ফেসবুকে অপপ্রচার ছড়াচ্ছে বিএনপি’র নেতা আতাউর রহমান চেয়ারম্যান ও তার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি’র যুগ্ন আহবায়ক আতাউর রহমান চেয়ারম্যান, মাঠ পর্যায়ে থেকে রাজনীতি করে অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ কণ্ঠ হিসেবে শক্ত অবস্থানে নিজেকে দাঁড় করিয়েছেন। অন্যায়ের সাথে কখনোই আপোষ করেননি। স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগের আমলে শত অন্যায় অত্যাচার জুলুম নির্যাতন মেনে নিয়েও দলকে শক্ত অবস্থানে রেখেছেন। নিজের দলের নেতা কর্মীদের বিপদ আপদে সর্বদাই পাশে থেকে সাহস যুগিয়েছেন বিপদে থেকেও কিভাবে দলের নেতৃত্ব ধরে রাখতে হয়। দলের জন্য নিজের সর্বত্র বিলিয়ে দিয়েও, বিএনপির নামধারী কিছু আগাছারা আজ সেই নেতাকে নিয়ে ফেসবুকে বিভিন্ন ধরনের খারাপ মন্তব্য করে যাচ্ছে। যিনি সর্বদা মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছেন তাকেই কিনা মাদক চাঁদাবাজি সাথে জড়িয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিচ্ছে।
বিএনপি’র এইসব আগাছা কর্মীদের কারণে ভবিষ্যতে দল আরো ক্ষতির মুখে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তাই সময় থাকতে এসব আগাছা দল থেকে ছাঁটাই করে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির স্বচ্ছ রাজনীতি বজায় রেখে দলকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করছেন তিনি। রাজনীতি মানে প্রতিহিংসা নয়, দেশ ও জনগণের শান্তির জন্য দলের নেতাকর্মীদের একত্রিত করে দেশের কল্যাণে একনিষ্ঠভাবে মিলেমিশে কাজ করার নামই রাজনীতি। সেখানে পদ পদবির জন্য একজন আরেকজনকে নিয়ে টানা হেচড়া করা রাজনীতি নয় তাতে বরঞ্চ দলের ভাবমূর্তির ব্যত্যয় ঘটে। তাই যাদের কারণে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়ে, দলকে আরো শক্ত অবস্থানে থাকার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। আতাউর রহমান কোন সাধারণ ব্যক্তি নয় তিনি একজন স্বর্ণপদক প্রাপ্ত চেয়ারম্যান দলের জন্য তারা অনেক অবদান রয়েছে।এর সাথে স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ-সভাপতি মোঃ সোহাগ কে নিয়ে মাদক ও চাঁদাবাজির সাথে জড়িত বলে ফেসবুকে যে স্ট্যাটাস পোস্ট দেওয়া হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। দলের জন্য তাদের অনেক অবদান রয়েছে এবং তাদের জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী, তাই তাদের এই জনপ্রিয়তাকে ঈর্ষান্বিত হয়ে কিছু লোক এ ধরনের মিথ্যে গুজব ছড়াচ্ছে। তাই দলের নেতাকর্মীদের এই ধরনের লোক থেকে সজাগ থাকতে হবে এবং এই ধরনের লোকদের বিরুদ্ধে কঠোর ভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।


















