কক্সবাজার পৌরসভা ও আশপাশের ইউনিয়নকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার জন্য সরকার তোড়জোড় শুরু করেছেন। গত ১ সেপ্টেম্বর সিটি করপোরেশনে সীমানা নির্ধারণের জন্য অধিকৃত স্থান ঘোষণা করা হলে কক্সবাজার সদর উপজেলা থেকে ভারুয়াখালী ও চৌফলদন্ডী ইউনিয়ন বাদ পড়ে যায়। পক্ষান্তরে রামু উপজেলার খুনিয়া পালং ও দক্ষিণ মিটাছড়ি ইউনিয়ন কক্সবাজার সিটি করপোরেশনের অধিকৃত জায়গায় স্থান পায়। সিটি করপোরেশনের অধিকৃত স্থান থেকে ভারুয়াখালী ও চৌফলদন্ডী ইউনিয়ন বাদ পড়লে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, রাস্তাঘাটে ও চায়ের দোকানে এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা জন্ম দেয়। পরবর্তীতে স্থানীয় এমপি জনাব লুৎফর রহমান কাজল তাঁর পার্সোনাল ফেইসবুক আইডি থেকে পোস্টের মাধ্যমে একমাসের মধ্যে আগ্রহী আশপাশের ইউনিয়নকে ডিসি বরাবর আবেদন ও গণশুনানিতে অংশগ্রহণ করার জন্য আহবান জানান। গতকাল সকাল ১০ টায় ভারুয়াখালীর নাগরিক ফোরামের নেতৃবৃন্দ ভারুয়াখালীকে কক্সবাজার সিটি করপোরেশনে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য জেলা প্রশাসক জনাব আব্দুল মান্নানের নিকট আবেদন জমা দেন। জানা যায়, ভারুয়াখালীর নেতৃবৃন্দ তাদের আবেদনে উল্লেখ করেছেন কক্সবাজার শহর থেকে খুরুশকুলের উপর দিয়ে ভারুয়াখালীর দূরত্ব মাত্র ৮.৫ কিলোমিটার। ভারুয়াখালী ও খুরুশকুলের মধ্যে সেতু নির্মাণ একেবারে শেষ পর্যায়ে। সেতুটি নির্মিত হলে মাত্র ১৫ মিনিটে কক্সবাজার শহরে যাতায়াত করা যাবে। এছাড়া পৌরসভার মতো উৎস কর, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের করের আওতাভুক্ত ছাড়াও ভারুয়াখালী ইউনিয়নের জমি- জায়গা ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে মাননীয় জেলাপ্রশাসক থেকে অনুমতি নিতে হয়। উচ্ শিক্ষিতের হার, অর্থনৈতিক স্বাবলম্বী ও সম্ভাবনাসহ সিটি করপোরেশনে অন্তর্ভূক্তির নানা বিষয়ে যৌক্তিক বক্তব্য তারা আবদনে তুলে ধরেন। আবেদনের উপস্থিত ছিলেন এডভোকেট সলিম উল্লাহ, সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায় মাস্টার গোলাম কাদের, এডভোকেট নুরুল ইসলাম, এডভোকেট নেজামুল হক, অধ্যক্ষ বদরুল আলম, সহযোগী অধ্যাপক নাজিম উদ্দিন, এডভোকেট আরিফ, এডভোকেট শাহা আলম, এডভোকেট আবুহেনা, হাসমত আলি, মাস্টার শেফা উদ্দিন, ব্যাংকার আব্দুল হামিদ, অধ্যাপক জহিরুল হক, ব্যাংকার সিফাত, ইঞ্জিনিয়ার রমিজ, প্রিন্স শাহিন উদ্দিন, ছাত্রনেতা আবু হানিফা,ওয়াসেম, আরফাত সহ আরো অনেকে।