|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   জীবনশৈলী -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
যা খেলে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ে

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের এই সময়ে নানা ধরনের ভিটামিন-মিনারেল বড়ি খাওয়ার হিড়িক পড়েছে। কিন্তু গবেষকেরা বলছেন, এমন কোনো জাদুকরি খাবার বা বড়ি নেই, যা খেলে করোনার সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। সামাজিক দূরত্ব, বারবার হাত ধোয়া আর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাই এ ক্ষেত্রে মূলমন্ত্র। তবে এটাও ঠিক যে, সঠিক সুষম ও পুষ্টিকর খাবার যেকোনো রোগ, বিশেষ করে সংক্রামক রোগের সঙ্গে লড়াই করার শক্তি জোগায়।

• বিজ্ঞানীরা আগে থেকেই নানা ধরনের ফ্লু আর নিউমোনিয়ার সঙ্গে লড়ার জন্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে আসছেন। ভিটামিন সি, ডি, ই এবং খনিজের মধ্যে জিংক, সেলেনিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম শরীরের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থার বিভিন্ন পর্যায়ে কাজে লাগে। তার মানে এই নয় যে এগুলোর সাপ্লিমেন্ট খেলে আপনি নিরাপদ থাকবেন।

• তবে গবেষকেরা এ-ও বলছেন, সাপ্লিমেন্ট বা বড়ির বদলে এই মুহূর্তে বাড়িতে স্বাস্থ্যকর ভিটামিন, খনিজসমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত সবার। তাই বলে কোনো কিছুই অতিরিক্ত খাওয়া চলবে না।  

• বয়োবৃদ্ধ, রোগী, হজমের গোলমাল রয়েছে কিংবা কিডনি জটিলতা আছে, এমন ব্যক্তিরা ভিটামিন বা মিনারেল সাপ্লিমেন্ট খেতে পারেন। যারা এ মুহূর্তে ঘরবন্দী এবং ঘরে রোদ পান না, তাঁরা ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট খেতে পারেন।

এবার জেনে নেওয়া যাক, কোন খাবারে কোন ভিটামিন ও খনিজ উপাদান পাওয়া যায়।

ভিটামিন এ এবং বিটা ক্যারোটিন: মিষ্টিকুমড়া, স্কোয়াশ, গাজর, মিষ্টি আলু, পাতাওলা শাক এবং আম।

ভিটামিন সি: সাইট্রাস ফল (লেবু বা টকজাতীয় ফল), স্ট্রবেরি, ক্যাপসিকাম, কাঁচা মরিচ, টমেটো।

ভিটামিন ই: উদ্ভিজ্জ তেল, বাদাম, শস্যজাতীয় খাবার।

সেলেনিয়াম: ডিম, মাশরুম, পালংশাক, মুরগির মাংস।

ভিটামিন ডি: কলিজা, ডিমের কুসুম, দুধ ও দুগ্ধজাতীয় খাবার, যেমন দই। এ ছাড়া সামুদ্রিক মাছ, যেমন স্যামন, টুনা, সার্ডিন মাছেও ভিটামিন ডি রয়েছে। সূর্যরশ্মিতে শরীরে প্রাকৃতিকভাবে ভিটামিন ডি তৈরি হয়। তাই ঘরবন্দী থাকলেও বারান্দায় বা উঠোনে গিয়ে ত্বকে রোদ লাগানোর চেষ্টা করুন।

যা খেলে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ে
                                  

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের এই সময়ে নানা ধরনের ভিটামিন-মিনারেল বড়ি খাওয়ার হিড়িক পড়েছে। কিন্তু গবেষকেরা বলছেন, এমন কোনো জাদুকরি খাবার বা বড়ি নেই, যা খেলে করোনার সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। সামাজিক দূরত্ব, বারবার হাত ধোয়া আর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাই এ ক্ষেত্রে মূলমন্ত্র। তবে এটাও ঠিক যে, সঠিক সুষম ও পুষ্টিকর খাবার যেকোনো রোগ, বিশেষ করে সংক্রামক রোগের সঙ্গে লড়াই করার শক্তি জোগায়।

• বিজ্ঞানীরা আগে থেকেই নানা ধরনের ফ্লু আর নিউমোনিয়ার সঙ্গে লড়ার জন্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে আসছেন। ভিটামিন সি, ডি, ই এবং খনিজের মধ্যে জিংক, সেলেনিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম শরীরের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থার বিভিন্ন পর্যায়ে কাজে লাগে। তার মানে এই নয় যে এগুলোর সাপ্লিমেন্ট খেলে আপনি নিরাপদ থাকবেন।

• তবে গবেষকেরা এ-ও বলছেন, সাপ্লিমেন্ট বা বড়ির বদলে এই মুহূর্তে বাড়িতে স্বাস্থ্যকর ভিটামিন, খনিজসমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত সবার। তাই বলে কোনো কিছুই অতিরিক্ত খাওয়া চলবে না।  

• বয়োবৃদ্ধ, রোগী, হজমের গোলমাল রয়েছে কিংবা কিডনি জটিলতা আছে, এমন ব্যক্তিরা ভিটামিন বা মিনারেল সাপ্লিমেন্ট খেতে পারেন। যারা এ মুহূর্তে ঘরবন্দী এবং ঘরে রোদ পান না, তাঁরা ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট খেতে পারেন।

এবার জেনে নেওয়া যাক, কোন খাবারে কোন ভিটামিন ও খনিজ উপাদান পাওয়া যায়।

ভিটামিন এ এবং বিটা ক্যারোটিন: মিষ্টিকুমড়া, স্কোয়াশ, গাজর, মিষ্টি আলু, পাতাওলা শাক এবং আম।

ভিটামিন সি: সাইট্রাস ফল (লেবু বা টকজাতীয় ফল), স্ট্রবেরি, ক্যাপসিকাম, কাঁচা মরিচ, টমেটো।

ভিটামিন ই: উদ্ভিজ্জ তেল, বাদাম, শস্যজাতীয় খাবার।

সেলেনিয়াম: ডিম, মাশরুম, পালংশাক, মুরগির মাংস।

ভিটামিন ডি: কলিজা, ডিমের কুসুম, দুধ ও দুগ্ধজাতীয় খাবার, যেমন দই। এ ছাড়া সামুদ্রিক মাছ, যেমন স্যামন, টুনা, সার্ডিন মাছেও ভিটামিন ডি রয়েছে। সূর্যরশ্মিতে শরীরে প্রাকৃতিকভাবে ভিটামিন ডি তৈরি হয়। তাই ঘরবন্দী থাকলেও বারান্দায় বা উঠোনে গিয়ে ত্বকে রোদ লাগানোর চেষ্টা করুন।

করোনার ঝুঁকি কমাতে ডায়াবেটিস রোগীরা যা করবেন
                                  

সারা পৃথিবী করোনাভাইরাসের মহামারিতে আক্রান্ত। করোনা সংক্রমণের ৮০ শতাংশই মৃদু বা মাইল্ড ধরনের, যা এমনিতেই সেরে যায়। ১৫ শতাংশ তীব্র বা সিভিয়ার ধরনের হতে পারে, যেখানে অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়। আর ৫ শতাংশ ক্রিটিক্যাল, যেখানে ভেন্টিলেটর দরকার হতে পারে, এমনকি রেসপিরেটরি ফেইলিউর হয়ে মৃত্যুও হতে পারে।

করোনা সংক্রমণে যাঁরা বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ, তাঁরা হলেন ডায়াবেটিস রোগী, হার্ট ফেইলিউরের রোগী, কিডনি ফেইলিউরের রোগী, হাঁপানি বা ক্রনিক ব্রংকাইটিসের রোগী। এ ছাড়া আছেন যাঁদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কম, যেমন কেমোথেরাপি নেওয়া রোগী ইত্যাদি।

ডায়াবেটিস রোগীরা কেন ঝুঁকিতে
আমাদের দেশে ডায়াবেটিসের রোগীর সংখ্যা অনেক। বিশেষ করে বয়স্ক ব্যক্তিদের অনেকেরই ডায়াবেটিস আছে। তার ওপর আমাদের ডায়াবেটিসের রোগীদের একটি বিরাট অংশের রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণের বাইরে। ডায়াবেটিসের কারণে রোগীদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে যায়। যেকোনো জীবাণুর সঙ্গে লড়াই করার সক্ষমতা হ্রাস পায়। আবার ডায়াবেটিসের রোগীদের একই সঙ্গে কিডনি জটিলতা, হৃদ্‌রোগ ইত্যাদি থাকে। ডায়াবেটিস রোগীদের বড় ধরনের ঝুঁকি আছে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার ক্ষেত্রে।

ডায়াবেটিস রোগীদের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের মাত্রা (এইচবিএওয়ানসি) এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যাঁর ডায়াবেটিসের নিয়ন্ত্রণ যত খারাপ (এইচবিএওয়ানসি যত বেশি), তাঁর ঝুঁকি তত বেশি। বাংলাদেশের প্রায় ৮০ শতাংশ ডায়াবেটিসের রোগীর রক্তের শর্করা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি। রক্তে এইচবিএওয়ানসির মাত্রা ৭ শতাংশের বেশি হওয়া মানে অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে ডায়াবেটিসের রোগীদের একটু বেশি সচেতন হওয়া জরুরি।

করোনাভাইরাস মহামারিতে ডায়াবেটিস রোগীর করণীয়

১. করোনাভাইরাস সংক্রমণের সামান্যতম লক্ষণ দেখা দিলেও (যেমন, জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি) সরকার নির্দেশিত কেন্দ্রগুলোতে রোগ শনাক্তকরণ ও পরবর্তী সেবার জন্য দ্রুত সাহায্য নিতে হবে। ব্যক্তিগত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে যত দ্রুত সম্ভব।

২. বর্তমান পরিস্থিতিতে বিন্দুমাত্র কালক্ষেপণ না করে রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে আনার সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে ইনসুলিন শুরু করতে হবে। ইনসুলিন দ্রুততম সময়ের মধ্যে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সক্ষম। খালি পেটে শর্করা ৬ মিলিমোলের কম আর খাবার দুই ঘণ্টা পরে ৮ মিলিমোলের কম মাত্রায় নিয়ে আসতে হবে।

৩. যদি উপসর্গ দেখা দেয়, করোনা নিশ্চিত না হলেও, নিজেকে আলাদা করতে হবে। অর্থাৎ কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। শরীর বেশি খারাপ না হলে হাসপাতালে না যাওয়াই ভালো। তবে চিকিৎসকের সঙ্গে বা সেবাকেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখতে হবে, যাতে প্রয়োজনে চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায় দ্রুত।

৪. এই সময়, যাঁদের বয়স ৬০ বছরের বেশি এবং যাঁদের ডায়াবেটিস আছে, তাঁরা নিজেরা কোয়ারেন্টিনে থাকুন। বাজার, শপিং মল, জনবহুল জায়গা, সামাজিক অনুষ্ঠান এড়িয়ে চলতে হবে। বাড়িতে থেকে করোনা প্রতিরোধের নির্দেশগুলো মেনে চলতে হবে। বাইরের কারও সঙ্গে হাত মেলানো যাবে না, কোলাকুলি করা যাবে না। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে যে কারও থেকে অন্তত তিন ফুট দূরত্বে থাকতে হবে।

৫. এ সময় পার্কে বা বাইরে হাঁটতে যাওয়ার দরকার নেই। শর্করা নিয়ন্ত্রণে বাড়িতে, বারান্দায় বা করিডরে হাঁটতে হবে এবং হালকা ব্যায়াম করতে হবে।

৬. কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধোয়াসহ ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে। টাকাপয়সা, খবরের কাগজ, পার্সেল ইত্যাদি জিনিস স্পর্শ করলে হাত ধুয়ে নিতে হবে। কাপড় লন্ড্রিতে ইস্ত্রি করতে না দিয়ে বাড়িতেই ধুয়ে পরতে হবে।

৭. বাড়িতে কেউ অসুস্থ হলে প্রথমেই বয়স্ক আর ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিকে আলাদা করে ফেলতে হবে।

৮. বাইরে থেকে আনা কোনো খাবার না খাওয়া ভালো হবে।

হৃদরোগ প্রতিরোধ করবে যে সবজি
                                  

হৃদরোগ একটি ঘরোয়া রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সারা বিশ্বে এই রোগে অনেক মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। তবে এই রোগ থেকে বাঁচতে হলে সবার আগে সচেতন হতে হবে। মেনে চলতে হবে অনেক বিষয়।

তবে কিছু খাবার আছে যা খেলে এই রোগ প্রতিরোধ করা যায়। মাশরুম হচ্ছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের ভালো উৎস। এছাড়া বি ভিটামিন, কপার, পটাশিয়াম, আয়রন, কার্বোহাইড্রেট, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, জিঙ্কসহ আরও নানা ধরনের পুষ্টি উপাদানে ভরপুর এই সবজি। খেতেও সুস্বাদু মাশরুম।

আসুন জেনে নেই মাশরুম খেলে যেসব উপকার-

১. মাশরুমে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ক্যান্সারের মতো রোগ থেকে দূরে রাখে।

২. উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে মাশরুম খুব ভালো কাজ করে।

৩. মাশরুমে রয়েছে চর্বিহীন প্রোটিন যা শরীরের ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল দূর করে। আর মাশরুমে থাকা ফাইবার নিয়ন্ত্রণ করে কোলেস্টেরলের মাত্রা।

৪. মাশরুম পটাশিয়ামের উৎস যা হার্ট সুস্থ রাখে।

৫. মাশরুম টাইপ ২ ডায়াবেটিকের ঝুঁকি কমায়।

৬. মাশরুমে থাকা ভিটামিন ডি সুস্থ রাখে শরীর।

৭. রক্তশূন্যতা দূর করে মাশরুম।

হাত জীবাণু মুক্ত রাখার ৫ উপায়
                                  

সুস্থ থাকতে ব্যাক্টেরিয়া ও জীবাণু থেকে বাঁচাতে হাত জীবাণুমুক্ত রাখতে হবে। আর বিভিন্ন রোগ থেকে দূরে থাকতে ভালোভাবে হাত পরিষ্কার করা উচিত।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, হাত ধোয়ার সময় সাবান অথবা হ্যান্ডওয়াশ ব্যবহার করতে হবে। আর দুই হাত একসঙ্গে কমপক্ষে ৩০ সেকেন্ড ঘষে ধুতে হবে। হাত জীবাণুমুক্ত করার বিষয়ে জীবনযাপনবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের ‘দ্য সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি)’ কিছু নিয়ম জানানো হয়েছে। সেখানে হাত ধোয়ার পাঁচটি ধাপ অনুসরণ করার পরামর্শ দেয়া হয়।

ধাপ-১: পরিষ্কার ও গতিশীল পানিতে হাত ভিজিয়ে নিতে হবে।

ধাপ-২: সাবান অথবা এক ফোঁটা হ্যান্ডওয়াশ নিয়ে দুই হাত একসঙ্গে ঘষে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে।

ধাপ-৩: এক হাতের তালু দিয়ে আরেক হাতের ওপরের অংশ ও আঙুলের ভেতরের অংশ এমনকি নখের ভেতরের অংশও পরিষ্কার করতে হবে।

ধাপ-৪: হাত ৩০ সেকেন্ড ধরে ঘষুন।

ধাপ-৫: হাত ঘষার পর পানিতে ধুয়ে নিন এবং পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে মুছে নিন।

যে সবজি পেটের অতিরিক্ত চর্বি কমাবে
                                  

পেটের চর্বি কমাতে অনেক কিছুই করে থাকেন আপনি। কারণ পেটের অতিরিক্ত চর্বি বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই পেটে অতিরিক্ত চর্বি থাকলে তা কমিয়ে ফেলতে হবে।

যেভাবে কপি অতিরিক্ত চর্বি কমায়-

‘ক্রুসিফেরাস’ প্রজাতির সবজি যেমন- বাঁধাকপি, ফুলকপি, ‘কেইল’, ‘ব্রাসেলস স্প্রাউটস’ ইত্যাদি সবজি পেটের অতিরিক্ত চর্বি কমায়। এসব সবজিতে থাকা প্রাকৃতিক উপাদান ‘নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজের (এনএএফএলডি)’ সমস্যা সমাধানে ভালো কাজ করে। এমনি তথ্য জানা গেছে একটি গবেষণা থেকে।

‘হেপাটোলজি’ শীর্ষক জার্নালে প্রকাশিত এ গবেষণায় বলা হয়, এসব সবজিতে থাকা উপাদানটির নাম ‘ইনডোল’, যা চর্বিযুক্ত যকৃতের বিভিন্ন সমস্যা দূর করে।

গবেষণার প্রধান গবেষক, যুক্তরাষ্ট্রের ‘টেক্সাস অ্যান্ড এম অ্যাগ্রিলাইফ রিসার্চ’য়ের ‘ফ্যাকাল্টি ফেলো’ চাওডং য়ু বলেন, গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, যেসব স্বাস্থ্যকর খাবারে প্রচুর পরিমাণে ‘ইনডোল’ থাকে সেগুলো ‘এনএএফএলডি’ প্রতিরোধে ও যাদের এই সমস্যা আছে তাদের সুস্বাস্থ্যের জন্য ভালো।

তিনি বলেন, খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমে যে বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিষেধন করা যায়। আর স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করা যায় তার আরেকটি উদাহরণ আমাদের এ গবেষণা।

যকৃতের পেশির ভেতরে চর্বি ছড়িয়ে পড়লে ‘এনএএফএলডি’ দেখা দেয়। অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, পুষ্টির অভাব, ‘স্যাচুরেইটেড ফ্যাট’য়ের মাত্রা বেশি হলে পেটের চর্বি বেড়ে যায়।

আর সঠিক চিকিৎসা করা না হলে এই সমস্যা ডেকে আনতে পারে প্রাণঘাতী যকৃতের রোগ যেমন ‘সিরোসিস’ কিংবা ‘লিভার ক্যান্সার’। ‘এনএএফএলডি’য়ের পেছনে একাধিক কারণ কাজ করে। যাদের পেটে অতিরিক্ত চর্বির সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য এসব সবজি খাওয়া উপকার।

গবেষণায় মানুষ, পশু ও উভয়ের কোষের ওপর পরীক্ষা চালিয়ে যকৃতের প্রদাহে ‘ইনডোল’য়ের প্রভাব পর্যবেক্ষণ করা হয়।এর জন্য ১৩৭ জন চীনা নাগরিকের ওপর গবেষণা চালানো হয়।

গবেষণায় দেখা যায়, যাদের ‘বডি ম্যাস ইনডেক্স’য়ের মাত্রা বেশি, তাদের রক্তে ‘ইনডোল’য়ের মাত্রা থাকে কম। “শরীরের প্রতিটি কোষের ওপর ‘ইনডোল’য়ের প্রভাব নিয়েও কাজ করেন গবেষকরা।

টেক্সাস অ্যান্ড এম হেলথ সায়েন্স সেন্টার’য়ের অধ্যাপক শ্যানন গ্লেসার বলেন, সবজিতে থাকা এসব উপাদান যকৃতে কোষের চর্বি কমানোর পাশাপাশি অন্ত্রের কোষকে প্রভাবিত করে। এই উপাদান অন্ত্রের প্রদাহ সারাতে সহায়তা করে।

সততায় ইতালিতে আলোড়ন সৃষ্টি করলেন বাংলাদেশি শাওন
                                  

ইতালিতে কুড়িয়ে পাওয়া কয়েকটি ক্রেডিট কার্ড, ২৫০ ইউরো (বাংলায় প্রায় ২৫ হাজার টাকা) ফেরত দিলেন বাংলাদেশি যুবক শাওন। তার এই সততার দৃষ্টান্ত ভাইরাল হলে ইতালিজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয় এবং বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেন তিনি।

জানা যায়, খবর পেয়ে হারিয়ে যাওয়া মানিব্যাগের মালিক ইতালি নাগরিক এসে নগদ অর্থ ও ক্রেডিট কার্ড বুঝে নেন। পরে তিনি শাওনকে পুরস্কার হিসেবে কিছু দিতে চাইলে তিনি তাৎক্ষণিক নাকচ করে দেন।

এতে মানিব্যাগের মালিক খুশি হয়ে তাকে জড়িয়ে ধরেন।

স্থানীয় গণমাধ্যম জানায়, ২২ বছর বয়সী শাওন ইতালিতে থাকার আশ্রয় চেয়েছেন স্থায়ীভাবে। তার দেশের বাড়ি মাদারীপুর। তার এই সততার দৃষ্টান্ত ভাইরাল হলে ইতালিজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়।
যেসব ছবি ভুলেও দেবেন না ফেসবুকে
                                  

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক এখন খুবই জনপ্রিয়। তবে ফেসবুকে এমন কোনো ছবি পোস্ট করা উচিত নয়, যা থেকে হতে পারে বিপদ। আর ফেসবুকে এমন কিছু দেয়া ঠিক নয়, যা সঙ্গীর বিরক্তির কারণ হতে পারে।

ফেসবুকে ছবি পোস্ট দেয়ার পর আপনার পরিচিতরা অনেক প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করবেন, যা শুনে আপনি বিব্রত হবেন। এ সময় সঙ্গে সঙ্গে হয়তো তাকে জানিয়েছে ‘পোস্ট’টা সরিয়ে নিতে।

একইভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনার দেয়া কোনো বিষয় যাতে অন্যের জন্য বিব্রতকর না হয়, সেদিকেও নজর রাখা উচিত। জীবনযাপনবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের সম্পর্ক ও অন্যান্য ব্যক্তিগত বিষয় উন্মুক্ত করে দেয়ার আগে কী কী বিষয় মাথায় রাখা উচিত সে সম্পর্কে একটা ধারণা এখানে দেয়া হলো।

১. শোবারঘর সবার জন্যই একান্ত ব্যক্তিগত। তাই শোবারঘরে তোলা ছবি বা সঙ্গীর ঘুমন্ত ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করবেন না।

২. আপনার সঙ্গীর সুপার হিরোদের প্রতি আগ্রহ থাকতে পারে। তবে আপনি যদি এসব জিনিসের ছবি পোস্ট করেন, তা হলে তা তার কাছে বিরক্তিকর বিষয় হিসেবে প্রকাশ পাবে।

৩. সঙ্গীর কাছ থেকে পাওয়া সব উপহারের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করবেন না। সঙ্গী আপনাকে কতটা ভালোবাসে বা যত্ন নেয় তা গোটা পৃথিবীকে জানাতে চাচ্ছেন। জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা যেমন- বাগদান, বিয়ে ইত্যাদি বিষয়গূলো অবশ্যই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করতে পারেন। তবে সব কিছু নিয়েই খুব বেশি বাড়াবাড়ি করার প্রয়োজন নেই।

৪. আপনি যদি সঙ্গীর কোনো বিষয়ে বিরক্ত থাকেন অথবা ও কোনো কারণে মনক্ষুণ্ন হন তা হলে সে বিষয়ে তার সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

এন্ড্রু কিশোরের চিকিৎসা টাকার জন্য আটকে যাবে?
                                  

‘এন্ড্রু কিশোর দাদার জন্য তাঁর অনুমতি নিয়ে অনেকের কাছে গিয়েছি। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। কিন্তু তা প্রয়োজনের তুলনায় একেবারেই কম। যা-ই পাচ্ছি, তা দিয়েই দাদার চিকিৎসা হচ্ছে। চিকিৎসা অব্যাহত রাখার জন্য এখনো অনেক টাকা প্রয়োজন। কিন্তু তা কীভাবে জোগাড় হবে? কোনো উপায় খুঁজে পাচ্ছি না। এ পরিস্থিতি চলতে থাকলে দাদার চিকিৎসা আটকে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।’ বললেন মোমিন বিশ্বাস। এন্ড্রু কিশোরের চিকিৎসার জন্য অর্থ সংগ্রহের সার্বিক তত্ত্বাবধান করছেন তিনি।

এন্ড্রু কিশোর এখন ক্যানসারে আক্রান্ত। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন। ব্যয়বহুল এই চিকিৎসা চালানোর জন্য গত অক্টোবর মাসের শেষ দিকে নিজের একটি ফ্ল্যাট বিক্রি করেছেন। তাঁর চিকিৎসায় সহযোগিতা করার জন্য এরই মধ্যে কয়েকজন শিল্পী ও প্রতিষ্ঠান এগিয়ে এসেছে। সেই অর্থ দিয়েই এত দিন এন্ড্রু কিশোরের চিকিৎসা হয়েছে।

গত কয়েক দিন দেশের বিভিন্ন পত্রিকা ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে বলা হয়েছে, এন্ড্রু কিশোরের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। এ ব্যাপারে মোমিন বিশ্বাস বলেন, ‘ছয়–সাত দিন যাবৎ দাদার শরীরটা ভালো যাচ্ছে না। গত পাঁচ দিন তিনি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। প্রতিদিনই তাঁকে হাসপাতালে যেতে হয়। এর আগে কেমোথেরাপি নিয়ে বাসায় চলে যেতেন। বুস্টার দেওয়াসহ অন্যান্য পরীক্ষার জন্য বাসা থেকে হাসপাতালে যান। কিন্তু শারীরিক অবস্থা আশানুরূপ না হওয়ায় এবার আর তাঁকে বাসায় যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি। হাসপাতালে রেখেই প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে গতকাল মঙ্গলবার রাতে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে তিনি বাসায় যান।’

এন্ড্রু কিশোর এখন কেমন আছেন? মোমিন বিশ্বাস বললেন, তাঁর সঙ্গে আজ বুধবার দুপুরে কথা হয়েছে। এখন তিনি বাসায় আছেন। গত কয়েক দিনের তুলনায় একটু ভালো। ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার জন্য তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকসহ বিভিন্নভাবে অনেকেই বিকাশের ব্যক্তিগত নম্বর দিয়ে এন্ড্রু কিশোরের জন্য আর্থিক সহযোগিতা চাচ্ছেন। এন্ড্রু কিশোরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এ ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না, তাঁর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। এ ক্ষেত্রে অনেকেই এভাবে টাকা দিয়ে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন।

গত ২৪ নভেম্বর এন্ড্রু কিশোর প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, এ পর্যায়ের চিকিৎসার জন্য আগামী ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাঁকে সেখানে থাকতে হবে। হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, ৩টি সাইকেলে আরও ১২টি কেমোথেরাপি দেওয়া হবে। তাঁর এই চিকিৎসা সম্পন্ন করার জন্য আরও ২ কোটি ১০ লাখ টাকা প্রয়োজন।

পুলিশ কমিশনার কর্তৃক কদমতলী থানার এস.আই. মো. ইকবাল হোসেনকে পুরস্কার প্রদান
                                  





গত ১২ নভেম্বর বেলা ১১.০০ ঘটিকায়  ডি.এম.পি.’র  মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা  সভায় প্রতারক চক্রকে দক্ষতার সাথে গ্রেপ্তার করায় মাননীয় পুলিশ কমিশনার  মহোদয়  কর্তৃক  বিশেষ পুরস্কার  গ্রহন করছেন কদমতলী  থানার  এস.আই. মো. ইকবাল হোসেন।

যে শহরে যানজট নেই!
                                  

যানজট ঢাকাবাসীর রোজকার দুর্ভোগ। শুধু ঢাকা কেন, নিউইয়র্ক, মেক্সিকো সিটি, মুম্বাইসহ বিশ্বের অনেক শহরেই জীবনযাত্রা থেমে যায় যানজটে। কিন্তু অবিশ্বাস্য শোনালেও সত্য, এমন একটি শহর আছে, যে শহরে নেই কোনো যানজট। শহরটিতে নেই কোনো গাড়ির চাপ, আছে শুধু সারি সারি সাইকেল। শহরটির নাম আসমারা, আফ্রিকার দেশ ইরিত্রিয়ার রাজধানী।

শহরটিতে মানুষের সংখ্যা পাঁচ লাখের কাছাকাছি, যাঁদের বেশির ভাগেরই বেতন খুব কম। উচ্চ আমদানি কর ও জ্বালানি সংকটের কারণে দেশটিতে ইঞ্জিনচালিত যানবাহনের সংখ্যা হাতে গোনা। যে কারণে তাঁদের যাতায়াতের অন্যতম প্রধান বাহন সাইকেল। শিশু থেকে শুরু করে গৃহিণী ও বয়স্ক লোকজন সাইকেলে চলাফেরা করেন। এতে আসমারায় যানজট নেই। যানজটবিহীন রাস্তা, সঙ্গে সুন্দর আবহাওয়া মিলে আসমারা হয়ে উঠেছে সাইকেলচালকদের স্বর্গরাজ্য। আসমারায় সাইকেল তাই নিছক যান নয়, বরং এটি তাদের সংস্কৃতির একটি অংশে পরিণত হয়েছে।

Eprothom Alo

বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, আসমারায় গেলে সবখানে সাইকেল মেরামতের দোকান চোখে পড়বে। অবশ্য ইরিত্রিয়ায় সাইকেলই প্রধান বাহন হয়ে ওঠার একটি ইতিহাস আছে। দীর্ঘ ৩০ বছরের চেষ্টার পরে ইথিওপিয়া থেকে স্বাধীন হয়েছে দেশটি। স্বাধীনতাপ্রাপ্তির পর অনেক দিন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় থেকে বিচ্ছিন্ন ছিল ইরিত্রিয়া। যে কারণে বিদেশ থেকে যানবাহন কিংবা জ্বালানি আমদানি করা দেশটির জন্য ভীষণ ব্যয়বহুল ছিল। বাধ্য হয়েই তাই সাইকেলের দিকে ঝুঁকতে হয়েছে দেশটির নাগরিকদের। এভাবে সাইকেল হয়ে উঠেছে যাতায়াতের প্রধান বাহন।

সব সময় চালাোনার মতো সাধারণ সাইকেল, পাহাড়ে আরোহণ বা প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার মতো সাইকেল—সবই মিলবে আসমারায়। শহরটিতে গণপরিবহন বলতে রয়েছে কিছু পুরোনো বাস। বাসের জন্য অপেক্ষায় থাকতে হয় দীর্ঘ সময়। যে কারণে সাইকেলকেই নিজেদের প্রিয়তম বাহন ভাবেন শহরের বেশির ভাগ বাসিন্দা। ৩০ বছর বয়সী সালাম যেমন বিবিসিকে বলেছেন, ‘বাসগুলো এত পুরোনো আর সংখ্যায়ও এত কম! একটি সাইকেল এখানে আপনার প্রাণ বাঁচাবে।’

সাইকেল ব্যবহারের কারণে শহরটির পরিবেশও বেশ পরিচ্ছন্ন। ইরিত্রিয়া সরকার অনেক দিন ধরেই টেকসই পরিবেশ নিশ্চিতকরণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছে। গাড়ির বদলে সাইকেল ব্যবহারের পাশাপাশি প্লাস্টিকজাত পণ্য উৎপাদন ও ব্যবহার কমিয়ে আনা, বনায়ন ও বন সংরক্ষণ কর্মসূচিসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটির সরকার।

দেশটির সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলাও সাইক্লিং। প্রতিযোগিতামূলক সাইক্লিংয়ে অংশ নেওয়া তাদের জন্য এক প্রকার গর্বের বিষয়। যার প্রমাণ পাওয়া যায় গ্র্যান্ড ট্যুর অব সাইক্লিংসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ইরিত্রিয়া জাতীয় সাইক্লিং দলের সাফল্য দেখলে।

গত বছরের জুলাইতে ইথিওপিয়ার সঙ্গে শান্তি চুক্তির পর ২০ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো দুই দেশের সীমান্ত খুলে গেছে। এতে করে ইথিওপিয়া থেকে সস্তায় পণ্য আমদানির সুযোগ হওয়ায় ইরিত্রিয়ার মানুষের নিত্যদিনের জীবনযাত্রার খরচ অনেকটাই কমেছে। কিন্তু তবুও সাইকেলকে তাঁরা নিজেদের প্রধান যানবাহন বানিয়ে রেখেছেন। সাইকেল যে শুধু আর যানবাহনই নয়, সাইকেল মিশে গেছে তাদের দৈনন্দিন জীবনে!

পূজায় ফ্রেশ লুক
                                  
অনলাইন ডেস্ক : কয়েকদিন পর শুরু হবে শারদীয় দুর্গাপূজা। সবকিছুর সঙ্গে তাল মিলিয়ে পূজার সময় সবাই চায় নিজেকে ফ্রেশ দেখাতে। আর সেজন্য চাই প্রস্তুতি। 
 
তৈলাক্ত ত্বক
গরমে মুখের ত্বক থেকে অতিরিক্ত তেল নিঃসৃত হয়। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ফেসিয়াল বেশ উপকারী। নিমসমৃদ্ধ টোনার ব্যবহার করুন। টোনার দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে শসার নির্যাসযুক্ত ক্রিম লাগান। মুখে অ্যাকনে বেশি থাকলে ম্যাসাজ কম করবেন। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। এবার স্ক্র্যাবের সঙ্গে শসার রস মিশিয়ে ১০ মিনিট ম্যাসাজ করে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। এবার অ্যাকনে জেল মুখে মেখে পাঁচ মিনিট রাখুন। জেল মুছে ওজোন যন্ত্র দিয়ে অ্যাকনের জীবাণু বের করুন। এরপর হালকা ম্যাসাজ করুন। এক কাপ দইয়ে অর্ধেক নিয়ে লেবুর রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে ২০ মিনিট মুখে রেখে ধুয়ে ফেলুন। তৈলাক্ত ত্বক আসলে স্বাস্থ্যকর ত্বক। এই ত্বকে বয়সের ছাপ সহজে বোঝা যায় না। তবে সবসময় তেলতেলে থাকে বলে মেকআপ করতে অসুবিধা হয়। তবে মুখ পরিষ্কার না রাখলে ব্রণ দেখা দেয়। কাজেই রোজ দু বেলা ত্বক পরিচর্যা করবেন। সারা দিনে যতবার সম্ভব মুখ ধোয়া ভালো। মুখে চন্দন বা লেবুযুক্ত সাবানের ফেনা ভালো করে মাখিয়ে নেবেন। প্রথমে হালকা গরম পানিতে মুখ ধুয়ে নেবেন বা বেসন দিয়ে মুখ পরিষ্কার করাও ভালো। ক্লিনজিং মিল্ক ভালো করে মালিশ করে তুলা বা টিস্যু পেপার দিয়ে মুছে নেবেন। সপ্তাহে তিন দিন মুখে ফেস-প্যাক লাগান। ডিমের সাদা অংশ ভালো করে ফেটিয়ে নিয়ে তাতে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে বিশ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখুন। চোখের ওপর ভিজে তুলা চাপা দিয়ে রাখুন যাতে চোখের কোণে এই মিশ্রণ না লাগে। পরে পানির ঝাপটা দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত একবার গরম পানির ভাপ নিন।
 
শুষ্ক ত্বক
শুষ্ক ত্বকের প্রধান সমস্যা হলো আর্দ্রতা ধরে রাখা। তাই সবসময় চেষ্টা করবেন ত্বক হাইড্রেটেড রাখার। শুষ্ক ত্বকের জন্য রোজ ক্লিনজার ব্যবহার করতে না চাইলে বাড়িতেই ডিমের কুসুমের সঙ্গে ১ চা চামচ অলিভ অয়েল, ১ চা চামচ অরেঞ্জ জুস বা কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে ক্লিনজার তৈরি করে নিন। ত্বক স্বাভাবিক হলে সমস্যাও অনেক কম হয়। ত্বকের যত্ন না হলে ত্বকের স্বাস্থ্যহানি ঘটে জটিল সমস্যার  সৃষ্টি হয়।
 
মিশ্র ত্বক
মিশ্র ত্বকে মুখমণ্ডলের কিছু অংশ বেশি তৈলাক্ত হয়। সেজন্য এই জাতীয় ত্বকে কোন অংশ কী রকম তা বুঝে তবেই পরিচর্যা করা ভালো। মোটামুটি স্বাভাবিক ত্বকের মতোই যত্ন নিন। তবে যে অংশগুলো বেশি তৈলাক্ত সেখানে মাঝে মাঝে অ্যাস্ট্রিনজেন্ট লোশন লাগিয়ে নিতে পারেন। তৈলাক্ত অংশে ডিমের সাদা অংশ এবং বাকি অংশে ডিমের কুসুম ও অলিভ অয়েলের ঘরোয়া ফেস-প্যাক ব্যবহার করুন, এটা উপকারী।
সন্তানের সামনে ঝগড়া নয়
                                  

অনলাইন ডেস্ক : দুটো মানুষ যখন এক সঙ্গে দিনযাপন করছে, তখন তাদের মধ্যে মতের অমিল বা ঝগড়া হওয়া খুবই স্বাভাবিক।

বাবা-মার কাছে সন্তানের চেয়ে বড় আর কিছুই হতে পারে না। তাদের ঘিরেই তো সমস্ত পরিকল্পনা সব স্বপ্ন। কিন্তু সন্তানকে মানুষের মতো মানুষ করে তোলা যে চাট্টিখানি কথা নয়! শিশুরা পর্যবেক্ষণ ও বোঝাপড়ায় খুব দক্ষ। বাবা-মা’র কথা এবং কাজ সহজে শিশুদের চরিত্রের ওপর প্রভাব ফেলে থাকে। যদি বাবা-মা শিশুদের অনুভূতির কথা বিবেচনা না করে তাহলে শিশুদের ওপর তার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। সেজন্য প্রত্যেক বাবা-মার উচিত শিশুর সামনে নিজেদের কথা ও কাজের প্রতি খেয়াল রাখা।বাচ্চাদের সামনে বাবা-মা যদি ঝগড়া করে বা অন্যদের সঙ্গে ঝগড়া করে তাহলে বাচ্চারা ভীত হতে পারে। তাই বাচ্চাদের সামনে সবধরনের ঝগড়া-বিবাদ এড়িয়ে চলা উচিত। পরস্পরের ব্যক্তিত্বের সংঘাত, শ্বশুরবাড়ি বনাম বাবার বাড়ি, শ্বশুর-শাশুড়ি, টাকাপয়সা সংক্রান্ত সমস্যা ইত্যাদি কারণে সংসার কখনো কখনো হয়ে ওঠে রণক্ষেত্র। এই ঝগড়া অনেক সময় চলে যায় সীমারেখার বাইরেও।

আপনারা যদি হন মা-বাবা, তখন এই সীমারেখাটা কিন্তু খুব জরুরি হয়ে দাঁড়ায়। কারণ আপনাদের হার-জিতের মাশুল গুনতে হয় আপনার নিস্পাপ কুঁড়িটিকে, যাকে আলো, জল ও সার দিয়ে বড় করে তোলার দায়িত্ব আপনার। বাবা-মায়ের দাম্পত্য অশান্তি অচিরেই সেই কুঁড়িটিকে ঠেলে দেয় অন্ধকারের দিকে।

সন্তানের ওপর প্রভাব
* বাবা-মায়ের রোজকার কলহ, চেঁচামেচি, সমালোচনা, ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ শিশুদের মনে নানারকম প্রভাব ফেলে। তারা অকারণ জেদ করতে থাকে। অনেকসময় অল্পতেই রেগে যায়। চিৎকার করে কথা বলে, কখনো খুব সহজে ভয় পেয়ে যায়।

* তাদের আত্মবিশ্বাস তৈরি হয় না। সেই সঙ্গে উৎকণ্ঠা, ডিপ্রেশনের স্বীকার হয় তারা। স্কুলের পরিবেশেও মানিয়ে নিতে অনেক সময় তাদের অসুবিধা হয়।

* বাবা-মায়ের সম্পর্ক স্বাভাবিক না হলে, শিশুরা ভীষণভাবে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে। খুব অসহায় মনে করে নিজেদের। ঝগড়া দেখে দেখে ক্লান্ত শিশুটি বুঝতেও পারে না, সে কার পক্ষ নেবে। এসব কারণে ছোট থেকেই সে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগতে থাকে। এতে করে ভবিষ্যতেও তার সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যা হতে পারে।

* শিশুরা তার ব্যবহারের প্রথম পাঠ পায় বাবা-মায়ের কাছ থেকেই। পরস্পরের প্রতি অশ্রদ্ধা, অন্যের মতকে গুরুত্ব না দেওয়া, এসব দেখে দেখে যখন সে বড় হয়ে ওঠে তখন ভবিষ্যতে তার ব্যক্তিগত জীবনের আচরণেও সেটার ছাপ থাকে।

* এই তিক্ত পরিবেশে বড় হতে হতে বাবা-মায়ের প্রতি সন্তানের অশ্রদ্ধাও জন্মায়।

আপনার জন্য পরামর্শ
* হতে পারে আপনাদের মধ্যে মতের অনেক অমিল রয়েছে কিংবা হয়তো আপনাদের বেশ মিল। কিন্তু ঝগড়া হলে দুজনের কারোরই কাণ্ডজ্ঞান থাকে না। যতোই রাগ হোক না কেন, সন্তানের মুখ চেয়ে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করুন। অন্যজনের কাছ থেকে সংযত হওয়ার আশা না করে, আগে নিজে শান্ত হন। একজন শান্ত থাকলে, দেখবেন ঝগড়া বন্ধ হয়ে যাবে। কিংবা প্রয়োজনে নিজেদের ঝামেলা সন্তানের আড়ালে অন্য কোথাও বসে মিটিয়ে ফেলুন। কিন্তু কখনোই সন্তানকে বাইরে রেখে দরজা বন্ধ করে ঝগড়া করবেন না।

* বাবা-মায়ের একজন যদি অন্যমনস্ক ভাবেও কোনো একজন সম্পর্কে খারাপ কিছু শেখান, তাহলেও তা সন্তানের আত্মসম্মানবোধ গড়ে উঠতে সমস্যা করবে।

* কাজের চাপ, পরস্পরকে সময় না দেওয়া বা বোঝাপড়ার অভাব ইত্যাদি কারণে স্বামী-স্ত্রী দুজনের মধ্যে কথাবার্তা কম হয়। আর এর কারণে দুজনের ভেতর অশান্তিও বাড়তে থাকে। তাই নিজেদের সম্পর্ক ভালো রাখতে পরস্পরকে সময় দিন।

* আপনাদের মধ্যে ঝগড়া হলে সন্তানকে কোনো একজনের দিকে টানার চেষ্টা বা তার কাছ থেকে সাপোর্ট পাওয়ার চেষ্টা করবেন না। এর ফলে সে অন্যজনের কাছ থেকে মানসিকভাবে দূরে চলে যায়, যা একটা সুন্দর পরিবারের ছন্দপতন ঘটায়।

* যদি আপনাদের পারস্পরিক বোঝাপড়া সম্ভব না হয়, তাহলে সন্তানকে শান্তভাবে তার একটা আভাস দিন। কিন্তু তাকে বিস্তারিত বলতে যাবেন না। সম্পর্ক যে ভালো নেই কিংবা আপনারা তা শোধরানোর চেষ্টা করছেন, শুধু তাকে সেটা বুঝিয়ে দিন। কারণ যদি আপনাদের বিচ্ছেদের পথে হাঁটতে হয়, তাহলে তা যেন সন্তানের কাছে বিরাট আঘাত না হয়ে দাঁড়ায়। সঙ্গে সঙ্গে তাকে এটাও বোঝান যে আপনারা দুজনই তার পাশে আছেন।

* সবসময় মনে রাখবেন, সন্তানকে সুস্থ মনের একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে চাইলে অবশ্যই বাবা-মা দুজনকেই তার পাশে প্রয়োজন। তাই ছোটখাটো অশান্তি, ইগো দূরে সরিয়ে রেখে সন্তানের কথাই ভাবুন। তাতে আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মটি সুস্থ-স্বাভাবিক একজন মানুষ হয়ে সমাজে বেড়ে উঠবে।

ভুনা খিচুড়ির চার পদ
                                  
অনলাইন ডেস্ক : বাদলা দিনে রিমঝিম বৃষ্টিতে ঘরে বসে খিচুড়ি খেতে কার না ভালো লাগে। সময়ের পরিক্রমায় খিচুড়িতে এসেছে রকমফের। নানারকমের খিচুড়ি শুধু রসনাবিলাসীদের তৃপ্তিই মেটায় না, মনে করিয়ে দেয় খাবারে বাঙালিয়ানার ঐতিহ্য। এমনই ৪ রকমের খিচুড়ি নিয়ে এবারের রেসিপি
 
ইলিশ খিচুড়ি
 
উপকরণ :পোলাও চাল ১ কেজি, ইলিশ মাছ ৮ পিস, মুগ ডাল ২০০ গ্রাম, আদা-রসুন বাটা ২ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, কাঁচা মরিচ ৮-৯টি, দারুচিনি ও এলাচ ৮-৯টি, তেল আধা কাপ, ঘি ২ টেবিল চামচ, তেজপাতা ২-৩টা, হলুদ ১ টেবিল চামচ।
 
প্রণালি :প্রথমে চাল ও ডাল ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন। এবার ইলিশ মাছটাকে হালকা ভেজে নিন। এরপর একটি পাত্রে তেলে দারুচিনি, এলাচ ও পেঁয়াজ ভেজে নিন। তাতে আদা-রসুন ও হলুদ দিয়ে ভালো করে কষান। কষানো হয়ে গেলে এবার চাল, ডাল দিয়ে হালকা কষিয়ে নিন। এবার তেজপাতা, কাঁচামরিচ ও পানি মেপে দিয়ে দমে বসিয়ে দিন। একটি পাত্রে অর্ধেক খিচুড়ি বের করে রাখুন। এবার ইলিশ মাছ সাজিয়ে দিন। বাকি খিচুড়ি ইলিশ মাছের উপরে দিয়ে দিন এবং ঘি ছিটিয়ে দিন, কিছুক্ষণ পর গরম গরম পরিবেশন করুন।
 
নবাবি খিচুড়ি
 
উপকরণ :মুগ ডাল ১/২ কাপ, শাহ জিরা ১/৪ চা চামচ, পেঁয়াজ বাটা ১/৪ কাপ, আদা বাটা ১ টেবিল চামচ, গরম পানি আড়াই কাপ, কাঁচা বাদাম ২ টেবিল চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, হিং ১/২ চা চামচ, কিসমিস ১/৪ কাপ, কাঁচামরিচ বাটা ৪/৫টা, চাল ৫০০ গ্রাম, লবণ পরিমাণমতো, গরম মসলা ৮/৯টি, শুকনা মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, তেল বা ঘি কোয়ার্টার কাপ।
 
প্রণালি :মুগ ডাল ও চাল একসাথে পরিষ্কার করে ধুয়ে ১/২ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। পানি বাড়িয়ে নিন। চুলায় পাত্রে তেল দিয়ে গরম মসলা ও আদা, রসুন বাটা, পেঁয়াজ, মরিচ গুঁড়া, কাঁচামরিচ ও জিরা গুঁড়া দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিন। এবার চাল ও ডাল মিশিয়ে দিন। চাল, মসলাসহ ৪-৫ মিনিট ভেজে নিয়ে গরম পানি মেশান। সিদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন। পানি শুকিয়ে এলে দমে বসিয়ে রাখুন। তারপর গরম গরম পরিবেশন করুন।
 
ভুনা খিচুড়ি              
 
উপকরণ :পোলাওয়ের চাল ১ কেজি, মসুর ডাল ২০০ গ্রাম, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, দারুচিনি/এলাচ ৮-৯টি, তেজপাতা ২-৩টি, আদা ও রসুন বাটা ২ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ ৮-৯টি, ঘি আধা কাপ, লবণ পরিমাণমতো, হলুদ গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ।
 
প্রণালি :প্রথমে পোলাওয়ের চাল ও মসুর ডাল একসঙ্গে ধুয়ে ঝাড়িয়ে রাখুন। এবার একটি পাত্রে ঘি দিয়ে তাতে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে কিছুক্ষণ ভাজুন। ভাজা হয়ে গেলে তাতে আদা-রসুন বাটা ও হলুদ দিয়ে কিছুক্ষণ কষান। কষানো হয়ে গেলে চাল ও ডাল দিয়ে কিছুক্ষণ ভাজুন। ভাজা হয়ে গেলে মেপে পানি দিন এবং কাঁচামরিচ ও দারুচিনি, এলাচ, তেজপাতা ও লবণ দিয়ে দমে বসিয়ে দিন। এবার ২ টেবিল চামচ ঘি উপরে দিয়ে দমে রেখে দিন। তারপর গরম গরম পরিবেশন করুন।
 
সবজি মাসালা খিচুড়ি
 
উপকরণ :গাজর, পটল, বরবটি, পেঁপে, চিচিঙ্গা বা আপনার পছন্দমতো সবজি ১ কেজি, পোলাওয়ের চাল ৫০০ গ্রাম, আদা-রসুন বাটা ২ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ ১ কাপ, তেল আধা কাপ, ঘি ১ টেবিল  চামচ, কাঁচামরিচ ৮-৯টি, তেজপাতা ২-৩টি, পৌসের দানা ও জয়ত্রি জয়ফল বাটা ১ চা চামচ, টক দই আধা কাপ।
 
প্রণালি :প্রথমে একটি পাত্রে তেল দিন। এবার পেঁয়াজ, আদা, রসুন দিয়ে কিছুক্ষণ ভাজুন, পৌসের দানা জয়ত্রি জয়ফল বাটা দিয়ে আবার কিছুক্ষণ কষান। কষা হয়ে গেলে সবজিগুলো দিয়ে দিন। তারপর ভাজা ভাজা হয়ে গেলে নামিয়ে রাখুন। এবার একটি পাত্রে ঘি দিন। তেজপাতা, চাল দিয়ে কিছুক্ষণ ভাজুন। এবার পানি মেপে দিয়ে কিছুক্ষণ রান্না করুন। যখন পানি শুকিয়ে আসবে তখন সব সবজি দিয়ে দমে বসিয়ে রাখুন। তারপর উপরে ১ টেবিল চামচ ঘি দিয়ে কিছুক্ষণ দমে রেখে পরিবেশন করুন।
জমে উঠেছে শিশুদের ঈদ বাজার
                                  

ঈদ বেশি আনন্দ দেয় ছোটদের। শিশুদের সব খুশি যেন ঈদের পোশাক ঘিরে। তাই ঈদের কেনাকাটায় তাদের আবদারেরও শেষ নেই। ঈদের পোশাক ঘিরে শিশুদের থাকে নানা জল্পনাকল্পনা। নিজেদের পোশাক নিয়ে উদাসীন থাকলেও অভিভাবকরা সবচেয়ে সুন্দর পোশাকটি কিনে দিতে চান সন্তানকে। ঈদের অনেক আগেই শিশুদের কেনাকাটা সেরে ফেলতে চান অভিভাবকরা। তাই ঈদকে সামনে রেখে এরই মধ্যে জমে উঠেছে শিশুদের ঈদ বাজার।

গতকাল রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি, যমুনা ফিউচার পার্ক, এলিফ্যান্ট রোড, নিউমার্কেট, আড়ং, এলিফ্যান্ট রোড, চাঁদনী চক, গাউছিয়া মার্কেট, মৌচাক মার্কেট, আজিজ সুপার মার্কেট, বনানী, গুলশান, উত্তরার ফ্যাশন হাউসগুলোতে এমন চিত্র দেখা গেছে। এসব মার্কেটের দোকানগুলোতে বড়দের পাশাপাশি শিশুদের নানা রঙ-বেরঙের পোশাকের পসরা সাজিয়েছে দোকানিরা। নিউমার্কেটের ফুটপাত থেকে শুরু করে রাজধানীর অভিজাত শপিংমলগুলোতে শোভা পাচ্ছে ছোট্ট শিশুদের রঙ-বেরঙের পোশাক। সাধ ও সাধ্যের মধ্যে ক্রেতারা ক্রয় করছেন এসব পোশাক।  

এবার মেয়ে শিশুদের জন্য ঘের দেওয়া লম্বা কামিজ যেমন চলছে, তেমনি ছেলে শিশুদের পাঞ্জাবিতে লাইন কাটের ব্যবহার বেশি। শিশুরা সারাদিন জমকালো পোশাক পরে থাকতে পারে না। সেজন্য সুতি, ডেনিম বা জিনসের প্যান্ট, খাটো হাতার শার্ট ও ফতুয়া দেওয়া যেতে পারে। এবার মেয়ে শিশুদের জন্য পার্টি ফ্রক, ঘাগড়া চোলি ও লেগিংসের চাহিদা বেশি দেখা যাচ্ছে। পাশাপাশি সালোয়ার-কামিজও পরতে পারে এবারের ঈদে। কাতান, টিস্যু, মসলিন ও সার্টিনের ব্যবহার ভালো লাগবে পার্টি পোশাকে। এছাড়া সুতির কাপড় তো রয়েছেই।

পোশাকের নকশায় প্রাধান্য পাচ্ছে কারচুপি, এমব্রয়ডারিসহ হাতের কাজ। এছাড়া রয়েছে সিল্ক, মসলিন কাপড়ের পার্টি পোশাক। বাচ্চাদের জন্য বরাবরের মতো এবারও বেছে নেওয়া হয়েছে উজ্জ্বল রং। আড়ং, রঙ, নিত্য উপহার, মেঘ, বরণ, যাত্রাসহ ছোট-বড় সব ফ্যাশন হাউজ ঈদকে সামনে রেখে তাদের নিজেদের ডিজাইন মেলে ধরেছে শিশুদের রঙ-বেরঙের পোশাক দিয়ে।

ঈদ সামনে রেখে আড়ং মেয়ে শিশুদের জন্য এনেছে হাতের জমকালো কাজ করা সালোয়ার কামিজ, ঘাঘড়া চোলি। সালোয়ার ও প্যান্টের কাজে নকশা এবং কাটে দেখা গেছে বৈচিত্র্য। ছেলে শিশুদের পাঞ্জাবিতে কাপড় হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে এন্ডি, সিল্ক, মসলিন ও খাদি।

ছেলে শিশুদের জন্য প্রচলিত চেক ডিজাইনের টি-শার্টের পাশাপাশি বিভিন্ন রং ডিজাইনের টি-শার্ট বিক্রি হচ্ছে শোরুমগুলোতে। গরমে শিশুদের প্রশান্তির কথা ভেবে গেঞ্জি কাপড়ের টপ, টি-শার্ট, প্যান্ট এনেছে বিভিন্ন ব্যান্ড। মেয়ে শিশুদের জন্য সুতির টু-পিস, থ্রি-পিস, ফ্রকের বড় সংগ্রহ এনেছে ফ্যাশন হাউসগুলো। ছোট শিশুদের পছন্দসই জামা কিনতে চাইলে আপনার বাজেট হতে হবে ৫’শ থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। সাধারণ মার্কেটগুলোতে মোটামুটি অল্প দামেই পেয়ে যাবেন শিশুদের ঈদের জামা। কিন্তু একটু অভিজাত বিপণিতে গিয়ে ভিন্ন ধরনের কিছু খুঁজতে চাইলে বেশ ভালোই বাজেট প্রয়োজন হবে।

শাড়িই নারীর পছন্দের শীর্ষে
                                  

‘শাড়ি’ শব্দটি উচ্চারণ মাত্রই বাঙালি রমণীর মুখ উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। শাড়ির প্রতি অনুরাগ নেই, এমন বাঙালি নারী খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। যে কোনো উত্সবে শাড়ি ছাড়া নারীর সাজগোজ যেন অপূর্ণই থেকে যায়। বাঙালি নারীর জীবনে শাড়ি বিশেষ স্থান দখল করে আছে।

পাশ্চাত্যের ছোঁয়া থাকলেও এদেশি নারীদের পছন্দের তালিকায় এখনো শীর্ষে রয়েছে শাড়িই। তাই ঈদের মতো বর্ণিল ও আনন্দময় উত্সব নারীরা নতুন শাড়ি ছাড়া কল্পনাই করতে পারেন না। ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় এবার ঈদেও নারীদের টান শাড়ির দিকে বেশি বলেই মনে করছেন বিক্রেতারা।

গতকাল রাজধানীর বিভিন্ন শপিং মল ও শাড়ির মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে শাড়ির প্রতি নারীর দুর্বলতার চিত্র। দেখলে মনে হবে যেন, মার্কেটগুলোতে শাড়ির দোকানে নারীর মেলা বসেছে। বসুন্ধরা সিটি শপিং মল, বেইলি রোড, রাপা প্লাজা, মেট্রো শপিং মল, প্লাজা এআর, গাউছিয়া, চাঁদনী চক, নিউ মার্কেট, মৌচাক মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, দোকানিরা কটন, সফট কটন, এন্ডি কটন, সিল্ক, হাফ সিল্ক, এন্ডি সিল্ক, মসলিন, জামদানি, কাতান, কাঞ্জিবারাম ও গাদোয়াল শাড়ির পসরা সাজিয়েছেন।

বিক্রেতারা জানান, বাজারে ভারতীয় শাড়ির রমরমা বেচাবিক্রি হলেও দেশি শাড়ির প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ একটুও কমেনি, বরং দিন দিন এ আগ্রহ বাড়ছে।

বসুন্ধরা সিটির লেভেল-৭-এর দেশি দশের নগরদোলা, নিপুণ, কে-ক্র্যাফট, সাদাকালো, অঞ্জনস, প্রবর্তনা, রঙ, দেশাল, বিবিয়ানা ও বাংলার মেলায় পাওয়া যাচ্ছে রকমারি শাড়ি। দাম দুই হাজার ২৯০ থেকে ১৬ হাজার ৯৯০ টাকা পর্যন্ত।

অন্যদিকে বেইলি রোডের শাড়ি বাজারের প্রধান আকর্ষণ টাঙ্গাইল শাড়ি কুটির। প্রায় ২০ ধরনের শাড়ি পাওয়া যায় এখানে। রয়েছে দেশি ফ্যাশন হাউস সাদা কালো, রঙ, অন্যমেলা, কে-ক্র্যাফট, সজনী, রুমঝুম, জেসমিন, উত্সব, এম ক্রাফট, অনন্যা, ঝলক, স্মৃতি শাড়ি কুটির, বধূয়া, বুনন প্রভৃতি। এসব ফ্যাশন হাউসে রয়েছে বৈচিত্র্যময় দেশিয় শাড়ির সম্ভার। বিক্রেতারা বলেন, শাড়ির দাম ক্রেতাদের হাতের নাগালে। স্বল্প আয়ের মানুষ থেকে শুরু করে মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্তের সামর্থ্যের শাড়ি মেলে এখানে। ৫শ’ থেকে শুরু করে ৫০ হাজার টাকার বেশি দামের শাড়িও সোভা পাচ্ছে এখানে। সবচেয়ে বেশি দাম ঢাকাই জামদানি শাড়ির। এছাড়া তাঁত শাড়ি ৫শ’ ৫০ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকা, টাঙ্গাইল সিল্ক প্রিন্ট ১ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা, কারচুপি ৯শ’ থেকে ২ হাজার ৭০০ টাকা, বুটিক ৮শ’ থেকে ৬ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। টাঙ্গাইল সুতি জামদানি ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০, টাঙ্গাইল কাতান ২ হাজার ৮০০ থেকে ৫ হাজার টাকা। মসলিন জামদানি ২ হাজার ৫০০ থেকে ৪ হাজার টাকা, রাজশাহী সিল্ক ১ হাজার ২০০ থেকে ৪ হাজার, হাফ সিল্ক ৬শ’ থেকে ৫ হাজার, মিরপুরের কাতান ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩০ হাজার, ঢাকাই জামদানি ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত।

অন্য দোকানগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে ড্রিম গার্ল সিল্ক, সিঁড়ি কাতান, কোহিনুর সিল্ক, টাঙ্গাইলের মসলিন এবং রাজশাহীর মেগা সিল্ক। এমব্রয়ডারি, ব্লক, হাতের কাজ, স্ক্রিন প্রিন্ট ও কারচুপির কারুকাজ এসব শাড়িতে এনেছে অনন্য সৌন্দর্য্য।

এই গরমে যা খাবেন...
                                  

অনলাইন ডেস্ক : ‘উফ্‌, যা গরম’—এই গরমে কথাটি একবারের জন্যও বলেননি, এমন লোক কমই পাওয়া যাবে। দিনের পর দিন তাপমাত্রার গ্রাফ শুধু ঊর্ধ্বমুখীই হচ্ছে। ভ্যাপসা গরমের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে বৃষ্টি আর ঠান্ডা বাতাসের জন্য হাহাকার।

এমন প্রচণ্ড গরমে কিছু শারীরিক সমস্যাও দেখা দিচ্ছে। পেটের সমস্যা এর অন্যতম। তাই গরমের দিনে একটু বুঝেশুনেই খাওয়াদাওয়া করতে হবে । তিনি বলেন, তেলে বা ঘিয়ে ভাজা খাবার একেবারেই বাদ দেওয়া ভালো। এগুলো হজমে সমস্যা করে। শাকসবজি বেশি করে খেতে হবে। মাংস কম খেয়ে পাতে বেশি করে নিতে হবে মাছ। সকালে খাওয়া যেতে পারে রুটি, সবজির মতো হালকা খাবার। দুপুর ও রাতের খাদ্যতালিকায় খিচুড়ি, পোলাও বাদ দিয়ে সাদা ভাতকে প্রাধান্য দিতে হবে।

কর্মজীবী মানুষের জন্য এই তীব্র গরম বেশ বিড়ম্বনার সৃষ্টি করে। একদিকে চলাফেরার কষ্ট, অন্যদিকে আছে পছন্দসই খাবারের সংস্থান। কর্মজীবীদের অনেকেই ‘স্ট্রিট ফুড’ বা ‘জাংক ফুডের’ ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু রাস্তাঘাটের এসব খাবার খোলা পরিবেশে তৈরি হওয়ায় স্বাস্থ্যঝুঁকি বেশি থাকে। দেখা যায়, সকালে বানানো খাবার বিক্রি হয় রাতেও। এই দীর্ঘ সময়ে পচনশীল এসব খাবারে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হতে পারে। এতে করে খাদ্য পরিপাকেও সমস্যার সৃষ্টি হয়।

একটি গবেষণায় দেখা গেছে, রাস্তার ধারের খাবার যাঁরা বেশি খান, তাঁদের সারা বছরই পেটের পীড়া থাকে। এসব খাদ্যে বিষক্রিয়াও হয়। এ জন্য এসব খাবার এড়িয়ে যাওয়া ভালো। তবে যাঁরা নিরুপায়, তাঁদের গরম খাবার বেছে খেতে হবে। ঠান্ডা, বাসি খাবার খাওয়া বাদ দিতে হবে।

প্রচণ্ড গরমে অবধারিতভাবেই শরীর ঘামে। এতে করে শরীর থেকে প্রয়োজনীয় পানি ও ইলেকট্রোলাইট চলে যায়। ফলে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। পানি ও ইলেকট্রোলাইটের অভাব পূরণ করতে পানীয় পানের বিকল্প নেই। তাই বলে রাস্তার ধারে বিক্রি হওয়া শরবত খাওয়া যাবে না। কারণ, এসব পানির বিশুদ্ধতা নিয়ে যেমন প্রশ্ন আছে, তেমনি শরবত বানানোও হয় অস্বাস্থ্যকরভাবে। এতে করে ভাইরাল হেপাটাইটিসের সংক্রমণ হতে পারে।

যদি সম্ভব হয়, তবে ঘরে ফোটানো বিশুদ্ধ পানি সঙ্গে রাখতে হবে। পরিমিত পরিমাণে স্যালাইনও খাওয়া যেতে পারে। তবে উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস থাকলে বুঝেশুনে স্যালাইন খেতে হবে। বাজারে পাওয়া বিভিন্ন কোম্পানির তৈরি পানীয়র চেয়ে ডাবের পানি, লেবু, বেলসহ বিভিন্ন ফলের শরবত খাওয়া ভালো।


   Page 1 of 7
     জীবনশৈলী
যা খেলে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ে
.............................................................................................
করোনার ঝুঁকি কমাতে ডায়াবেটিস রোগীরা যা করবেন
.............................................................................................
হৃদরোগ প্রতিরোধ করবে যে সবজি
.............................................................................................
হাত জীবাণু মুক্ত রাখার ৫ উপায়
.............................................................................................
যে সবজি পেটের অতিরিক্ত চর্বি কমাবে
.............................................................................................
সততায় ইতালিতে আলোড়ন সৃষ্টি করলেন বাংলাদেশি শাওন
.............................................................................................
যেসব ছবি ভুলেও দেবেন না ফেসবুকে
.............................................................................................
এন্ড্রু কিশোরের চিকিৎসা টাকার জন্য আটকে যাবে?
.............................................................................................
পুলিশ কমিশনার কর্তৃক কদমতলী থানার এস.আই. মো. ইকবাল হোসেনকে পুরস্কার প্রদান
.............................................................................................
যে শহরে যানজট নেই!
.............................................................................................
পূজায় ফ্রেশ লুক
.............................................................................................
সন্তানের সামনে ঝগড়া নয়
.............................................................................................
ভুনা খিচুড়ির চার পদ
.............................................................................................
জমে উঠেছে শিশুদের ঈদ বাজার
.............................................................................................
শাড়িই নারীর পছন্দের শীর্ষে
.............................................................................................
এই গরমে যা খাবেন...
.............................................................................................
আজ বিশ্ব মা দিবস
.............................................................................................
মায়ের কথা বলি...
.............................................................................................
তৈরি করুন নানা স্বাদের হালুয়া
.............................................................................................
হালুয়ায় নতুন স্বাদ
.............................................................................................
গরমে ঠান্ডা পানি কেন খাবেন না
.............................................................................................
বৃষ্টি দিনে বাইরে যেতে
.............................................................................................
এই গরমে কী খাবেন
.............................................................................................
লাল-সাদায় বৈশাখের সাজি
.............................................................................................
পয়লা বৈশাখের খাওয়াদাওয়া
.............................................................................................
এই বৈশাখে চার সাজে
.............................................................................................
চোখের ওপর শসার টুকরা দিলে যা হয়
.............................................................................................
ওষুধে ঘুম নয়
.............................................................................................
আঁটসাঁট জিনস পরলে যে ক্ষতি
.............................................................................................
প্রেমিকের মন খারাপ হলে কী করবেন?
.............................................................................................
বসন্তে এত ভালো লাগে কেন?
.............................................................................................
হঠাৎ বৃষ্টিতে যা খেতে পারেন
.............................................................................................
গরমে শরীর ঠান্ডা রাখবে যেসব খাবার
.............................................................................................
বদ অভ্যাসগুলো ছাড়ুন, নয়তো অকাল মৃত্যু
.............................................................................................
সন্তান জন্মানোর পর স্ত্রীকে বুঝুন
.............................................................................................
যদি দেরিতে বিয়ের পরিকল্পনা থাকে...
.............................................................................................
৮ কারণে চুলে মধু
.............................................................................................
আতপ চালের পায়েস
.............................................................................................
নখের যত্নে
.............................................................................................
সৌন্দর্য রক্ষায় রাতে ঘুমানোর আগে যা করবেন
.............................................................................................
বয়স ধরে রাখতে ঘুমনোর আগে খান এই কালো দুধ
.............................................................................................
প্রিয়জনের বিষণ্নতা কাটাবেন যেভাবে
.............................................................................................
কুমড়ো ফুলে ফুলে
.............................................................................................
চুল চর্চার টুকিটাকি
.............................................................................................
এই একুশের সাজ
.............................................................................................
বয়সকে থামিয়ে দিন মাঝপথেই
.............................................................................................
সহজ উপায়ে উজ্জ্বল ত্বক
.............................................................................................
বিশ্ব ভালোবাসা দিবস আজ
.............................................................................................
বুক ফাটে তো মুখ ফোটে না?
.............................................................................................
আজ কিস ডে
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: মো: হাবিবুর রহমান সিরাজ
আইন উপদেষ্টা : অ্যাড. কাজী নজিব উল্লাহ্ হিরু
সম্পাদক ও প্রকাশক : অ্যাডভোকেট মো: রাসেদ উদ্দিন
সহকারি সম্পাদক : বিশ্বজিৎ পাল
যুগ্ন সম্পাদক : মো: কামরুল হাসান রিপন
নির্বাহী সম্পাদক: মো: সিরাজুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : সাগর আহমেদ শাহীন

সম্পাদক কর্তৃক বি এস প্রিন্টিং প্রেস ৫২ / ২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, সূত্রাপুর ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৯৯ মতিঝিল , করিম চেম্বার ৭ম তলা , রুম নং-৭০২ , ঢাকা থেকে প্রকাশিত ।
মোবাইল: ০১৭২৬-৮৯৬২৮৯, ০১৬৮৪-২৯৪০৮০ Web: www.dailybishowmanchitra.com
Email: news@dailybishowmanchitra.com, rashedcprs@yahoo.com
    2015 @ All Right Reserved By dailybishowmanchitra.com

Developed By: Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD