প্রিপেইড মিটার বাতিল ও ডিমান্ড চার্জ প্রত্যাহারসহ চার দফা দাবিতে রংপুর স্তব্ধ কর্মসূচি পালিত

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার বাতিল, ডিমান্ড চার্জ প্রত্যাহার ও গ্রাহক হয়রানি বন্ধসহ চার দফা দাবিতে আজ ২০ আগস্ট বৃহ¯পতিবার রংপুর স্তব্ধ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। সব শ্রেণি পেশার মানুষের অংশগ্রহণে বৃহ¯পতিবার সকাল সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত আধা ঘণ্টা ব্যাপী কর্মসূচিতে অচল হয়ে পড়ে রংপুর নগরী। বিদ্যুৎ গ্রাহক ফোরামের ডাকে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে কয়েক হাজার সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করে। কর্মসূচি চলাকালে রংপুর প্রেসক্লাবের সামনে থেকে শাপলা চত্বর পর্যন্ত সড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। নগরবাসী যে যেখানে ছিলেন, সেখানেই দাঁড়িয়ে এই প্রতিবাদ কর্মসূচির প্রতি সংহতি জানান। এর আগে বিভিন্ন এলাকা থেকে শত শত নারী-পুরুষ মিছিল নিয়ে প্রেসক্লাবের সামনে ও নেসকো কার্যালয় সংলগ্ন শাপলা চত্বরে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরুকরেন। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শালবন এলাকার গৃহবধূ আফরোজা বেগম বলেন, আগে ডিজিটাল মিটারে মাসে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা বিল আসত। এখন প্রিপেইড মিটারে ৫০০ টাকা রিচার্জ করলেই ডিমান্ড চার্জের নামে ৩০০ টাকা কেটে নেওয়া হচ্ছে। আমরা এমন জুলুম মানি না, আমাদের আগের মিটার ফিরিয়ে দেওয়া হোক। বেসরকারি চাকরিজীবী রঞ্জিনা বেগম অভিযোগ করেন, নতুন সংযোগের ক্ষেত্রে নেসকো কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদের প্রিপেইড মিটার নিতে বাধ্য করছে, যা অনভিপ্রেত। বিদ্যুৎ গ্রাহক ফোরামের নেতারা অভিযোগ করেন, প্রিপেইড মিটারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পকেট কাটা হচ্ছে। অবিলম্বে প্রিপেইড মিটার বাতিল, ডিমান্ড চার্জ প্রত্যাহার এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা। প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ফোরামের নেতা আনোয়ার হোসেন বাবলু, মমিনুল ইসলাম, রাজু বাঁশফোর, মোমিনা বেগম ও আশরাফি ইসলাম। অন্যদিকে শাপলা চত্বরের সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের আহŸায়ক দেলোয়ার হোসেন আরেফিন তিতু। সমাবেশ থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়, আগামী ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দাবি মানা না হলে রংপুরের নেসকো কার্যালয় ঘেরাও করা হবে। প্রয়োজনে রংপুর নগরী অনির্দিষ্টকালের জন্য অচল করে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন বক্তারা।













