পটুয়াখালী ভার্সিটিতে, চালু হচ্ছে হেলথ সায়েন্স অনুষদ, থাকবে ফিজিওথেরাপি-নার্সিং ও স্পোর্টস বিভাগ।পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) নতুন করে যুক্ত হচ্ছে হেলথ সায়েন্স অনুষদ। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৮তম রিজেন্ট বোর্ড সভায় ফ্যাকাল্টি অব হেলথ সায়েন্স অনুষদ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন করা হয়েছে।বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. রাহাত মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানানো হয়।
প্রস্তাবিত এ অনুষদের অধীনে প্রাথমিকভাবে তিনটি বিভাগ চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিভাগগুলো হলো-ফিজিওথেরাপি, ফিজিক্যাল এডুকেশন অ্যান্ড স্পোর্টস এবং নার্সিং অ্যান্ড হেলথ সায়েন্স।
এ বিষয়ে পবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অনুমোদন পাওয়ার পর পরবর্তী প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা জানান, হেলথ সায়েন্স অনুষদ চালু হলে স্বাস্থ্যবিজ্ঞানভিত্তিক উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ বাড়বে। পাশাপাশি দক্ষিণাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার ক্ষেত্র তৈরি হবে।
উল্লেখ্য, বর্তমানে পবিপ্রবিতে কৃষি, মৎস্য বিজ্ঞান, ভেটেরিনারি, পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান, ব্যবসায় প্রশাসন, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, আইন ও ভূমি প্রশাসন, পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং সমুদ্র বিজ্ঞানসহ মোট ১০টি অনুষদ রয়েছে। নতুন অনুষদ যুক্ত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ সংখ্যা বেড়ে ১১টিতে দাঁড়াবে।
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০১ (সংশোধিত) এতে উল্লেখ করা হয়, ভাইস-চ্যান্সেলর পদে তার নিয়োগের মেয়াদ যোগদানের তারিখ অথবা অবসর গ্রহণের তারিখের মধ্যে, যা আগে ঘটে সেই সময় পর্যন্ত। এ পদে তিনি তার বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতনভাতাদি প্রাপ্য হবেন এবং বিধি অনুযায়ী পদসংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করবেন।
রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর প্রয়োজনে যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়।