটকে দমাতে । বৃষ্টি হচ্ছে ক’দিন ধরেই। নদীতে পানি উপচেপড়া। কোথাও বিপৎসীমা ছাড়িয়ে। আকাশেও মেঘের ঘনঘটা। নিম্নচাপ, ঝিরঝির বৃষ্টি জানিয়েই দিল সময়টা এখন তার। সময় এখন বর্ষার ।

চিরকালই আষাঢ় সাজে নানা রূপে। বৃষ্টিরধারায় নবতর জীবন আসে পুষ্প-বৃক্ষে, পত্রপল্লবে, নতুন প্রাণের সঞ্চার করে প্রকৃতির অবয়বে। নতুন সুরের বার্তা নিয়ে সবুজের সমারোহে আগমন বর্ষার।

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায় ‘আবার এসেছে আষাঢ় আকাশও ছেয়ে... আসে বৃষ্টিরও সুবাস ও বাতাসও বেয়ে...’ কিংবা ‘ঐ আসে ঐ ঘন গৌরবে নবযৌবন বরষা, শ্যাম গম্ভীর সরসা...’ কিংবা ‘এমনও দিনে তারে বলা যায়, এমনও ঘনঘোর বরষায়...’।

বর্ষা বাঙালী জীবনে চিরকালই কামনার। আজও ফুরায়নি সে আবেদন। কারণ, বর্ষা মানেই সতেজ বাতাসে জুঁই, কামিনি, বেলি, রজনীগন্ধা, দোলনচাঁপা আরো কত ফুলের সুবাস। লেবু পাতার বনেও যেন অন্য আয়োজন। উপচেপড়া পুকুরে রঙিন হয়ে ফোঁটে পদ্ম, সে কেবলই বর্ষাকে পাওয়ার জন্য। কেয়ার বনেও কেতকীর মাতামাতি। আহা কত না মধুর এই বরষা। যদিও সে বর্ষা এখন কল্পনাতেই বেশি খুঁজে নিতে হয়।

ইতিহাস বলে এ সময় জলীয় বাষ্পবাহী দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু সক্রিয় হয়ে ওঠে। ফলে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। বছরের সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি রেকর্ড করা হয় বর্ষায়। তাই চারপাশের পরিবেশ বদলে যায়। আসুন আমরা আজ মনটাকে ধুয়ে ফেলি প্রতিকী বর্ষার জলে। ‘বাদল-দিনের প্রথম কদম ফুল’-এর ভুবনভুলানো হাসি মনে ধারণ করি ।

কী গ্রাম, কী নগর সর্বত্রই বর্ষার আগমনী বার্তা দেয় কদম। যেন একই কথার জানান দিতে পেখম মেলে ময়ূর। বৃষ্টির জল গায়ে নিয়ে নৃত্য করে। বর্ষায় প্রকৃতির এমন পরিবর্তনের কথা তুলে ধরে নজরুল লিখেছেন-

রিমঝিম রিমঝিম ঘন দেয়া বরষে

 

 

কাজরি নাচিয়া চল, পুর-নারী হরষে

কদম তমাল ডালে দোলনা দোলে

কুহু পাপিয়া ময়ূর বোলে,

মনের বনের মুকুল খোলে

নট-শ্যাম সুন্দর মেঘ পরশে...।


বর্ষায় নিজের চিত্তচাঞ্চল্যের কথা জানিয়ে রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন-

মন মোর মেঘের সঙ্গী,

উড়ে চলে দিগ্ দিগন্তের পানে

নিঃসীম শূন্যে শ্রাবণবর্ষণ সঙ্গীতে

রিমঝিম রিমঝিম রিমঝিম...।

রিমঝিম এ বৃষ্টিতে ভেজার আনন্দে কাটে বাঙালীর শৈশব। স্কুলে যেতে যেতে কিংবা ফেরার পথে দুরন্ত কিশোরী আনন্দে গায়ে মাখে বৃষ্টির ফোঁটা।  তুমুল বৃষ্টিতে গাঁয়ের ছেলেরা নেমে পড়ে ফুটবল নিয়ে। বর্ষার এই রূপ কখনো কি ভোলা যায়? বর্ষার সবই উপভোগ্য। আবার ভারি বর্ষণে, পাহাড়ী ঢলে গ্রামের পর গ্রাম যে ভাসিয়ে নেয় সেও বর্ষা! বন্যাকবলিত নিচু এলাকার মানুষ তাই আতঙ্কে পার করে বর্ষা। একই কারণে সারা বছরের অর্জন ফসল তলিয়ে যায়। শিলাবৃষ্টিতে নষ্ট হয়।

সুখ স্মৃতিগুলো মনে রেখেই প্রতিবছর বর্ষাকে বরণ করে নেয় বাঙালী। বিশেষ করে শহরে নগরে হরেক আয়োজনে চলে বর্ষা বন্দনা। প্রতিবারের মতো এবারও রাজধানীতে আজ বর্ষাবরণে নানা আয়োজন রয়েছে। বর্ষার রাগিনীতে বর্ষাকে বরণ করে নেবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, আজ অনেকেই মেতে উঠবেন বর্ষাবরণ উৎসবে।

দেশের নৃতাত্বিক গোষ্ঠীর বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে রয়েছে বর্ষাকে নিয়ে নানা মিথ। আগেই বলেছি হঠাৎ বর্ষা যেমন আনন্দের, তেমনি হঠাৎ বিষাদে ভরিয়ে তোলারও। বন্যা তার ভয়ংকর রূপটির নাম। তবুও বর্ষা বাঙালী জীবনে নতুনের আবাহন। সুজলা, সুফলা, শস্য-শ্যামলা বাঙলা মায়ের নবজন্ম এই বর্ষাতেই। বর্ষার ফেলে যাওয়া অফুরন্ত সম্ভাবনার পলিমাটি থেকেই উন্মেষ ঘটে সারা বছরের খাদ্য-শস্য-বীজের।

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি, ৩ নম্বর সংকেত
                                  
বিশ্ব মানচিত্র অনলাইন ডেস্ক : বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের ফলে দেশের বিভিন্ন স্থানসহ রাজধানীতে বৃষ্টি হচ্ছে। গতকাল বিকালে কোথাও কোথাও বৃষ্টি হলেও গত রাত থেকে একটানা বৃষ্টি হচ্ছে। আজ সোমবারও বৃষ্টি চলবে বলে আবহাওয়ার অধিদপ্তর জানিয়েছে। এর সঙ্গে দমকা হাওয়া ও ভারী বা অতি ভারী বৃষ্টির কথা বলা হয়েছে।
 
নিম্নচাপের ফলে সমুদ্র এলাকায় ৩ নম্বর সংকেত দেখাতে বলা হয়। ওইসব এলাকায় নৌযানগুলোকে নিরাপদ স্থানে নেওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
 

এদিকে সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে- ঢাকা, বরিশাল, ময়মনসিংহ, খুলনা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের অধিকাংশ এলাকা এবং রংপুর ও রাজশাহীর কয়েকটি এলাকায় ঝড়ো হওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

 

পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু সারাদেশে প্রভাব বিস্তার করতে পারে।

 

 

২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে টেকনাফে ১১৭ মিলিমিটার এবং সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাত ১ মিলিমিটার রংপুরে।

 

ভারী বর্ষণ হতে পারে
                                  

পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর অন্ধ্র প্রদেশ এবং দক্ষিণ উড়িষ্যা উপকূলের উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় লঘুচাপের সৃষ্টি হয়েছে। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু বরিশাল, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ পর্যন্ত অগ্রসর হয়েছে।

শনিবার সকাল ৯টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায়, ঢাকা, খুলনা, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

রাজশাহী, পাবনা, নওগাঁ, মাঈজদীকোর্ট, রংপুর, দিনাজপুর ও সৈয়দপুর অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা কিছু কিছু অঞ্চলের ওপর থেকে প্রশমিত হতে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।

শনিবার বিকেল ৬টা পর্যন্ত রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলসমুহের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস আজ
                                  

বিশ্ব মানচিত্র রিপোর্ট : আজ সোমবার বিশ্ব পরিবেশ দিবস। ১৯৭২ সালে জাতিসংঘের মানবিক পরিবেশ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচির (ইউএনইপি) উদ্যোগে প্রতিবছর সারা বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশে ৫ই জুন ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সংগঠন নানা ধরনের কর্মসূচি পালন করছে। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, ‘প্রাণের স্পন্দনে, প্রকৃতির বন্ধনে’ এবং দিবসটি উপলক্ষে এবারের স্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে ‘আমি প্রকৃতির, প্রকৃতি আমার’। দিবসটি উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে পরিবেশ ও বন মন্ত্রলাণয়। পরিবেশ অধিদপ্তর ও বন অধিদপ্তর থেকে স্মরণিকা ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে। দেশের সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে এবং সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আলোচনা, র‌্যালি, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতাসহ নানা কর্মসূচি পালন করা হবে। এদিকে ঢাকা মহানগরীতে ১০০টি সরকারি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিবেশ দিবস উদযাপনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে জেলা তথ্য অফিসের মাধ্যমে পরিবেশ বিষয়ক গণসচেতনতামূলক তথ্য প্রচার করা হবে। এছাড়াও দিবসটি উপলক্ষে ঢাকাসহ প্রতিটি বিভাগ, জেলা ও গুরুত্বপূর্ণ উপজেলায় বৃক্ষমেলার আয়োজন করা হয়েছে। ছাত্র-ছাত্রীদের বৃক্ষ বিষয়ে সচেতনতা তৈরির উদ্দেশে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। ব্যানার, ফেস্টুন, পোস্টার, লিফলেট তৈরি করে মানুষকে গাছ লাগাতে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’, ৭ নম্বর বিপদ সংকেত
                                  

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি গত মধ্যরাতে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টির নামকরণ করা হয়েছে ‘মোরা’। আগামীকাল মঙ্গলবার সকালে এটি চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার উপকূল অতিক্রম করতে পারে। এই পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর ও কক্সবাজার উপকূলকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে ও তৎসংলগ্ন এলাকা থেকে কিছুটা উত্তর দিকে অগ্রসর হচ্ছে। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার ছাড়াও উপকূলীয় জেলা নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং জেলাগুলোর অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ৭ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

এ ছাড়া মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৫ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং জেলাগুলোর অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ৫ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে। ঘূর্ণিঝড় মোরার প্রভাবে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং জেলাগুলোর অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোর নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে চার থেকে পাঁচ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় মোরা উপকূল অতিক্রমের সময় কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর এবং জেলাগুলোর অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোতে অতি ভারী বর্ষণসহ ঘণ্টায় ৬২ থেকে ৮৮ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আজ সোমবার সকাল নয়টায় ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ৫২৫ কিলোমিটার, কক্সবাজার উপকূল থেকে ৪৪৫, মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ৫৮০ ও পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৫১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থান করছিল। ঘূর্ণিঝড়টি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে কাল মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার। এটি দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়ের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত নৌযানগুলোকে অতিসত্বর নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নৌযানগুলোকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

এদিকে আজ সকাল থেকে বরিশালসহ গোটা দক্ষিণাঞ্চলে মেঘলা ও থমথমে আবহাওয়া বিরাজ করছে। রোববার দুপুরে ও রাতে বিভাগের কয়েকটি জেলায় সামান্য বৃষ্টিপাত হলেও বরিশালে হয়নি।

বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি ইমরুল কায়েস আজ সকালে জানান, নিম্নচাপের কারণে বঙ্গোপসাগর কয়েক দিন ধরে কিছুটা উত্তাল ছিল। কিন্তু আজ সকালে তা আরও উত্তাল হওয়ায় সাগরে মাছ ধরা ট্রলারগুলো নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরে আসছে।

সর্বশেষ গত ১৫ এপ্রিল সকালে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি নিম্নচাপ সৃষ্টি হয় এবং পরদিন তা ঘূর্ণিঝড় ‘মারুথা’য় রূপ নেয়। পরে সেটি দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে মিয়ানমার উপকূল অতিক্রম করে।

অবশেষে রাজধানীতে এক পশলা স্বস্তির বৃষ্টি
                                  
বিশ্ব মানচিত্র রিপোর্ট : অবশেষে রাজধানীতে এক পশলা বৃষ্টি হয়ে গেল। আজ রবিবার বেলা ১২টার দিকে এই স্বস্তির বৃষ্টি হয়। বেশ কয়েকদিনের দুর্বিষহ তাপপ্রবাহের পর হঠাৎ বৃষ্টিতে জনজীবনে একটু স্বস্তির ছোঁয়া লাগলো। 

তীব্র তাপদাহের সঙ্গে লোডশেডিং ও ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিল জনজীবন। গত শুক্রবার সকাল থেকে আকাশে মেঘের আনাগোনা থাকলেও ভ্যাপসা গরমে জনজীবন অস্থির হয়ে উঠে। তবে গত শুক্রবার বিকেল থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় জনজীবনে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

আজকের বৃষ্টিপাতের কারণে তাপমাত্রা কমে এসেছে।

 
কাওরান বাজারে আসা ব্যবসায়ী মোস্তাফিজ জানান, কয়েকদিনের টানা গরমে একেবারে অস্থির হয়ে গেছেন। ঢাকার বাইরে থেকে মালামাল নিয়ে তার ঢাকায় আসতে ইচ্ছে করছিল না। তবু জীবীকার জন্য আসতেই হয়। আর এই বৃষ্টিতে হাফ ছেড়ে বাঁচলেন তিনি।
 
তিনি আরও বললেন, এই বৃষ্টির ফলে শীতল বাতাসে রোজা পালন ভাল ভাবেই করা যাবে।
আজ দেশের কোথাও কোথাও বৃষ্টি অথবা বজ্র বৃষ্টি হতে পারে
                                  
বিশ্ব মানচিত্র রিপোর্ট : রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম,সিলেট বিভাগের কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্র বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে দেশের কোথাও কোথাও আজ শনিবার বৃষ্টি অথবা বজ্র বৃষ্টি অথবা শিলা বৃষ্টি হতে পারে বলে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।
 
এছাড়া সারাদেশের দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ৩ ডিগ্রি হ্রাস পেতে পারে। রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে বলে আবহাওয়া অফিস জানায়।
 
ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য স্থানে বহমান তাপমাত্রার প্রবণতা কমতে পারে ।
 
আগামী ৭২ ঘণ্টায় বৃষ্টি অথবা বজ্র বৃষ্টির প্রবণতা বৃদ্ধি পাবে বলে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।
 
 
আজ সকাল ৬টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৯০ শতাংশ।
 
আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬ টা ৪০ মিনিটে ও আগামীকাল ঢাকায় সূর্যোদয় ভোর ৫ টা ১২ মিনিটে।
 

আবহাওয়া চিত্রের সংক্ষিপ্তসারে বলা হয়,দক্ষিণ পূর্ব বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি আরো ঘনীভূত হতে পারে।অপর একটি লঘুচাপ বঙ্গোপসাগরে বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে আবহাওয়া অফিস জানায়।

শনিবারের আগে বৃষ্টির দেখা মিলছে না!
                                  
বিশ্ব মানচিত্র রিপোর্ট : তীব্র তাপ্রপ্রবাহে জনজীবন অতিষ্ট। চারিদিকে বৃষ্টির জন্য হাহাকার পড়ে গেছে। কিন্তু সেই প্রতীক্ষা সহজেই পূরণ হচ্ছে না। বিশেষ করে ঢাকাবাসীকে বৃষ্টির জন্য অপেক্ষা করতে হবে কমপক্ষে শনিবার পর্যন্ত!
 
ঢাকায় মাঝে মাঝে আকাশ মেঘলা হলেও বৃষ্টি হচ্ছে না। এ বিষয়ে জানতে চাইলে আবহাওয়াবিদ আরিফ হোসেন জানান, ঢাকাতে আপাতত বৃষ্টির সম্ভাবনা নাই। দেশের দু’এক জায়গায় সামান্য বৃষ্টিপাত হচ্ছে।
 
তিনি জানান, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেটে একটু বৃষ্টি হয়েছে। তা চাহিদার তুলনায় খুবই নগন্য।
 
দেশে মৌসুমী বায়ুর আগমনের বিষয়ে এই আবহাওয়াবিদ জানান, সাধারণ জুন মাসের শুরুতেই কক্সবাজার দিয়ে দেশে মৌসুমী বায়ু প্রবেশ করে। সেটা সারাদেশ কাভার করতে প্রায় ১৫ জুন পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
তাপপ্রবাহ আরো চারদিন অব্যাহত থাকতে পারে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : দেশের কোথাও কোথাও মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এ অবস্থা আরও চারদিন পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। আবহাওয়াবিদ আফতাব উদ্দিন বাসসকে জানান, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।

রাজশাহী,ঈশ্বরদী,পাবনা ও মাইজদীকোর্ট অঞ্চলসহ কোথাও কোথাও মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তিনি জানান,আবহাওয়ার এ অবস্থায় আগামী দু’তিনদিন বৃষ্টির কোন সম্ভাবনা নেই। গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল যশোর ও খুলনায় ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আজ সকাল ৯ টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার এক পূর্বাভাসে এ কথা বলা হয়।
এতে বলা হয়, রংপুর ,ময়মনসিংহ এবং সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থায় বলা হয়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ বিহার ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে,যা উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

পরবর্তী ৭২ ঘণ্টায় আবহাওয়ার উল্লেখযোগ্য কোন পরিবর্তন নেই। আগামীকাল ঢাকায় সূর্যোদয় ভোর ৫ টা ১৩ মিনিটে এবং আজ সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬ টা ৩৭ মিনিটে।

ঢাকাসহ সারাদেশে তাপমাত্রা অব্যাহত থাকবে
                                  
অনলাইন ডেস্ক : প্রচন্ড গরম ও অসনীয় দাবদায়ে জ্বলছে নগর জীবন। তপ্ত হয়ে উঠেছে রাস্তাঘাট। রোদে খাঁ-খাঁ করছে সড়ক জনপদ। বাইরে বের হলেই মনে হচ্ছে অগ্নিকুন্ড। গরম বাতাস শরীরে বেধছে আগুনের হলকার মত। দুঃসহ গরমে মানুষের পাশাপাশি পশু-পাখিরও হাঁসফাঁস অবস্থা। তবে গ্রীষ্মকালীন এই আবহাওয়ায় তাপের তীব্রতা বেড়েই চলেছে।
 
সিলেট ও ময়মানসিংহ বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্র বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আকাশ মেঘলাসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
 
এছাড়া সারাদেশের দিনের তাপমাত্রা সামান বৃদ্ধি পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে আবহাওয়া অফিস জানায়। ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য স্থানে বহমান তাপমাত্রা অব্যাহত থাকতে পারে বলে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।
 
আজ সকাল ৬টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৮০ শতাংশ। আজ রবিবার ঢাকায় সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬ টা ৩৭ মিনিটে ও আগামীকাল ঢাকায় সূর্যোদয় ভোর ৫ টা ১৩ মিনিটে। আবহাওয়া চিত্রের সংক্ষিপ্তসারে বলা হয়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে যা উত্তর বঙ্গোপসাগর বিস্তৃত রয়েছে। আগামী ৭২ ঘন্টায় আবহাওয়া সামন্য পরিবর্তন হতে পারে।
দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝড়ো হাওয়াসহ বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে
                                  
রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দুই-এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। আজ শনিবার সকাল ৯টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ কথা জানানো হয়েছে।
 
এছাড়া ফরিদপুর, মাদারীপুর, সীতাকুন্ড, রাঙ্গামাটি, মাঈজদীকোর্ট, ফেনী, রাজশাহী, খুলনা, মংলা, সাতক্ষীরা, যশোর, বরিশাল, খেপুপাড়া ও ভোলা অঞ্চলসমুহের উপর দিয়ে মৃদু তাপ প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা প্রশমিত হতে পারে। 
 
আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। 
 
আজ সকাল ৬টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আদ্রতা ছিল ৭৬ শতাংশ। ঢাকায় আজ সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬টা ৩৩ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ভোর ৫টা ১৭ মিনিটে। আগামী ৭২ ঘণ্টায় (৩ দিন) আবহাওয়ার অবস্থা সম্পর্কে জানানো হয়েছে, সামান্য পরিবর্তন হতে পারে। 
 

আবহাওয়া চিত্রের সংক্ষিপ্তসারে বলা হয়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে, যার বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।


   Page 1 of 4
     পরিবেশ
বর্ষায় ভিজে এলো শরৎ
.............................................................................................
দেশের কোথাও কোথাও ভারি বর্ষণ হতে পারে
.............................................................................................
দেশের কোথাও কোথাও ঝড়ো হাওয়াসহ অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে
.............................................................................................
সাগরে নিম্নচাপ, বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা
.............................................................................................
বৃষ্টি চলছে, চলবে
.............................................................................................
আষাঢ়ের প্রথম দিন আজ, এসো নীপবনে
.............................................................................................
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি, ৩ নম্বর সংকেত
.............................................................................................
ভারী বর্ষণ হতে পারে
.............................................................................................
বিশ্ব পরিবেশ দিবস আজ
.............................................................................................
আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’, ৭ নম্বর বিপদ সংকেত
.............................................................................................
অবশেষে রাজধানীতে এক পশলা স্বস্তির বৃষ্টি
.............................................................................................
আজ দেশের কোথাও কোথাও বৃষ্টি অথবা বজ্র বৃষ্টি হতে পারে
.............................................................................................
শনিবারের আগে বৃষ্টির দেখা মিলছে না!
.............................................................................................
তাপপ্রবাহ আরো চারদিন অব্যাহত থাকতে পারে
.............................................................................................
ঢাকাসহ সারাদেশে তাপমাত্রা অব্যাহত থাকবে
.............................................................................................
দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝড়ো হাওয়াসহ বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে
.............................................................................................
নদী-বন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত
.............................................................................................
ভরা ফাল্গুনে বর্ষার ধারা
.............................................................................................
মধ্যরাতে সামান্য বৃষ্টি
.............................................................................................
সৈয়দপুরে বিস্তীর্ণ মাঠ জুড়ে হলুদ রঙের সমারোহ
.............................................................................................
নিম্নচাপ উপকূল অতিক্রম করছে
.............................................................................................
সমুদ্রবন্দরে ৪ নম্বর সংকেত, নিম্নচাপের প্রভাবে বৃষ্টি
.............................................................................................
শরৎ শোভায় পদ্মা সেতু
.............................................................................................
দুনিয়ার যত চিট বন-পরিবেশ মন্ত্রণালয়ে: মঞ্জু
.............................................................................................
সবুজ পৃথিবী লাল হচ্ছে বড় বেশি অত্যাচারে
.............................................................................................
বিশ্ব পরিবেশ দিবসে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের আয়োজন
.............................................................................................
দৈনিক বিশ্ব মানচিত্র পত্রিকার উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি, সভাপতি ও বিশেষ অতিথিদের হাত থেকে সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য সম্মাননা স্মারক গ্রহন করছেন দৈনিক বিশ্ব মানচিত্র পত্রিকার বিশেষ সংবাদদাতা মোঃ সিদ্দিকুর রহমান।
.............................................................................................
৭৫ কিলোমিটার দূরে ‘রোয়ানু’, দুপুরের পর আঘাত হানতে পারে
.............................................................................................
৭৫ কিলোমিটার দূরে ‘রোয়ানু’, দুপুরের পর আঘাত হানতে পারে
.............................................................................................
প্রকৃতি চলে তাহার নিজস্ব নিয়মে
.............................................................................................
বন ও পরিবেশমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর হাইকোর্টে দেয়া খালাসের রায় বহাল
.............................................................................................
বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পাচ্ছে
.............................................................................................
বাল্য বিয়ের হিরীক - ইউপি চেয়ারম্যান নিরব
.............................................................................................
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার অবহেলায় গবাদিপশু মরে ছাব
.............................................................................................
সুন্দরবন পরিদর্শনে এসেছেন ১২টি দেশের পর্যটন মন্ত্রী
.............................................................................................
পটুয়াখালীর দশমনিা উপজেলায় ডাকবাংলো সড়কে বালুর পাহাড় পথচারীদের দূভোর্গ চরমে
.............................................................................................
পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী বাহাদুর শাহ পার্কের পাশেই ডাস্টবিন পরিবেশ বিনষ্ট
.............................................................................................
পটুয়াখালীর (দশমিনা) সড়ক দখল করে ইট বালুর জমজমাট ব্যবস্যা পথচারীদের দূভোর্গ চরমে
.............................................................................................
মৌসুমি বায়ু ও সাগরে লঘুচাপ রাজধানীতে আজ সকাল থেকে হঠাৎ বৃষ্টি
.............................................................................................
পরিবেশ সংরক্ষনে বাঘ শিকারের সাজা মৃত্যুদণ্ড করার দাবি
.............................................................................................
উত্তর বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের কারনে সমুদ্র বন্দরসমূহে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত
.............................................................................................
যমুনার ব্যাপক ভাঙনে বিলীন সহস্রাধিক স্থাপনা
.............................................................................................
খুলনার ভদ্রা নদীতে মিশে যাচ্ছে, ঘরবাড়ি জমি- আতঙ্কে মানুষ
.............................................................................................
পটুয়াখালীর দশমিনায়, তেঁতুলিয়া নদীতে চলছে মা ইলিশ ধরার ধুম
.............................................................................................
পৃথিবী থেকে প্রায় বিলুপ্ত- তালিপাম গাছ
.............................................................................................
নদী ভাঙ্গনে ভিটা মাটি হারা পটুয়াখালীর (দশমিনা) উপজেলার মানুষের হাহাকার
.............................................................................................
জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় বাংলাদেশকে সহায়তা করছে জার্মানি ও ফ্রান্স।
.............................................................................................
নদী ভাঙ্গনের কবলে বিলীন হয়ে যাচ্ছে পটুয়াখালীর দশমিনার - হাজির হাট লঞ্চ ঘাট
.............................................................................................
রাজধানীর খিলখেত রেললাইনের ওপর বেআইনী ভাসমান বাজার স্থাপনা
.............................................................................................
সামান্য নয় মিলিমিটার বৃষ্টিতেই রাজধানীর দুঃসহ যানজট
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: মো: হাবিবুর রহমান সিরাজ
আইন উপদেষ্টা : অ্যাড. কাজী নজিব উল্লাহ্ হিরু
সম্পাদক ও প্রকাশক : অ্যাডভোকেট মো: রাসেদ উদ্দিন
সহকারি সম্পাদক : বিশ্বজিৎ পাল
যুগ্ন সম্পাদক : মো: কামরুল হাসান রিপন
নির্বাহী সম্পাদক: মো: সিরাজুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : সাগর আহমেদ শাহীন

সম্পাদক কর্তৃক বি এস প্রিন্টিং প্রেস ৫২ / ২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, সূত্রাপুর ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৯৯ মতিঝিল , করিম চেম্বার ৭ম তলা , রুম নং-৭০২ , ঢাকা থেকে প্রকাশিত ।
মোবাইল: ০১৭২৬-৮৯৬২৮৯, ০১৬৮৪-২৯৪০৮০ Web: www.dailybishowmanchitra.com
Email: news@dailybishowmanchitra.com, rashedcprs@yahoo.com
    2015 @ All Right Reserved By dailybishowmanchitra.com

Developed By: Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD