ঢাকা ১১:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল লালমনিরহাট জেলায় চলছে একের পর এক ধর্ষণ প্রতিবেশী দাদা ভাই গ্রেফতার দেশে ফিরলেন সৌদিতে কোরআন প্রতিযোগীতায় জয়ী ৪ হাফেজ ইয়েমেন ও সোমালিয়া উপকূলে ২২ ভারতীয়সহ দুটি জাহাজ ছিনতাই  বঙ্গভবনে শপথ নিতে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি ভালুকায় বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর, থানায় অভিযোগ পটিয়ায় আঞ্জুমানে আশেকানে গাউসুল আজম সুলতানপুরীর জশনে জুলুছে ঈদে মিলাদুন্নবী অনুষ্ঠিত শিবচরে শাম্পা হত্যা ও শিশু আবির নিখোঁজের রহস্য উদঘাটন: ঘাতক ফারুক গ্রেফতার, উদ্ধার হত্যাকাণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ আলামত শরীয়তপুরে যুবদল নেতা নুরুজ্জামান বেপারীর বাবা-মায়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে মিলাদ ও মোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ‎সোনালী আঁশে ফিরেছে প্রাণ: গাইবান্ধার ১৩ হাজার ৯৮৭ হেক্টর জমিতে পাট চাষ, মাঠজুড়ে কৃষকের স্বপ্ন

‎সোনালী আঁশে ফিরেছে প্রাণ: গাইবান্ধার ১৩ হাজার ৯৮৭ হেক্টর জমিতে পাট চাষ, মাঠজুড়ে কৃষকের স্বপ্ন

‎গাইবান্ধা প্রতিনিধি
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

‎বাংলার ঐতিহ্য আর গ্রামীণ অর্থনীতির অন্যতম ভিত্তি ‘সোনালী আঁশ’ পাট। বর্ষার মৌসুমে গাইবান্ধার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন দুলছে সেই সোনালী স্বপ্ন। জেলার সাতটি উপজেলায় পুরোদমে চলছে পাট কাটা, জাগ দেওয়া, আঁশ ছাড়ানো ও শুকানোর কাজ। ভালো ফলন এবং ন্যায্যমূল্যের প্রত্যাশায় ব্যস্ত সময় পার করছেন হাজারো কৃষক।
‎জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ মৌসুমে গাইবান্ধায় পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৪ হাজার ২৭৫ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৯৮৭ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। ২০ আগস্ট পর্যন্ত ১৩ হাজার ৮১৮ হেক্টর জমির পাট কর্তন সম্পন্ন হয়েছে, যা মোট আবাদি জমির প্রায় ৯৯ শতাংশ। প্রতি হেক্টরে গড় ফলন হয়েছে ১ দশমিক ৭৫ মেট্রিক টন।গাইবান্ধা সদর, গোবিন্দগঞ্জ, পলাশবাড়ী, সাঘাটা, ফুলছড়ি, সুন্দরগঞ্জ ও সাদুল্লাপুর উপজেলার মাঠে এখন একই চিত্র। কৃষকদের ভাষ্য, এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় পাটের ফলন ভালো হয়েছে। এখন তাদের একটাই প্রত্যাশা-বাজারে যেন পাটের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হয়।
‎কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, পাট একটি পরিবেশবান্ধব অর্থকরী ফসল। এর চাহিদা দেশ-বিদেশে বাড়ছে। উৎপাদন ও বাজার ব্যবস্থাপনা আরও শক্তিশালী হলে কৃষক পাট চাষে আরও বেশি আগ্রহী হবেন এবং জেলার অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
‎সোনালী আঁশ শুধু একটি ফসল নয়; এটি বাংলার ঐতিহ্য, কৃষকের ঘাম, সংগ্রাম ও স্বপ্নের প্রতীক। গাইবান্ধার মাঠে মাঠে এখন সেই সোনালী আঁশ ঘিরেই রচিত হচ্ছে নতুন সম্ভাবনার গল্প।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ১২:৪০:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
Logo
শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজরসময়
জোহরসময়
আসরসময়
মাগরিবসময়
ইশাসময়
সূর্যোদয় :সময়সূর্যাস্ত :সময়

‎সোনালী আঁশে ফিরেছে প্রাণ: গাইবান্ধার ১৩ হাজার ৯৮৭ হেক্টর জমিতে পাট চাষ, মাঠজুড়ে কৃষকের স্বপ্ন

আপডেট সময় : ১২:৪০:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

‎বাংলার ঐতিহ্য আর গ্রামীণ অর্থনীতির অন্যতম ভিত্তি ‘সোনালী আঁশ’ পাট। বর্ষার মৌসুমে গাইবান্ধার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন দুলছে সেই সোনালী স্বপ্ন। জেলার সাতটি উপজেলায় পুরোদমে চলছে পাট কাটা, জাগ দেওয়া, আঁশ ছাড়ানো ও শুকানোর কাজ। ভালো ফলন এবং ন্যায্যমূল্যের প্রত্যাশায় ব্যস্ত সময় পার করছেন হাজারো কৃষক।
‎জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ মৌসুমে গাইবান্ধায় পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৪ হাজার ২৭৫ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৯৮৭ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। ২০ আগস্ট পর্যন্ত ১৩ হাজার ৮১৮ হেক্টর জমির পাট কর্তন সম্পন্ন হয়েছে, যা মোট আবাদি জমির প্রায় ৯৯ শতাংশ। প্রতি হেক্টরে গড় ফলন হয়েছে ১ দশমিক ৭৫ মেট্রিক টন।গাইবান্ধা সদর, গোবিন্দগঞ্জ, পলাশবাড়ী, সাঘাটা, ফুলছড়ি, সুন্দরগঞ্জ ও সাদুল্লাপুর উপজেলার মাঠে এখন একই চিত্র। কৃষকদের ভাষ্য, এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় পাটের ফলন ভালো হয়েছে। এখন তাদের একটাই প্রত্যাশা-বাজারে যেন পাটের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হয়।
‎কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, পাট একটি পরিবেশবান্ধব অর্থকরী ফসল। এর চাহিদা দেশ-বিদেশে বাড়ছে। উৎপাদন ও বাজার ব্যবস্থাপনা আরও শক্তিশালী হলে কৃষক পাট চাষে আরও বেশি আগ্রহী হবেন এবং জেলার অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
‎সোনালী আঁশ শুধু একটি ফসল নয়; এটি বাংলার ঐতিহ্য, কৃষকের ঘাম, সংগ্রাম ও স্বপ্নের প্রতীক। গাইবান্ধার মাঠে মাঠে এখন সেই সোনালী আঁশ ঘিরেই রচিত হচ্ছে নতুন সম্ভাবনার গল্প।