ঢাকা ০৩:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ধামরাইয়ে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ৭ দেশের তেল স্থাপনা, ইন্টারনেট কেবল ও এআই হাবে হামলা চালানোর হুমকি ইরানের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে বয়সসীমা বেঁধে দিল গ্রিস এনসিপিকে এখন ‘প্রক্সি জামায়াত পার্টি’ বললেও ভুল হবে না: রাশেদ খান গাজীপুরে আগুনে দগ্ধ বাবা-মায়ের পর মেয়েরও মৃত্যু ফেসবুকে বিএনপি নেতা আতাউর রহমানকে নিয়ে মিথ্যে গুজব ছড়ানোর বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ পদত্যাগ করলেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক এআইয়ের প্রসারে চীনের অর্থনীতির পালে হাওয়া ট্রাম্প ও জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের প্রস্তাব পুতিনের প্রি-পেইড মিটারে রিচার্জ নিয়ে গ্রাহকদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে বয়সসীমা বেঁধে দিল গ্রিস

দৈনিক বিশ্ব মানচিত্র নিউজ ডেস্ক
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শিশু-কিশোরদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসক্তি ও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে ১৫ বছরের কম বয়সীদের এসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার নিষিদ্ধ করে আইন পাস করেছে গ্রিসের পার্লামেন্ট। ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আইনটি কার্যকর হবে। নতুন বিধান অনুযায়ী, ব্যবহারকারীদের বয়স যাচাই করতে হবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে। আইন অমান্য করলে প্রতিষ্ঠানগুলোকে কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে হবে।শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিটসোটাকিসের দল নিউ ডেমোক্রেসির সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে বিলটি পাস হয়। তবে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া উত্তপ্ত বিতর্কের পরও অন্য কোনো রাজনৈতিক দল বিলটির পক্ষে সমর্থন দেয়নি। এর আগে, গত এপ্রিলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে বয়সসীমা আরোপের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন মিটসোটাকিস। তরুণদের মধ্যে জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম টিকটকে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি প্রস্তাবিত পদক্ষেপকে ‘কঠিন, কিন্তু প্রয়োজনীয়’ বলে উল্লেখ করেন।বিলটি নিয়ে ভিন্ন অবস্থান নিয়েছে বিরোধী সমাজতান্ত্রিক দল পাসক। দলটি ভোটদানে বিরত থাকার পাশাপাশি বিকল্প একটি বিলের প্রস্তাব দিয়েছিল। ওই প্রস্তাবে ১৩ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করার কথা বলা হয়। একই সঙ্গে ১৩ ও ১৪ বছর বয়সীদের জন্য অভিভাবকদের নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা চালুর প্রস্তাবও ছিল।নতুন আইন কার্যকরের মধ্য দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে তরুণদের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা প্রায় ২০টি দেশের তালিকায় যুক্ত হলো গ্রিস। অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, ব্রাজিল, ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশ ইতিমধ্যে এ ধরনের বিধিনিষেধ চালু করেছে অথবা তা কার্যকরের পরিকল্পনা করছে।সমালোচকদের আশঙ্কা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আসক্তি তৈরিকারী অ্যালগরিদম শিশু-কিশোরদের দীর্ঘ সময় ধরে পর্দায় আটকে রাখছে। এর ফলে অতিরিক্ত সময় এসব প্ল্যাটফর্মে কাটানো তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে বয়সভিত্তিক নিষেধাজ্ঞার কার্যকারিতা নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। এ ধরনের আইন বাস্তবে কতটা কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা সম্ভব এবং শিশু-কিশোরদের সুরক্ষায় তা কতটা সুফল বয়ে আনবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সমালোচকেরা।

সূত্র : আল-জাজিরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০২:২০:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
Logo
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজরসময়
জোহরসময়
আসরসময়
মাগরিবসময়
ইশাসময়
সূর্যোদয় :সময়সূর্যাস্ত :সময়

সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে বয়সসীমা বেঁধে দিল গ্রিস

আপডেট সময় : ০২:২০:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

শিশু-কিশোরদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসক্তি ও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে ১৫ বছরের কম বয়সীদের এসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার নিষিদ্ধ করে আইন পাস করেছে গ্রিসের পার্লামেন্ট। ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আইনটি কার্যকর হবে। নতুন বিধান অনুযায়ী, ব্যবহারকারীদের বয়স যাচাই করতে হবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে। আইন অমান্য করলে প্রতিষ্ঠানগুলোকে কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে হবে।শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিটসোটাকিসের দল নিউ ডেমোক্রেসির সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে বিলটি পাস হয়। তবে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া উত্তপ্ত বিতর্কের পরও অন্য কোনো রাজনৈতিক দল বিলটির পক্ষে সমর্থন দেয়নি। এর আগে, গত এপ্রিলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে বয়সসীমা আরোপের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন মিটসোটাকিস। তরুণদের মধ্যে জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম টিকটকে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি প্রস্তাবিত পদক্ষেপকে ‘কঠিন, কিন্তু প্রয়োজনীয়’ বলে উল্লেখ করেন।বিলটি নিয়ে ভিন্ন অবস্থান নিয়েছে বিরোধী সমাজতান্ত্রিক দল পাসক। দলটি ভোটদানে বিরত থাকার পাশাপাশি বিকল্প একটি বিলের প্রস্তাব দিয়েছিল। ওই প্রস্তাবে ১৩ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করার কথা বলা হয়। একই সঙ্গে ১৩ ও ১৪ বছর বয়সীদের জন্য অভিভাবকদের নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা চালুর প্রস্তাবও ছিল।নতুন আইন কার্যকরের মধ্য দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে তরুণদের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা প্রায় ২০টি দেশের তালিকায় যুক্ত হলো গ্রিস। অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, ব্রাজিল, ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশ ইতিমধ্যে এ ধরনের বিধিনিষেধ চালু করেছে অথবা তা কার্যকরের পরিকল্পনা করছে।সমালোচকদের আশঙ্কা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আসক্তি তৈরিকারী অ্যালগরিদম শিশু-কিশোরদের দীর্ঘ সময় ধরে পর্দায় আটকে রাখছে। এর ফলে অতিরিক্ত সময় এসব প্ল্যাটফর্মে কাটানো তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে বয়সভিত্তিক নিষেধাজ্ঞার কার্যকারিতা নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। এ ধরনের আইন বাস্তবে কতটা কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা সম্ভব এবং শিশু-কিশোরদের সুরক্ষায় তা কতটা সুফল বয়ে আনবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সমালোচকেরা।

সূত্র : আল-জাজিরা।