শরীয়তপুরে নড়িয়া উপজেলায় স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সঙ্ঘবদ্ধ দর্শনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছেন নড়িয়া থানা পুলিশ।
সোমবার রাত আনুমানিক ১১ টার দিকে ভোজেশ্বর ইউনিয়নের আচুরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আটককৃতরা হলেন, সদর উপজেলার আটিপাড়া এলাকার মালেক খন্দকারের ছেলে, হজরত খন্দকার ২৬ ইমন ২৫ নড়িয়া থানার আচুরার বাসিন্দা আলমগীর ব্যাপারীর ছেলের রাব্বি ২৮ ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, তার স্বামীকে মাদক ব্যবসায়ী ধরার কথা বলে সোমবার রাতে হজরত খন্দকার ইমন রাব্বি ডেকে নিয়ে যায়। পরে তাকে অপহরণ করে নড়িয়া উপজেলার আচুরা গ্রামে আজিজ ডালীর বাগানে বেঁধে রাখে। পরবর্তীতে স্বামীর মোবাইল ফোন থেকে তার স্ত্রীকে ফোন করে পেনড্রাইভ নিয়ে বাড়ি থেকে বের হতে বলা হয়। এবং তাকে এগিয়ে আনতে লোক পাঠানো হয়। পরে তাকে আজিজ ঢালির বাগানে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই তার স্বামীকে বেঁধে রাখা হয়েছিল।
অভিযোগ অনুযায়ী স্বামীর সামনেই তিনজন মিলে ওই নারীকে সঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষণ করে।
ঘটনার পর তাদের চিৎকার শুনে এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে ধর্ষণকারীরা পালিয়ে যায়। পরে ওই নারীকে উদ্ধার করে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে চিকিৎসার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী এক যুবক বলেন,বাড়ির পাশের জঙ্গলে অনেক রাতে এক নারী চিৎকার শুনে আমরা আমরা আসি, এসে দেখি এক লোক তার স্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে চিৎকার করছে আমরা জিজ্ঞেস করলে আমাদের ধর্ষণের বিষয়টি জানান। পরে বাড়ি থেকে মহিলারা এসে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠান।
এ বিষয়ে নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা ওসি বাহার মিয়া বলেন। ৯৯৯ কল পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠাই এবং ঘটনার সত্যতা পাই। পরে রাতেই অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করি। ভুক্তভোগীর স্বামীর সঙ্গে তাদের মাদক সংক্রান্ত লেনদেন আছে বলে জানতে পারি এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।