ঢাকা ০১:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
হত্যারহস্য উদঘাটনে ফরিদপুর থানার তৎপরতা- প্রধান আসামি গ্রেপ্তার, উদ্ধার অটোভ্যান ভারতে দুই বোন পাচার: ফরিদপুরে শহীদের ২০ বছরের সাজা ভেড়ামারায় কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে পদ্মায় ভেসে উঠল হাত-পা ও ব্লকে বাঁধা নারীর লাশ ভাগলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে ইউএনও, যাচাই করলেন মিড ডে মিল ও পাঠদানের মান কমলনগরে মুসার বাপের সমাজে সড়ক ধস: হাজার মানুষের দুর্ভোগ, দ্রুত পরিদর্শনের আশ্বাস ইউএনওর শিবচরে হুইল চেয়ার ও টিন বিতরণ মৌলভীবাজার ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতা অভিযান সামরিক শক্তিতে এগিয়ে থেকেও বিপাকে সৌদি, হুতির সঙ্গে বড় সংঘাতের শঙ্কা মোদির নৈশভোজে কেন গেলেন না শি জিনপিং?

ভারতে দুই বোন পাচার: ফরিদপুরে শহীদের ২০ বছরের সাজা

ফরিদপুর প্রতিনিধি
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

উন্নত চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে দুই বোনকে ভারতে পাচার ও অনৈতিক কাজে বাধ্য করার দায়ে মো. শহীদ শেখ (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে মোট ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ফরিদপুরের মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এই রায় ঘোষণা করেন।দণ্ডপ্রাপ্ত শহীদ শেখ ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার গজারকান্দি গ্রামের বাসিন্দা। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে অনুপস্থিত থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।আদালত সূত্রে জানা যায়, মানব পাচার দমন আইনের ৬ ধারায় শহীদ শেখকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া ১০ ধারায় তাকে আরও ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে প্রতি ধারায় আরও তিন বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে তাকে। তবে অপর আসামি, শহীদের স্ত্রীর বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের ২৯ জুলাই ফরিদপুরের একটি জুট মিলে কর্মরত ২০ ও ১৮ বছর বয়সী দুই বোনকে ভালো চাকরির লোভ দেখিয়ে ভারতে পাচার করেন তাদেরই সহকর্মী শহীদ শেখ। পরে তাদের মুম্বাই (বোম্বে) শহরে নিয়ে অসামাজিক কাজে বাধ্য করা হয়।এই ঘটনায় ভুক্তভোগীদের বাবা ২০১১ সালের ১৩ আগস্ট সালথা থানায় শহীদ শেখ ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করেন। তদন্ত শেষে একই বছরের ৩১ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন সালথা থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) ওমর আলী।রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত উপযুক্ত শাস্তি দিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৪:২০:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
Logo
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজরসময়
জোহরসময়
আসরসময়
মাগরিবসময়
ইশাসময়
সূর্যোদয় :সময়সূর্যাস্ত :সময়

ভারতে দুই বোন পাচার: ফরিদপুরে শহীদের ২০ বছরের সাজা

আপডেট সময় : ০৪:২০:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

উন্নত চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে দুই বোনকে ভারতে পাচার ও অনৈতিক কাজে বাধ্য করার দায়ে মো. শহীদ শেখ (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে মোট ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ফরিদপুরের মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এই রায় ঘোষণা করেন।দণ্ডপ্রাপ্ত শহীদ শেখ ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার গজারকান্দি গ্রামের বাসিন্দা। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে অনুপস্থিত থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।আদালত সূত্রে জানা যায়, মানব পাচার দমন আইনের ৬ ধারায় শহীদ শেখকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া ১০ ধারায় তাকে আরও ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে প্রতি ধারায় আরও তিন বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে তাকে। তবে অপর আসামি, শহীদের স্ত্রীর বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের ২৯ জুলাই ফরিদপুরের একটি জুট মিলে কর্মরত ২০ ও ১৮ বছর বয়সী দুই বোনকে ভালো চাকরির লোভ দেখিয়ে ভারতে পাচার করেন তাদেরই সহকর্মী শহীদ শেখ। পরে তাদের মুম্বাই (বোম্বে) শহরে নিয়ে অসামাজিক কাজে বাধ্য করা হয়।এই ঘটনায় ভুক্তভোগীদের বাবা ২০১১ সালের ১৩ আগস্ট সালথা থানায় শহীদ শেখ ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করেন। তদন্ত শেষে একই বছরের ৩১ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন সালথা থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) ওমর আলী।রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত উপযুক্ত শাস্তি দিয়েছেন।