July 30, 2026, 6:20 am
শিরোনাম :
কাফনের কাপড় মাথায় বেঁধে হবিগঞ্জে হামলার ঘটনায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে এনসিপির লিখিত অভিযোগ দায়ের গাইবান্ধার কাগজের তৈরী প্লেট যাচ্ছে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শান্তিগঞ্জে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত পটিয়ায় আজ থেকে ১০ দিনব্যাপী নারী উদ্যোক্তা ও বিক্রয় মেলা শুরু চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ফটিকছড়ির ডেভিড ইমন যশোর থেকে গ্রেপ্তার! গাইবান্ধায় আড়াই বছর ধরে আটকে রয়েছে ৭টি সেতুর কাজ, ৪টি সেতুর কাজ শুরু হয়নি রামগতিতে পানির লাইন খুঁড়তে মিলল তিনটি মর্টার শেল সদৃশ বস্তু নীলফামারীতে র‍্যাব-১৩ এর উদ্যোগে মাদক ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে সুধী ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দিনাজপুর পৌরসভার সার্বিক উন্নয়ন বিষয়ে “নাগরিক ভাবনাঃ আমাদের করণীয়” শীর্ষক নাগরিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

সুন্দরগঞ্জে নদীগর্ভে বিলিন হচ্ছে বসতভিটা

এস,এম শাহাদৎ হোসাইন, রংপুর 

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় তিস্তা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে বসতভিটা হারিয়ে খোলা আকাশের নীচে মানবেতর জীবন যাপন করছে মানুষ। ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের ভোরের পাখি এলাকাসহ বিভিন্ন চরের অন্তত ৫০টি বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে ভোরের পাখি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ অসংখ্য স্থাপনা। এলাকাবাসী বলেন, গত বৃহ¯পতিবার বিকাল থেকে ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করে। রাতভর ভাঙনকবলিত এলাকার মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ও আসবাব নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে ব্যস্ত থাকে। ভাঙনকবলিত মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছে। কাপাসিয়া ইউনিয়নের ভোরের পাখি চরে অর্ধশতাধিক বসতভিটা ছাড়াও একটি স্কুল, মসজিদ এবং প্রায় চারশত একর ফসলি জমি নদীগর্ভে হারিয়ে গেছে। হুমকির মুখে রয়েছে পাঁচ শতাধিক বসতভিটা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। উপজেলার কাপাসিয়া, হরিপুর, বেলকা, চন্ডিপুর ও শ্রীপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন চরে ভাঙন তীব্র হয়েছে। কাপাসিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মঞ্জু মিয়া বলেন, ২৪ ঘণ্টায় আমার ইউনিয়নের ৫০টি বসতভিটা ও হাজারো গাছপালা নদীতে চলে গেছে। ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জিও ব্যাগ বা জিও টিউব কোনো কাজে আসছে না। নদী খনন ও ড্রেজিং ছাড়া ভাঙন রোধ করা সম্ভব নয়। কছিম বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নুরুল হক বলেন, তিস্তা নদী তার গতিপথ পরিবর্তন করায় কয়েকটি শাখা নদীর সৃষ্টি হয়েছে। ফলে অসময়েও নদী ভাঙছে। স্থায়ী সমাধান ছাড়া চরের মানুষের দুঃখ ঘুচবে না। গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, নদীভাঙন দেখা দিলে জিও ব্যাগ ফেলা এবং ঊর্ধ্বতনদের জানানো ছাড়া তাৎক্ষণিক কিছু করার থাকে না। তিস্তার ভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থার জন্য বড় প্রকল্প প্রয়োজন। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মশিয়ার রহমান বলেন, চেয়ারম্যানদেও কাছে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা চাওয়া হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে সহায়তা দেওয়া হবে।

 

Share this news as a Photo Card


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page
18 July 2026

সুন্দরগঞ্জে নদীগর্ভে বিলিন হচ্ছে বসতভিটা

www.dailybishowmanchitra.com |
dailybishowmanchitra